মনের মতো স্টাডিরুম

প্রকাশ:| রবিবার, ৩১ আগস্ট , ২০১৪ সময় ১১:০৫ অপরাহ্ণ

study-roomস্টাডিরুম বললে শুধু পড়ার ঘর বোঝায় না। বরং এটি হতে পারে আপনার সৃজনশীলতা, কর্মদক্ষতা ও অবসরের চমৎকার সঙ্গী। ঘরটি আপনার যাবতীয় স্বাধীনতার ক্ষেত্রও হতে পারে। এখানে বসে নানান পরিকল্পনা, জীবনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য অনুধাবনের পাশাপাশি নিজের স্বাতন্ত্র্যতাকে উপভোগ করতে পারেন। এ সব বিষয় ঘরের সাজগোজে মাথায় রাখতে হবে।

স্টাডিরুম সাজানোর নানান উপায় রয়েছে। প্রাথমিক কথা হলো- ঘরটি যেন আপনাকে কাজে আগ্রহী করে তোলে। তাই সৌম্য ও স্নিগ্ধ পরিবেশ বজায় রাখতে হবে। তার মানে এমন নয় যে, খুবই পুরনো ফ্যাশানে সাজাতে হবে। এ ছাড়া আপনি যদি সিঙ্গেল হন ও বাড়তি ঘর পোষার সামর্থ্য না থাকে, তবে থাকার ঘরটিকে বেড কাম স্টাডিরুম হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন।

১. ঘরের পরিবেশ আরামদায়ক হতে হবে, যা আপনাকে মনোযোগী হতে সাহায্য করবে। দেয়ালে এমন রং ব্যবহার করুন যা চোখে ও মনে প্রশান্তি যোগায়। বেছে নিতে পারেন কোমল সবুজ, সাদা, ফ্যাকাশে হলুদ বা কফি রং।
২. ঘরের মেঝেতে ব্যবহৃত টাইলস বা কার্পেটের জন্য বাড়ির অন্যান্য ঘরের সঙ্গে সাদৃশ্যতা বজায় রাখুন। নিয়মিত কার্পেট পরিষ্কার করুন। মাঝেমধ্যে মেঝেতে বসে পড়ালেখা বা ল্যাপটপে কাজ করতে পারেন।
৩. স্টাডিরুম শুনলে কেমন যেন গম্ভীর গম্ভীর কিছু মনে হয়। কিন্তু বিষয়টা এমন না। বরং একটু আরামদায়ক ও স্টাইলিশ আসবাব বেছে নিন। সাধারণ চেয়ারের চেয়ে স্টাইলিশ ও আরামদায়ক চেয়ার রাখুন।
৪. দেয়ালের একপাশে বুকশেলফ রাখুন। কাঠের হলে ভালো। এখানে বেশি সময় কাটালে সিঙ্গেল সোফা রাখতে পারেন। পাশে একটি ছোট টেবিল রাখুন। কফি বা চায়ের কাপ, বই বা অন্য কিছু রাখতে পারবেন। চাইলে পাও রাখতে পারেন।
৫. ঘরে প্রচুর আলোর একদম দরকার নেই। বরং কাজের জন্য যতটুকু আলো দরকার রাখুন। অনেক সময় মুড অফ থাকলে মৃদৃ আলো ভালো লাগে। এমন আলোর ব্যবস্থা রাখতে পারেন।
৬. দেয়ালে চিত্রকর্ম বা নিজের বিভিন্ন সময়ের কিছু ছবি ঝুলাতে পারেন। চিত্রকর্ম যদি প্রাকৃতিক দৃশ্যাবলী নিয়ে হয়, তবে ভালো। এ ছাড়া বুকশেলফ, পড়ার টেবিলে ছোট শোপিস রাখতে পারেন। এগুলো প্রিয় মানুষের দেওয়া উপহার হলে ভালো।
৭. যদি একটা বড় জানালা ও জানালার ওপাশে গাছপালা থাকে, তবে বাড়তি রিলিফ পাওয়া যাবে। সবুজ ও নীল- দুই রংই চোখ ও মনের জন্য ভালো। জানালায় ছোট ছোট দু-একটা টব রাখুন।