মিরসরাইয়ে দেড়’শ বছরের পুরনো শ্মশান বেদখল

প্রকাশ:| শুক্রবার, ২৩ মে , ২০১৪ সময় ০৮:০৭ অপরাহ্ণ

width="200"“মিরসরাইয়ে দেড়’শমিরসরাই সংবাদদাতা
মিরসরাইয়ের জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের গোপীনাথপুর গ্রামে প্রায় দেড়’শ বছরের পুরনো হিন্দু সম্প্রদায়ের একটি সার্বজনীন শ্মশান দখল হয়ে গেছে। বৃহস্পতিবার (২২মে) সকালে স্থানীয় লোকজন শ্মশানটি সংস্কার করতে গেলে ভূমি দস্যু ওমর ফারুক ও আজীজ ধারালো অস্ত্র নিয়ে এলাকাবাসীকে ধাওয়া করে। এঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে শ্মশান কমিটির সভাপতি ভবরঞ্জন পাল বাদি হয়ে জোরারগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
গোপীনাথপুর সার্বজনীন শ্মশান কমিটির সভাপতি ভবরঞ্জন পাল জানান, প্রায় দেড়’শ বছর পূর্বে গোপীনাথপুর গ্রামের রামগতির ছেলে নন্দ কুমার এলাকাবাসীর স্বার্থে গোপীনাথপুর মৌজায় ২৩২৮ নম্বর পিএস খতিয়ানে ২১ শতক জায়গা শ্মশানের জন্য দান করে যান। বংশ পরমপরায় এলাকার প্রায় শতাধিক সংখ্যালঘু পরিবার শ্মশানটি ব্যবহার করে আসছিল। কিন্তু ভূমি দস্যুদের কালো ধাবায় শ্মশানটি সংকুচিত হয়ে এখন ৪ শতকে পরিনত হয়। কিন্তু গত কয়েক মাস আগে জোরারগঞ্জ বাজারের দলিল লেখক ওমর ফারুক শ্মশানটির মাঝ খানে বেড়া দিয়ে দখল করে নেয়। বিষয়টি জোরারগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে লিখিত অভিযোগ দেন স্থানীয় লোকজন। গত বুধবার (২১ মে) একটি সালিশী বৈঠকে দুই পক্ষের উপস্থিতিতে চেয়ারম্যান বিষয়টির মীমাংসা করে দেন। গত বৃহস্পতিবার (২২ মে) সকালে বৈঠকের রায়ের কপি নিয়ে শ্মশানটি সংস্কার করতে গেলে ওমর ফারুক ও ভূমি দস্যু আজীজ ধারালো অস্ত্র নিয়ে এলাকাবাসীকে ধাওয়া করে। পরে বিষয়টি জোরারগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মকসুদ আহম্মদ চৌধুরীকে জানানো হলে তিনি মামলা করার পরামর্শ দেন।।
জোরারগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মকসুদ আহম্মদ চৌধুরী জানান, সংখ্যালঘুদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত করে বেদখলকৃত শ্মশানটি উদ্ধারের জন্য শ্মশান কমিটিকে নিদের্শ দেয়া হয়। কিন্তু শশ্মানটি দখলমুক্ত করতে গেলে এলাকাবাসীকে দখলদাররা ধাওয়া করে বলে শুনেছি। তিনি থানায় অভিযোগ দেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বলে জানান।
জোরারগঞ্জ বাজারের দলিল লেখক ওমর ফারুক বলেন, জায়গাটি আমার তাই আমি দখল করেছি। ওরা আমার বিরুদ্ধে ইউনিয়ন পরিষদে মিথ্যে অভিযোগ দিয়েছে।
বছরের পুরনো শ্মশান বেদখল”