মিনায় নিহত বাংলাদেশী হাজির সংখ্যা ১৭ জন

প্রকাশ:| শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর , ২০১৫ সময় ১০:৪১ অপরাহ্ণ

মিনায় নিহত বাংলাদেশী হাজির সংখ্যা ১৭ জন। সৌদি আরবের মিনায় ‘শয়তান স্তম্ভে’ পাথর ছোড়ার সময় পদদলিত হয়ে নিহত হাজির সংখ্যা বেড়ে ৭৬৯ জনে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো অন্তত ৯৩৪ জন।

সৌদি স্বাস্থ্যমন্ত্রী খালেদ আল-ফালিহ শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন।

পদদলিতের এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ইরানের অন্তত ১৩৪ জন, মরক্কোর (স্থানীয় সংবাদমাধ্যম অনুযায়ী) ৮৭ জন, ক্যামেরুনের অন্তত ২০ জন, নাইজারের অন্তত ১৯ জন, ভারতের ১৮ জন, বাংলাদেশের ১৭ জন, মিশরের ১৪ জন, পাকিস্তানের ১১ জন, চাদের ১১ জন, সোমালিয়ার (স্থানীয় সংবাদমাধ্যম অনুযায়ী) আটজন, সেনেগালের পাঁচজন, আলজেরিয়ার চারজন, তানজানিয়ার চারজন, তুরস্কের চারজন, ইন্দোনেশিয়ার তিনজন, কেনিয়ার তিনজন, নাইজেরিয়ার তিনজন, নেদারল্যান্ডের একজন, বুরুন্ডির একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। নিহত বাকিদের জাতিয়তার পরিচয় এখনও শনাক্ত করতে পারেনি সৌদি কর্তৃপক্ষ।

এর আগে গত ১১ সেপ্টেম্বর স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টার দিকে মক্কায় পবিত্র মসজিদ আল হারামের (গ্র্যান্ড মসজিদ) বর্ধিতাংশের নির্মাণ কাজের সময় ছাদ থেকে ক্রেন ধসে ১০৭ জন হাজির মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় আহত হন আরও অন্তত আড়াইশ’ জন।

সৌদি আরবের মক্কার মিনায় শয়তানকে পাথর ছুঁড়তে গিয়ে পদদলিত হয়ে নিহত বাংলাদেশি ৯ হাজির মৃতদেহ সনাক্ত করতে পেরেছে হজ এজেন্সি এবং নিহতদের স্বজনরা।

নিহত হাজিরা হলেন- জামালপুরের বাসিন্দা ফিরোজা বেগম (৫৪)। সুনামগঞ্জের হাজিপাড়া এলাকার বাসিন্দা জুলিয়া হুদা (৪০)। ফেনীর তাহেরা বেগম (৭৩) এবং তার ভাই নূর নবী মিন্টু (৬৯)  মুন্সীগঞ্জের জাহানারা আরজু, বি-বাড়িয়ার গোলাম মোস্তফা,শরিয়তপুরের এম এ রাজ্জাক ও হাসিনা আক্তার, দিনাজপুরের কেরামত আলি। এ ঘটনায় আরো অনেক বাংলাদেশি হাজি নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গেছে ।

এদিকে শুক্রবার রাত থেকেই মিনায় পদদলিতদের মৃতদেহগুলো সানাক্তকরণের কাজ শুরু হয়েছে।

মৃত্যু সংবাদ http://www.hajj.gov.bd/death-news/