গ্রামীণফোনের কলড্রপ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করলেন পুলিশ সুপার

প্রকাশ:| বৃহস্পতিবার, ২৩ জুন , ২০১৬ সময় ০৯:৫২ অপরাহ্ণ

‘ওয়ার্ল্ড পাবলিক সার্ভিস ডে’ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে জেলা প্রশাসন আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে আরেক বেসরকারি মোবাইল ফোন অপারেটর রবির বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে নিবন্ধিত সিম জালিয়াতি করে বিকাশের টাকা হাতিয়ে নেওয়া চক্রের সদস্যদের গ্রেপ্তারের প্রসঙ্গ তুলে তিনি এই অসন্তোষ প্রকাশ করেন।

এসপি হাফিজ বলেন, “সম্প্রতি যুক্ত হয়েছে কলড্রপ। গ্রামীণফোন মারাত্মক কলড্রপ করছে।”

গত কয়েক মাসে গ্রামীণফোনের কলড্রপ ‘মারাত্মক আকার’ ধারণ করেছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, “এটা ছোটখাট কোনো বিষয় নয়। বিষয়টি অপারেটরটির ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানালেও কোনো উন্নতি হয়নি।”

অবশ্য গ্রামীণফোনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ কলড্রপের বিষয়টি আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে ঠিক করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে বলে অনুষ্ঠানের পরে বলেন এসপি হাফিজ।

চট্টগ্রাম জেলাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা গ্রামীণফোনের মোবাইল নম্বর ব্যবহার করেন।

অনুষ্ঠানে চট্টগ্রামের এসপি বলেন, অবৈধ ভিওআইপি কলের ক্ষেত্রে সরকারি মোবাইল ফোন অপারেটর টেলিটকের নম্বর বেশি ব্যবহার করা হয়।

যে কোনো সরকারি প্রতিষ্ঠান ‘ডিজিটালাইজেশন’ করার সঙ্গে সঙ্গে নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়ার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, “সিকিউরিটির বিষয়টি স্ট্রং করে তারপর ডিজিটালাইজেশন করবেন।

“কারণ এখন হ্যাকড হচ্ছে। এমনকি বাংলাদেশ ব্যাংকের মত জায়গায় হ্যাকিংয়ের ঘটনা ঘটেছে। তাই সিকিউরিটি নিশ্চিত করে ডিজিটালের পথে আগাতে হবে।”

‘অফিস খরচ হিসেবে ঘুষ নেওয়ার’ প্রসঙ্গ তুলে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের প্রধান হাফিজ বলেন, “যে নামেই নেওয়া হোক না কেন এসব বন্ধ করা অফিস প্রধানদের দায়িত্ব।”

সরকারি সেবার গতি বাড়াতে সংস্থাগুলোতে ‘রিওয়ার্ড এন্ড পানিশমেন্ট সিস্টেম’ চালুর ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার রুহুল আমিন, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার শংকর রঞ্জন সাহা, স্থানীয় সরকার চট্টগ্রাম বিভাগের পরিচালক দীপক চক্রবর্তী ও জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিন।