মানুষের কর্মের ফলাফলের উপর পরকালের শান্তি নির্ভর করে

প্রকাশ:| শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর , ২০১৪ সময় ০৯:৫৩ অপরাহ্ণ

পার্বতী সুহৃদ মাতার ৫৮তম তিরোধান দিবসের অনুষ্ঠানে সিটি মেয়র

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনজুর আলম বলেছেন ধর্ম,বর্ণ, গোত্র, সম্প্রদায় নির্বিশেষে সকল মানুষের কর্মের ফলাফলের উপর পরকালের শান্তি নির্ভর করে। তিনি বলেন, সৃষ্টিকর্তার আরাধনা করেই তাকে পেতে হয়। পার্বতী সুহৃদ মাতা জেলে সম্প্রদায়ের সাধিকা মাতা। তিনি সাধনা করে সৃষ্টি কর্তার সান্নিধ্য লাভে প্রয়াস চালিয়ে গেছেন। মেয়র সনাতন ধর্মীয় সকলকে ধমীয় আচার অনুষ্ঠান, রীতি-নীতি নৈতিকতার সাথে সম্পাদনের পরামর্শ দেন। তিনি প্রসঙ্গক্রমে বলেন, অভয়মিত্র মহাশ্মশানের উন্নয়ন করা হচ্ছে। শ্মশানের চুল্লি, শোচাগার, ডিপটিউবওয়েল, পাকঘর নির্মাণ, শ্মশানের স্থান উন্নয়ন সহ নানামুখি উন্নয়ন কাজে প্রায় ২৫ লক্ষ টাকা ব্যয়িত হয়েছে। মেয়র বলেন, নগরীর ৩৭ নং ও ৫নং ওয়ার্ডে নতুন ২টি শ্মশান প্রতিষ্ঠা সহ মন্দির নির্মাণ, পূজা অর্চ্চনা কাজে সিটি কর্পোরেশন সার্বিক সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছে। তিনি বলেন, নাগরিক সেবার স্বার্থে সিটি কর্পোরেশন ধর্ম, বর্ণ, দল-মত নির্বিশেষে নিরপেক্ষতা বজায়রেখে সমঅধিকার নিশ্চিত করছে। ২৬ ডিসেম্বর ২০১৪খ্রি. শুক্রবার সন্ধ্যায় নগরীর অভয়মিত্র মহাশ্মশান প্রাঙ্গনে শ্রী শ্রী পার্বতী সুহৃদ মাতার ৫৮ তম তিরোধান দিবস স্মরনে অভয়মিত্র মহাশ্মশান পরিচলানা পরিষদ আয়োজিত ৫দিন ব্যাপি ধর্মীয় অনুষ্ঠানের প্রথম দিবসের ধর্মীয় সম্মেলনে প্রধান অতিথির ভাষনে সিটি মেয়র এ সব কথা বলেন।
বিকেল ৪ টায় ভক্তি সঙ্গিত, মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জলনের মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠানের শুভ সুচনা হয়। মানুষের কর্মের ফলাফলের উপর পরকালের শান্তি নির্ভর করেঅনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, অভয় মিত্র মহাশ্মশান পরিচলনা পরিষদ সভাপতি কাউন্সিলর জহরলাল হাজারি। উদ্বোধন করেন, কৈবল্য ধামের মোহন্ত মহারাজ শ্রীমৎ অশোক কুমার চট্টোপাধ্যায়। আশির্বাদক ছিলেন চন্দ্র নাথ ধাম, কাঞ্চন নাথ ধাম, আদিনাথ ধাম এর মোহন্ত মহারাজ স্বামী লক্ষী নারায়ন কৃপানন্দপুরী। এতে অতিথি ছিলেন, হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাষ্ট এর ট্রাষ্টি শ্রী রাখাল দাশগুপ্ত। প্যানেল মেয়র চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনি, কাউন্সিলর প্রকৌশলী বিজয় কুমার চৌধুরী কিষান, মহিলা কাউন্সিলর মিসেস আঞ্জুমান আরা বেগম, এডভোকেট তপন কান্তি দাশ, কাজল কান্তি দত্ত, অদুল কান্তি চৌধুরী, অধুল কান্তি চৌধুরী, অধ্যাপক স্বদেশ চক্রবর্তী, পলাশ কান্তি নাথ। অধিবাসে পৌরহিত্য করেন শ্রীল মুরালী দাস গোস্বামী ও শম্ভুনাথ দাশ। ধর্মীয় এ অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে আমান উল্যাহ, সাবের আহমদ, আলাউদ্দিন ও মণির উপস্থিত ছিলেন।