মহানায়ক সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু

প্রকাশ:| বুধবার, ২২ মার্চ , ২০১৭ সময় ১১:৫১ অপরাহ্ণ

সরকারি বঙ্গবন্ধু কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মতিয়ার রহমান বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পরাধীনতার শিকল ভেঙ্গে বাঙালি জাতির মুক্তি এনে দেন।বাঙালি জাতির মুক্তি সংগ্রামের মহানায়ক সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর নেতৃত্বে আমরা অর্জণ করেছি প্রিয় স্বাধীনতা। আমরা তাকে কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করছি। জনাব প্রফেসর মতিয়ার রহমান বলেন, লক্ষ লক্ষ প্রানের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা বাঙালি জাতির শ্রেষ্ঠ অর্জন। এ অর্জনকে অর্থবহ করতে সবাইকে বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে জানতে হবে। আর তাঁকে জানার একমাত্র অবলম্বন বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী। এই বইটি সকল শিক্ষার্থীকে পড়তে হবে। তাহলেই তারা আলোকিত মানুষ হয়ে দেশ ও জাতির কল্যাণ করতে সক্ষম হবে। বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুননেছা মুজিব মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এবং বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতা স্মৃতি পরিষদ এবং বঙ্গবন্ধু প্রবীণ সমিতির সহযোগীতায় ২১ মার্চ ২০১৭ খ্রি. বেলা ১১ টায় গোপালগঞ্জ সরকারি বঙ্গবন্ধু কলেজ মিলনায়তনে গোপালগঞ্জ সরকারী বঙ্গবন্ধু কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মতিয়ার রহমান সংবর্ধনা এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর ৯৮তম জন্মদিন এবং ৪৭ তম মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা এবং জাতির পিতার অসমাপ্ত আত্মজীবনী বই শিক্ষার্থীদের মাঝে বিতরণ অনুষ্ঠানের সভাপতি ও সংবর্ধিত গুণীজন প্রফেসর মতিয়ার রহমান এসব কথা বলেন। এতে প্রধান আলোচক ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাচ্য ভাষা বিভাগের প্রফেসর ড.জ্বিনবোধি ভিক্ষু। এ ছাড়াও আলোচনা করেন বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতা স্মৃতি পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সাধারন সম্পাদক মো. আবদুর রহিম, বঙ্গবন্ধু সরকারি কলেজের সহযোগী অধ্যাপক প্রফেসর ড. মহাব্বত আলী, সহাকারী অধ্যাপক শাহআলম, মনিরুজ্জামান, শুকলাল বিশ্বাস, অসিম বারই, সেলিম আক্তার, সরকারি বঙ্গবন্ধু কলেজ গোপালগঞ্জ ছাত্রলীগের সভাপতি দিন ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক নিউটন মোল্লা, আলহাজ্ব মোস্তফা হাকিম ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক মো. ইদ্রিস, মো. নাসিম, মো. নজরুল ইসলাম, বঙ্গবন্ধু বাংলা পীঠের শিক্ষক মো. ইউনুছ মিয়া, সাইফুর রহমান বাবু, উত্তর কাট্টলী মোস্তফা হাকিম হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক আবদুচ ছত্তার মজুমদার, সহকারী শিক্ষক উৎপল কান্তি শীল, বঙ্গবন্ধু প্রবীণ নেতা ও মুক্তিযোদ্ধা রেদওয়ানুল হক, আমীর হোসেন, কাজী জাহাঙ্গীর হোসেন, নুরুল আমিন, জালাল উদ্দিন, বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতা স্মৃতি পরিষদের মংলাই, কবি আসিফ ইকবাল, ছাত্র নেতা বোরহান উদ্দিন গিফারী, আনন্দ মজুমদার, সাখাওয়াত হোসেন সওকত, সালাউদ্দিন মনু, রাশেদ মাহমুদ পিয়াস ও মো. সাজেদ উল্লাহ সহ অন্যরা। আলোচনা সভার পর সরকারী বঙ্গবন্ধু কলেজ গোপালগঞ্জের মেধাবী ৩ শত শিক্ষার্থীর হাতে হাতে জাতির পিতার অসমাপ্ত আত্মজীবনী বই তুলে দেয়া হয়। অনুষ্ঠানের প্রধান আলোচক চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাচ্যভাষা বিভাগের প্রফেসর ড.জ্বিনবোধি ভিক্ষু বলেন,

স্বাধীনতার মূল লক্ষ ছিল একটি সুখি ও সমৃদ্ধ দেশ গড়া। সে লক্ষ অর্জনে বর্তমান সরকার নিরলস প্রচষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, জাতীয় জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের ফলে বালাদেশ আজ বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সভার আলোচক বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতা স্মৃতি পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সাধারন সম্পাদক মো. আবদুর রহিম বলেন, বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলেও প্রশংসা অর্জন করেছে। পৃথিবীর বন্ধুপ্রতীম রাষ্ট্র সমূহ বাংলাদেশকে প্রসংশা করছে। বাংলাদেশের সাথে বন্ধু প্রতীম রাষ্ট্র সমূহের সম্পর্ক গভীরতম ও সম্প্রসারিত হয়েছে। সভার সভাপতি সরকারী বঙ্গবন্ধু কলেজ গোপালগঞ্জের অধ্যক্ষ প্রফেসর মতিয়ার রহমান বলেন, সরকার বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার কার্যকর এবং মানবতা বিরোধী যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কার্য পরিচালনা এবং বুদ্ধিজীবি হত্যার বিচার কার্যকর করেছে। তিনি বলেন স্বাধীনতা বিরোধী সাম্প্রদায়িক গোষ্টি এবং গণতন্ত্র বিরোধী অপশক্তি এখনও গণতন্ত্র ও উন্নয়নের ধারা বানচাল করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। তিনি এসকল অপশক্তিকে মোকাবেলা করার জন্য দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান। সভার শুরুতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমান,বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব সহ ১৯৭৫ এর ১৫ আগষ্ট কালরাতের সকল শহীদ ৩ নভেম্বর জেল খানায় নিহত চার জাতীয় নেতা এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে মোনাজাত এবং দাড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। অনুষ্ঠানে গোপালগঞ্জ সরকারী বঙ্গবন্ধু কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মতিয়ার রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু সম্মাননা স্মারক’ এবং সম্মাননা সনদ ও বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী বই তুলে দেন বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতা স্মৃতি পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. আবদুর রহিম।