মহানগর দায়রা জজ এস এম মুজিবুর রহমানকে বিদায়ী শুভেচ্ছ‍া জানিয়েছেন মহিউদ্দিন

প্রকাশ:| শনিবার, ১২ জুলাই , ২০১৪ সময় ০৭:৪২ অপরাহ্ণ

সদ্য অবসরপ্রাপ্ত চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ এস এম মুজিবুর রহমানকে বিদায়ী শুভেচ্ছ‍া জানিয়েছেন মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাবেক মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী।

মহিউদ্দিনশনিবার সকাল ১০টায় নগরীর পাঁচলাইশ আবাসিক এলাকায় মহানগর দায়রা জজের সরকারি বাসভবনে যান মহিউদ্দিন।

এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন সাবেক মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট কামাল উদ্দিন আহমেদ।

বিদায়ী বিচারকের উদ্দেশে মহিউদ্দিন চৌধুরী বলেন, চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ হিসেবে তিনবছর দায়িত্ব পালনকালে দক্ষতা ও সুনামের সঙ্গে কাজ করে বিচার কার্যক্রমে গতি এবং বিচার প্রার্থীদের দুর্ভোগ কমিয়েছেন এস এম মুজিবুর রহমান।

সদ্য বিদায়ী মহানগর দায়রা জজের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করে মহিউদ্দিন চৌধুরী বলেন, একজন উঁচুমানের বিচারক বিচারাঙ্গন থেকে অবসর নিয়েছেন। বিচারাঙ্গন তার মতো উঁচুমাপের বিচারকের শূন্যতা সব সময় অনুভব করবে।

সাবেক মহানগর পিপি অ্যাডভোকেট কামাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘বার এবং বেঞ্চের সুসম্পর্কের মধ্যে দিয়ে কীভাবে মামলা নিষ্পত্তি করা যায় এবং বাদী-বিবাদীর সর্বোচ্চ আস্থ‍া অর্জন করা যায়, তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করে গেছেন সদ্য বিদায়ী বিচারক এস এম মুজিবুর রহমান।

তিনি বলেন, চাঞ্চল্যকর মামলার শুনানির ক্ষেত্রে অনেক কঠিন পরিস্থিতি সহজে সামলে নিয়ে মামলা নিষ্পত্তি করেছেন তিনি। চাঞ্চল্যকর ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলার নিষ্পত্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের বিচারের ইতিহাসে এস এম মুজিবুর রহমান স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

১০ ট্রাক অস্ত্র মামলার রাষ্ট্রপক্ষের এ কৌঁসুলি বলেন, ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলার ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ন রাখার ক্ষেত্রে মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে।

২০১১ সালের মার্চে চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ হিসেবে যোগদান করেন এস ‍এম মুজিবুর রহমান। বৃহস্পতিবার শেষ কার্যদিবস হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। তিনবছর দায়িত্ব পালনকালে চাঞ্চল্যকর ও আলোচিত মামলার নিষ্পত্তি করে আন্তর্জাতিকভাবে খ্যাতি অর্জন করেন এস ‍এম মুজিবুর রহমান।

দেশের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ অবৈধ ১০ ট্রাক অস্ত্র চালান মামলার রায় ঘোষণা করে বিশ্ব জুড়ে আলোচনার ঝড় তোলেন বিজ্ঞ এ বিচারক। চাঞ্চল্যকর মামলা নিষ্পত্তির পাশাপাশি বেশকিছু আলোচিত মামলার বিচারিক কার্যক্রম শুরু করে গেছেন তিনি।