মহেশখালী সেতুতে বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা

প্রকাশ:| বুধবার, ২৫ অক্টোবর , ২০১৭ সময় ০৬:৪০ অপরাহ্ণ

সেতুর বাতি বিকল,যাতায়াতে দুর্ভোগ, সড়ক ও জনপদ বিভাগের উদাসীনতায় সেতু জুড়ে ভুতুড়ে পরিবেশ!

মহেশখালী প্রতিনিধি,
কক্সবাজারে মহেশখালীর প্রবেশদ্বার মহেশখালী সেতু । সেতুতে রাতের বেলায় জনসাধারণ যাতায়তে সুবিধার্থে ৬০টি লাইটপোষ্ট স্থাপন করেছিল সড়ক ও জনপদ বিভাগ। দীর্ঘ একযুগের কাছাকাছি সময় ধরে সব বাতি বিকল হয়ে পড়ে রয়েছে। সেতু উদ্বোধনের দিন লাইটপোষ্ট গুলি ঘন্টা খানেক জ্বলানোর পর পরই বিকল হয়ে যায় ওই লাইটপোষ্ট। এত বছর পার হলেও এখনো স্থানীরা দেখেনি কোন ধরণের আলোর মুখ। সেতুতে স্থাপনাকৃত লাইটপোষ্ট দীর্ঘ সময় ধরে বিকলবস্থায় পড়ে থাকায় এতে যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি মতো ঘটনা ঘটারও আশঙ্কা করেছে সচেতন মহল।
স্থানীয় এলাকাবাসীর অভিযোগ, সড়ক ও জনপদ বিভাগের খামখেয়ালী ও উদাসীনতায় বর্তমানে সেতু জুড়ে ভুতুড়ে পরিবেশ বিরাজ করছে। জনগুরুত্বপূর্ণ সেতু দিয়ে নিয়মিত যাওয়া-আসা করছে দ্বীপ উপজেলা মহেশখলীতে চলমান দেশের সবচেয়ে বড় বড় ছয়টি মেগা প্রকল্পের বিভিন্ন ভিআইপি কর্মকর্তারা। এতে করে আজো সড়ক ও জনপদ বিভাগের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঘুম ভাঙছে না বলে ভুক্তোভোগীদের অভিযোগ।
সরেজমিনে দেখাগেছে, চকরিয়ার শেষ প্রান্তে বদরখালী লাগায়ে মহেশখলী সেতুতে বর্তমানে কোনো বৈদ্যুতিক আলো সরবারহ না থাকায় সন্ধ্যার পরই অন্ধকার নামার সাথে সাথে সেতুতে চলাচলকারী জনসাধারণ আতঙ্ক নিয়েই চলাফেরা করতে বাধ্য হচ্ছেন। সেতুর লাইটপোষ্ট বিকল হওয়ার সুযোগে সেতুর উপর জমায়েত ঘটে স্থানীয় আশ-পাশ এলাকার মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবী চক্রের লোকজনের। দীর্ঘদিন ধরে বদরখালী-মহেশখালী সেতুতে বৈদ্যুতিক আলোবিহীন ঘুঁটঘুঁটে অন্ধকার বিরাজ করায় সাধারণ পথচারীরা গাড়ির নিচে চাপা পড়ে যে কোনো সময় বড়ধরনের দুর্ঘটনার শিকার হতে পারেন। এ অবস্থায় সড়ক ও জনপদ বিভাগ (সওজ) চরম উদাসীন ভূমিকা পালন করে আসছে।
কক্সবাজার সড়ক ও জনপদ বিভাগের (সওজ) নির্বাহী প্রকৌশলী রানা প্রিয় বড়ুয়া জানান, মহেশখালী মাতারবাড়ীতে সরকারের গৃহীত প্রকল্পের কাজ শুরু করার সাথে সাথে ওই কাজের সামঞ্জস্যতা রেখে সেতুর লাইটপোষ্ট গুলো খুব শীঘ্রই বৈদ্যুতিক সংযোগ ব্যবস্থা করে লাইট জ্বালানোর উদ্যোগ নেয়া হবে বলে তিনি জানান।


আরোও সংবাদ