মালয়েশীয় তেলের ট্যাঙ্কার ফিরিয়ে দিল জলদস্যুরা

প্রকাশ:| শুক্রবার, ১৯ জুন , ২০১৫ সময় ০৫:২৯ অপরাহ্ণ

৪ঠা জুন ৭,১০০ ডেডওয়েটের একটি জ্বালানী তেলবাহী ট্যাঙ্কার ছিনতাই করার পর আবারও ১১ জুন দ্বিতীয় দফায় ছিনতাই হয় ৭৩০০ ডেডওয়েটের মহামূল্য জ্বালানীবাহী ট্যাঙ্কার। দ্বিতীয়টি উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এতে ৭৭০ মেট্রিক টন তেল আর নেই, জলদস্যুরা পাচার করে দিয়েছে। তারপরও স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে মালয়েশিয়া, বিশেষত তেণ গ্যাস জ্বালানীকেন্দ্রিক মালয়েশীয় প্রতিষ্ঠান পেট্রোনাস। দেশটির নৌবাহিনী সূত্রে জানা গেছে এসকল তথ্য।

সর্বশেষ ছিনতাইকৃত ট্যাঙ্কারটির নাম ছিল ওরকিম হারমোনি। মালয়েশীয় সমুদ্র উপকূল থেকে জলদস্যু কর্তৃক ছিনতাইকৃত ট্যাঙ্কারটি উদ্ধারের পর বর্তমানে ব্যস্ততম কুয়ান্তান বন্দরে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। তেলেবাহী ট্যাঙ্কারটিতে অবস্থান করছিলেন ২২ জন কর্মচারী। জলদস্যুরা অস্ত্রের মুখে তাদের জিম্মি করেছিল। শুধুমাত্র একজনের পায়ে গুলি করেছে দস্যুরা। অবশিষ্ট ২১ ক্রু প্রায় অক্ষত আছেন।

ট্যাঙ্কারটি ছিনতাই হওয়ার পর মালয়েশীয় প্রশাসনে সাড়া পড়ে যায়। তিনটি সামরিক নৌযান এবং দুটি সামরিক বিমান মালয়েশিয়ার সমুদ্রসীমায় জলদস্যুদের সন্ধানে টহল দিতে থাকে। জলদস্যুরা তানজুং সেদিলি বন্দরের নিকটবর্তী অঞ্চলে ফিল্মি কায়দায় ট্যাঙ্কার ছিনতাইয়ের পর ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ৩০ নটিক্যাল মাইল দূরে সরে যায়।

জানা যায়, ট্যাঙ্কারটিতে জলদস্যুদের অন্যতম আরাধ্য ৫০,০০০ ব্যারেল রন৯৫ গ্যাসোলিন ছিল। ছিনতাইয়ের পর ট্যাঙ্কারটি নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর না চেনার স্বার্থে পুরোপুরি রং বদলে ফেলা হয়। এমনকি নামও বদলে নেয়া হয় দ্রুততম সময়ে। ওরকিম হারমোনি থেকে বদলে নতুন নাম তৈরি করা হয় কিম হারমোন। ট্যাঙ্কারটির ২২ কর্মীর মধ্যে ১৬ জন মালয়েশীয়, ৫ জন ইন্দোনেশীয়, ও ১ জন মিয়ানমারের নাগরিক।