মনিটরিং করেও ভোগ্য পন্যের বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন না

প্রকাশ:| বুধবার, ২ জুলাই , ২০১৪ সময় ০৫:৫৪ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক >>

মনিটরিং করেও ভোগ্য পন্যের বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন নারমজান উপলক্ষে জেলা প্রশাসন, বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়, সিএমপি কমিশনার, চসিক ম্যাজিষ্টেট, দুটি চেম্বার অব্ কমার্স , এবং ব্যবসায়ী সমিতির জোর উদ্যেগ থাকার পরও ভোগ্য পন্যের বাজার নিয়ন্ত্রণ আনতে পারছেন না।
সরেজমিনে দেখা যায় যে, চট্টগ্রামের কর্নফুলী বাজার, রেয়াজউদ্দীন বাজার, দেওয়ান হাট, চকবাজার, চৌমুহনী , লালখান বাজার, বহদ্দারহাট, পাহাড়তলী বাজার, হালিশহর বাজার, বন্দর পোর্ট বাজার, ৩ নং ফকির হাট, ইশান মিস্ত্রি হাট (সল্ট গোলা) , সিইপিজেড কাচাঁ বাজার, বন্দর টিলা কাঁচা বাজার, স্টিল মিল বাজার এবং কাটগড় বাজরের দ্রব্য মূল্য বিস্তর ফারাক। শাক-সবজি , তরকারী, মাছ-মাংস, ফল-মূল, আদা-রসুন, এবং পেয়াঁজ বিক্রিতে পূর্বের চেয়ে কেজি ৫ থেকে ১০ টাকা হারে বৃদ্ধি করে নিচ্ছেন।

এই বৃদ্ধি প্রসঙ্গে এক (শফি) ব্যবসায়ী জানান, রাস্তায় জ্যাম আর ভাড়া বেশি দেওয়ার কারণে বেশি দামে বিক্রি করছি। গত কয়েকদিন যাবত জেলা প্রশাসক , পুলিশ কমিশনার, চেম্বার কতৃপক্ষ এবং সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দরা বাজার মনিটরিং করে দাম মূল্য নির্ধারনে ভেজায় ফারাক লক্ষ্য করেছেন।

এদিকে৩য় রোজা অতিবাহিত হলে ও ছোলার দাম বৃদ্ধি হয়ে ২ কেজি প্রতি ৬৫-৭০ টাকা আর কাঁচা মরিচ ৮০- ১০০ টাকা হারে এবং শসা ৩৫-৭০ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে বলে বাজারের ক্রেতা শফি জানান। ঐ ক্রেতা আরো জানান যে, উচ্চ পর্যায়ের লোকেরা মনিটরিংয়ে আসায় মূল্য কমিয়ে দিয়ে ১০/১৫ মিনিট পরে আবারো বেশি দামে বিক্রি করেন। সচেতন এক গার্মেন্টস কর্মী ( ইয়াংওয়ানের) জানান যে, বড় বড় ব্যবসায়ীরা এই দাম বৃদ্ধির সাথে জড়িত তা না হলে এরা কিভাবে চড়া মূল্যে পন্য বিক্রি করছে। ইফতার সামগ্রী হিসেবে পরিচিত বেগুন, পেয়াঁজ , জিলাপী সহ চিনি, দুধ, চিড়ার দাম পূর্বে চেয়ে ৫-১০ টাকা বাড়িয়ে নিচ্ছেন।

সাধারণ ক্রেতারা মনে করেন যে, জরিমানা না করে ব্যবসায়ীর লাইসেন্স, দোকান বন্ধ এবং কঠোর শাস্তি দিলে কিছুটা কমতে পারে এই কারসাজি। জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিন কয়েকটি বাজার মনিটরিং করে এ ব্যাপারে কঠোর ভাবে দমন করার ঘোষণা দেন।