মধ্যসত্বভোগীদের দৌরাত্বে ক্ষতির মুখে চামড়ার মূল মালিকরা

প্রকাশ:| রবিবার, ৩ সেপ্টেম্বর , ২০১৭ সময় ০৬:২১ অপরাহ্ণ

কোরবানির চামড়ার দর নিয়ে কারসাজির মাধ্যমে মাত্র কয়েক ঘণ্টায় কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে মৌসুমি ব্যবসায়ী ও মধ্যসত্বভোগীরা। মাত্র ৫শ থেকে ৬শ টাকায় সংগ্রহকারীদের কাছ থেকে চামড়া কিনে তারা আড়ৎদারদের কাছেই বিক্রি করেছে দেড় হাজার টাকা দরে। ফলে চামড়ার মূল মালিকরা যেমন দাম কম পেয়েছেন, তেমনি ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে বাসা-বাড়ি থেকে চামড়া সংগ্রহকারী তরুণরা।

বাসা-বাড়ি থেকে কোরবানির পশুর চামড়া আড়ৎ হয়ে ট্যানারি মালিকদের কাছে পৌঁছাতে অন্তত ৫ বার হাতবদল হয়। এর মাঝে মূল আর্থিক সুবিধা লুফে নেয় দ্বিতীয় এবং তৃতীয় স্তরে থাকা মৌসুমি ব্যবসায়ী ও মধ্যসত্ত্বভোগীরা। যার পরিমাণ কয়েকশ কোটি টাকা।

ঈদের দিন দুপুরের আগে থেকেই শুরু হয়ে যায় মৌসুমি ব্যবসায়ীদের কারসাজি। এবার বাসা-বাড়ি থেকে প্রতিটি চামড়া ৫শ থেকে ৮শ টাকা দরে সংগ্রহ করলেও নগরীর বাদামতলী, চৌমুহনী, দেওয়ানহাট, ষোলশহর দু’নম্বর গেইট এলাকার মৌসুমি ব্যবসায়ীরা চামড়া কিনেছেন প্রকার ভেদে ৫শ থেকে ৬শ টাকা দরে। ফলে দীর্ঘ অপেক্ষার পর প্রকৃত দাম না পেয়ে কম দামেই তারা চামড়া বিক্রি করতে বাধ্য হন।

প্রতি বছর কোরবানির ঈদে প্রকাশ্যে চলে আসে মৌসুমি চামড়া ব্যবসায়ী এবং মধ্যসত্ত্বভোগীরা। প্রকৃত আড়ৎদারদের পাইকারি বাজারে আসতে না দিয়েই তারাই পুরো নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়। অথচ নগরীতে চামড়ার আড়ৎ রয়েছে আড়াইশ’র বেশি।

গত বছর বৃহত্তর চট্টগ্রামে পাঁচ লাখ পিস চামড়া সংগৃহীত হয়েছিলো। এবার চামড়া সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে সাড়ে পাঁচ লাখ।