মহানগরী ও ফটিকছড়ির পৃথক এলাকা থেকে গৃহবধু ও নবজাতকসহ তিনটি লাশ উদ্ধার

প্রকাশ:| বুধবার, ১৫ জানুয়ারি , ২০১৪ সময় ০৭:৫৭ অপরাহ্ণ

চট্টগ্রাম মহানগরী ও ফটিকছড়ির পৃথক এলাকা থেকে গৃহবধু ও নবজাতকসহ তিনটি লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বুধবার দুপুরে এবং বিকালে এসব লাশ উদ্ধার করে পুলিশ মর্গে পাঠিয়েছে। এর মধ্যে ফটিকছড়ি থেকে এক গৃহবধূ ও নবজাতকের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। অপর লাশটি পাওয়া যায় নগরী পাহাড়তলী থানা ভেলুয়ারদীঘি থেকে। দুদিন আগে নিখোঁজ হওয়া এক রিকসা চালকের লাশ।
ফটিকছড়ি থানা পুলিশ জানায়, বুধবার বিকালে উপজেলার সমিতির হাট ও সুন্দপুর এলাকা থেকে দুটি লাশ উদ্ধার করা হয়।
ফটিকছড়ির থানার ওসি শাহজাহান ভূইয়া লাশ দুটি উদ্ধারের কথা স্বীকার করে জানান, উপজেলা সমিতির হাট ইউনিয়নের লোকমান মাষ্টারের কাচারী ঘর থেকে রওশন আরা আক্তার (৪০) নামে এক গৃহবধুর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। রওশন আরা স্থানীয় ওখরা গ্রামের আনোয়ার হোসেনের স্ত্রীর।

স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, সকাল থেকে নিজ বাড়িতে রওশন আরাকে না দেখে বিভিন্ন দিকে খোঁজ নিতে থাকে বাড়ির লোকজন। পরে বেলা ৩ টার দিকে পার্শ্ববর্তী লোকমান মাষ্টারের পরিত্যক্ত কাচারী ঘরে ফাঁসিতে ঝুলন্তবস্থায় লাশটি দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয় স্থানীয় এলাকাবাসী। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঝুলন্ত লাশটি উদ্ধার করে। তবে এটি হত্যা না আত্মহত্যা তাৎক্ষনিক ভাবে কেউ জানাতে পারেনি।

এছাড়া উপজেলার সুন্দরপুর ইউপি কার্যালয় সংলগ্ন ব্রিজের নীচ থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় এক নবজাতকের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। বিকাল ৪টায় স্থানীয় লোকজন এই নবজাতকের লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়।

এদিকে নগরীর পাহাড়তলী থানা পুলিশ বেলা ১টার দিকে পাহাড়তলী রেল ষ্টেশন সংলগ্ন ভেলুয়ার দীঘি থেকে নিখোঁজ রিকসা চালক নূর হোসেন (২৭) এর লাশ উদ্ধার করেছে।

পাহাড়তলী থানা পুলিশ জানায়, দুপুরে ভেলুয়ার দীঘিতে এক ব্যক্তির লাশ ভাসতে দেখে এলাকার লোকজন খবর দিলে পুলিশ নূর হোসেনের লাশ উদ্ধার করে।

নিহতের পরিবার জানিয়েছে, সোমবার তিনি বাসা থেকে বের হওয়ার পর থেকে নিখোঁজ ছিলেন। তিনি রিকসা চালাতেন। তবে কিভাবে নূর হোসেনের মৃত্যু হয়েছে জানা যায়নি।


আরোও সংবাদ