মমতা রাষ্ট্রপতি সৌজন্য সাক্ষাত

প্রকাশ:| শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারি , ২০১৫ সময় ১১:০৭ অপরাহ্ণ

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির বাংলাদেশ সফরের মধ্য দিয়ে দুই দেশের মধ্যকার অমীমাংসিত বিষয়গুলোর সমাধান হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আজ শুক্রবার বিকেলে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আজ শুক্রবার বিকেলে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত করতে বঙ্গভবনে গেলে আবদুল হামিদ এ আশা প্রকাশ করেন।

রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব ইহসানুল করিম জানান,পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে প্রায় ৩৫ মিনিট দ্বিপক্ষীয় বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন আবদুল হামিদ।

তিনি জানান, সাক্ষাতের সময় রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই সফরের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের অমীমাংসিত বিষয়গুলোর সমাধান হবে।
বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
এসময় মমতা ব্যানার্জিও সাংস্কৃতিক সেতু বন্ধনের মধ্য দিয়ে দুই বাংলার সম্পর্ক এবং অন্যান্য অমীমাংসিত বিষয় সমাধানের আশ্বাস দেন। একইসঙ্গে দুই বাংলার যৌথ উদ্যোগে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের প্রস্তাবও রাখেন।

মমতা বলেন, বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যে পর্যটন খাতেও অপার সম্ভাবনা রয়েছে, বিশেষত পশ্চিমবঙ্গে। পাশাপাশি আগরতলা-ঢাকা-কোলকাতা রুটে সরাসরি বাস এবং খুলনা-কোলকাতা রুটে ট্রেন চলাচল চালুর বিষয়েও আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি।

তিনি জানান, কলকাতায় ‘নজরুল তীর্থ’ এবং আসানসোলে ‘কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়’ প্রতিষ্ঠার জন্য পশ্চিমবঙ্গ সরকার উদ্যোগ নিয়েছে।

জবাবে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘বঙ্গবন্ধু চেয়ার’ প্রতিষ্ঠা এবং ‘নজরুল তীর্থ’ এবং ‘কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়’ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়ায় মমতাকে ধন্যবাদ জানান রাষ্ট্রপতি। এরমাধ্যমে প্রতিবেশী দু’দেশের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও গভীর হবে বলেও ‍আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

এসময় রাষ্ট্রপতির পত্নী রাশিদা খানম, পশ্চিমবঙ্গের পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, পর্যটন মন্ত্রী ব্রাটিয়া বসু, সংসদ সদস্য দ্বীপক অধিকারী, অভিনেত্রী মুনমুন সেন, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার পঙ্কজ শরণ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক শেষে মমতা রাষ্ট্রপতির বাসভবনে যান এবং তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।