মাইজভাণ্ডার শরীফের ওরশ কাল থেকে শুরু

প্রকাশ:| বুধবার, ২০ জানুয়ারি , ২০১৬ সময় ১০:১৪ অপরাহ্ণ

মাইজভাণ্ডারউপমহাদেশের বিখ্যাত দরবার মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফের প্রতিষ্ঠাতা গাউছুল আজম মাইজভাণ্ডারী হযরত মওলানা শাহ ছুফী সৈয়দ আহমদ উল্লাহ (ক.) ১১০তম ওরশ শরীফ শনিবার।

ওরশ উপলক্ষ্যে প্রতিবারের মতো তিনদিনের কর্মসূচি হাতে নিয়েছে গাউছিয়া আহমদিয়া মঞ্জিল। তাই মূল দিবস শনিবার হলেও ওরশের কার্যক্রম শুরু হচ্ছে বৃহস্পতিবার থেকে।

হযরত মওলানা শাহ ছুফী সৈয়দ এমদাদুল হক মাইজভাণ্ডারীর (ম.জি.আ.) আয়োজন ও ব্যবস্থাপনায় এবং সৈয়দ ইরফানুল হক মাইজভাণ্ডারীর (ম.জি.আ.) তত্ত্বাবধানে ওরশের কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

প্রতিবছর বাংলা ৮, ৯, ১০ মাঘ এবং ২১, ২২, ২৩ জানুয়ারি পবিত্র ওরশ শরীফ পালন করা হয়। তিনদিন ব্যাপী ওরশ শরীফের প্রথমদিন বৃহস্পতিবার।

ওরশ শরীফে প্রতিদিন বাদ আছর হতে রাত ১০টা পর্যন্ত বিশেষ কর্মসূচি পালন হবে। বৃহস্পতিবার কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে খতমে কোরআন, খতমে গাউছিয়া, নাতে মোস্তফা পরিবেশন, শানে গাউছিয়া পরিবেশন, মিলাদ মাহফিল, আলোচনা সভা জিকির, বাদে এশা ছেমা মাহফিল এবং বিশেষ মোনাজাত।

প্রতিবছর এই মহান অলীর ওরশে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চল ছাড়াও ভারত, পাকিস্তান, মায়ানমার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, সৌদি আরব, কাতার, ওমানসহ বিভিন্ন দেশ থেকে অসংখ্য ভক্ত-অনুরক্ত অংশগ্রহণ করেন।

ওরশে আগত আশেক, ভক্ত, মুরিদান, জায়েরীনদের সার্বিক নিরাপত্তা ও আইন শৃংখলা রক্ষায় ফটিকছড়ি উপজেলা প্রশাসন, র‌্যাব, পুলিশ, আনসার এবং মাইজভাণ্ডার ওরশ শরীফ সুপারভিশন কমিটির বিপুল সংখ্যাক স্বেচ্ছাসেবক ও মাইজভাণ্ডারী স্পেশাল ফোর্স (এমএসএফ) দায়িত্ব পালন করবে।

এছাড়া ওরশ শরীফ সুপারভিশন কমিটির উদ্যোগে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা ও ভিডিও চিত্র ধারণের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি করা হবে বলে আয়োজক সূত্রে জানা গেছে। বিভিন্ন স্থানে প্রয়োজনীয় গাড়ি পার্কিংসহ মেহমানদের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে থাকা, সময়মতো নামাজ আদায়, বিশুদ্ধ পানীয় জল, স্বাস্থ্য সম্মত সেনিটেশন, আলোক সজ্জা এবং প্রয়োজনীয় ওষুধসহ বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

ওরশ শরীফকে ঘিরে বিগত দুই মাস ধরে আঞ্জুমানে মোত্তাবেয়ীনে গাউছে মাইজভাণ্ডারী (শাহ এমদাদীয়া) এবং অঙ্গসংগঠনগুলো সাংগঠনিকভাবে বিভিন্ন কার্যক্রম পালন করে আসছে।
এরমধ্যে গরীব দুস্থদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ, ফ্রি খৎনা ও চিকিৎসা ক্যাম্প, রক্ত দান, ব্লাড গ্রুপিং, মেধা বৃত্তি ও পুরষ্কার বিতরণ, স্কুল ভিত্তিক মেধা বিকাশ কার্যক্রম, বিভিন্ন এলাকায় পোস্টার, ফেস্টুন, তোরণ, লিফলেট ইত্যাদি দিয়ে সাজানো।

ওরশ শরীফ উপলক্ষে স্থানীয় ও জাতীয় পত্রপত্রিকায় বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হবে। রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাণী প্রদান করেন।


আরোও সংবাদ