ভোট হলেও গাড্ডায় থাকল যুক্তরাজ্য

প্রকাশ:| শুক্রবার, ৯ জুন , ২০১৭ সময় ০৭:২১ অপরাহ্ণ

ঠিক এক বছর আগে গণভোটে ইইউ ছাড়ার রায় আসার ধাক্কা সামলে উঠতে আগাম নির্বাচন করলেও তা আরও গাড্ডায় ফেলেছে যুক্তরাজ্যকে।বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে কোনো দলই সরকার গঠনের মতো সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। ফলে দুর্বল জোট সরকারই ইউরোপ তথা বিশ্বের প্রভাবশালী দেশটির ভবিষ্যৎ।

এতে ব্রেক্সিট নিয়ে আলোচনা এগিয়ে নেওয়া যেমন জটিলতায় পড়ল, তেমনি দুর্বল সরকারের অধীনে দেশ পরিচালনার ঝুঁকিও যুক্তরাজ্যের সামনে। পাশাপাশি কিছু দিনের মধ্যে আবার নির্বাচনের সম্ভাবনাও এখন উড়িয়ে দেওয়ার নয়।

পার্লামেন্টের মেয়াদ আরও তিন বছর বাকি থাকলেও গত বছর ব্রেক্সিটের পক্ষে অপ্রত্যাশিত গণরায়ের পর ডেভিড ক্যামেরন সরে গেলে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়ে আকস্মিকভাবেই আগাম নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছিলেন টেরিজা মে।

ইইউর সঙ্গে ব্রেক্সিট আলোচনায় শক্তিশালী অবস্থান নিয়ে অংশগ্রহণ করতেই তিনি আগাম ভোটের এই জুয়া খেলেছিলেন বলে রাজনীতি বিশ্লেষকদের ভাষ্য।

কিন্তু সেই বাজিতে কাজ হয়নি; বরং পার্লামেন্টে আসন ১২টি কমে এখন সরকার গঠনের জন্য অন্যের দ্বারে ঘুরতে হবে টোরি দলকে।

ভোটের ফলের পর লেবার পার্টির নেতা জেরমি করবিন প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে টেরিজা মেকে সরে দাঁড়ানোর আহ্বান জানালেও তিনি তাতে সাড়া না দিয়ে বলেছেন, এখন দেশের প্রয়োজন স্থিতিশীলতা।

টোরিদের কাছ থেকে পিছিয়ে থাকলেও ভোটের হার ও আসন উল্লেখযোগ্য হারে বাড়িয়ে তুলেছে করবিন নেতৃত্বাধীন লেবার পার্টি। দলকে উজ্জীবিত করার ক্ষেত্রে অনেকটাই সফল মানতে হবে মধ্য বামপন্থি দলটির কট্টর বাম নেতা হিসেবে পরিচিত এই রাজনীতিককে।

ভোট পর্যবেক্ষকরা বলছেন, যেভাবে লেবাররা এগিয়েছে, তাতে লন্ডনে সম্প্রতি সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা দুটি না ঘটলে হয়ত লেবারদের ফল আরও ভাল হত।

লেবার পার্টির হয়ে বাঙালি তিন কন্যা টিউলিপ সিদ্দিক, রুশনারা আলী ও রূপা হকের বিশাল জয়ই লেবারদের জনপ্রিয়তা বাড়ার নজির।


আরোও সংবাদ