ভ্রাম্যমাণ আদালতের আওতা বাড়ছে

প্রকাশ:| বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই , ২০১৪ সময় ০২:২০ অপরাহ্ণ

ভ্রাম্যমাণ আদালতের আওতা বাড়ছে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক। নতুন কিছু অপরাধ অন্তর্ভুক্ত করে ভ্রাম্যমাণ আদালত আইন সংশোধন করার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

জেলা প্রশাসক সম্মেলনের শেষদিনে আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে আইন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত আলোচনা শেষে সাংবাদিকদের মন্ত্রী একথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, কিছু বাস্তবতা রয়েছে। সেগুলোর দিকে বিশেষভাবে লক্ষ্য করার প্রয়োজন আছে। এ জন্য আইনে কিছু পরিবর্তন করে মোবাইল কোর্টের ক্ষমতায়নের প্রয়োজন হলে সেটি আমরা করব।

মোবাইল কোর্টের আওতা বাড়ছে কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে আইনমন্ত্রী বলেন, হ্যাঁ বাড়ছে। তিনি বলেন মাদক, জুয়াসহ সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

২০০৭ সালের ১ নভেম্বর নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথককরণের পর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের বিচারিক ক্ষমতা রদ করা হয়। তবে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে নির্দিষ্ট কিছু বিষয়ে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য শাস্তির বিধান রাখা হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা এগুলো করেন। কিন্তু নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময়ে মোবাইল কোর্টের আওতা বাড়ানো এবং সংক্ষিপ্ত বিচারের ক্ষমতা চাওয়া হচ্ছে। এবারও জেলা প্রশাসক সম্মেলনের শুরুর দিনে জেলা প্রশাসকদের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে মোবাইল কোর্টের আওতা বাড়ানোর প্রস্তাব তুলে ধরা হয়। আজকেও আইন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত আলোচনায় এ বিষয়টি উঠে আসে। পরে আইনমন্ত্রী তাঁদের অবস্থানের কথা জানান।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের বিচারিক ক্ষমতার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে আইনমন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হয় এমন কিছু করবেন না।

রোহিঙ্গাদের বিবাহ নিষিদ্ধ
আইন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনায় জেলা প্রশাসকেরা কক্সবাজার এলাকায় বসবাসরত রোহিঙ্গারা যাতে বাংলাদেশের মানুষের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ না হতে পারেন সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তাব করেছিলেন। এ বিষয়ে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, রোহিঙ্গাদের বিবাহের বিষয়ে আজই আইন মন্ত্রণালয় থেকে একটি পরিপত্র জারি করা হয়েছে। এ অনুযায়ী এখন থেকে যদি কোনো কাজী রোহিঙ্গাদের বিবাহ নিবন্ধন করেন তাহলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অর্থাত্ এ দেশে রোহিঙ্গাদের সঙ্গে বাংলাদেশিদের বিবাহ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তাই নিবন্ধন হলেও সেটি অবৈধ হবে।