মহেশখালীতে বৈষম্যের ৪৮ বছর: আবদুল্লাহ আল মামুন

নিউজচিটাগাং২৪/ এক্স প্রকাশ:| বৃহস্পতিবার, ২০ সেপ্টেম্বর , ২০১৮ সময় ০৭:৪৩ অপরাহ্ণ

স্বাধীনতার বয়স ৪৮ চলছে, এখনও মহেশখালীতে চলতেছে পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের মত বৈষম্য

কালারমারছড়া, হোয়ানক, শাপলাপুর, মাতারবাড়ি, ধলঘাটা এই পাঁচটি ইউনিয়নের স্বাভাবিক শিক্ষারমান অনেক নিম্ন। এই পাচঁটি ইউনিয়নে হাজার হাজার মানুষের বসবাস। মাত্র কয়েকটি হাইস্কুল, আলিম মাদ্রাসা, কওমি মাদ্রাসা, হোয়ানক ইউনিয়নে একটি দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত কলেজ ছাড়া অবহেলিত জনপদটিতে মানসম্মত কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্টান আজও গড়ে উঠেনি!

পক্ষান্তরে, দক্ষিণে সব রকমের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান একটার জায়গায় দুই-তিনটাও রয়েছে। একটা মানসম্মত হাসপাতাল নাই! পাচঁটি ইউনিয়ন থেকে এমপি ইসহাক মিয়া একবার এমপি হয়েছিলেন, আর একবার হোছাইন মোহাম্মদ ইবরাহীম উপজেলা চেয়ারম্যান (বর্তমান) উল্লেখযোগ্য পদ পদবী আর আসেনি। এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষার হল গুলো অনেক কষ্টের বিনিময়ে কালারমারছড়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম উসমান গণি ওসমান অনেক কষ্ট ত্যাগ এনে দিয়েছিলেন। না হয়, এক কেজি ৫০ টাকার মাছ ১৫০ টাকা, এক কেজি ১৫০ টাকার আপেল ২৫০ টাকা এইহারে খেতে হতো। একমাস আগে বাসা ভাড়া করতে হতো ইত্যাদি।

এই বৈষম্যের হাত থেকে রক্ষা পেতে করণীয়:
যতদ্রুত সম্ভব একটি কমিটি ঘোষণা করা, কমিটির উল্লেখযোগ্য কাজগুলো এবং উত্তর মহেশখালীর সার্বিক উন্নয়নের খসড়া রিপোর্ট প্রতিমাসে পেশ করা ।

কমিটির সদস্য হতে পারেঃ ইউপি চেয়ারম্যান, সরকারি পদস্থ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা, এলাকার মান্য ব্যক্তিরা।

এই কমিটির প্রথম এবং গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো হতে পারেঃ
১। একটি ডিগ্রি /অনার্স কলেজ প্রতিষ্ঠা করা।
২। কয়েকটা আলিম মাদ্রাসাকে ফাযিল- কামিল করা।
৩। একটা টেকনিক্যাল কলেজ ও একটি মহিলা কলেজ প্রতিষ্ঠা করা।
৪। উসমান চেয়ারম্যান কর্তৃক রেডিকৃত ১০০ নাকি ১৫০ সহ্য বিশিষ্ট হাসপাতালের ফাইলটি সম্পর্কে বিস্তারিত প্রসেসিং সম্পন্ন করা।

সময় এসেছে সচেতন হওয়ার! বাপদাদারা হাইস্কুলগুলো এবং মাদ্রাসাগুলো প্রতিষ্ঠা না করলে, হয়ত উল্লেখ্য ইউনিয়নগুলো অশিক্ষার কবল থেকে রক্ষা পেত না। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। যাতে করে উক্ত ইউনিয়ের হাজার হাজার মানুষের সন্তনেরা যেন আধুনিক-প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষা অর্জন করতে পারে- আশু ব্যবস্থা করুন।