ভূমি অফিসে হয়রানি, বিভাগীয় কমিশনারের কাছে অভিযোগ !

প্রকাশ:| মঙ্গলবার, ১০ জানুয়ারি , ২০১৭ সময় ১০:৪৫ অপরাহ্ণ

বোয়ালখালী প্রতিনিধি: বোয়ালখালী উপজেলা ভূমি অফিসে হয়রানি হওয়া চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগীরা চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কাছে মো. রবিউল হোসাইন, মো. কুতুব উদ্দিন, মো. আবুল কালাম ও মো. ইসমাঈল যৌথভাবে এ লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগকারী মো. রবিউল হোসাইন বলেন, প্রবাসী চাচার নামজারির ঝুলে আছে ফাইল ৬মাস ধরে। তিনি নিয়ম অনুযায়ী জায়গা নামজারি মামলা পরিচালনার জন্য আমাকে প্রতিনিধি করেন আবেদনে। ভূমি কমিশনার নানা অযুহাতে তা না মেনে হয়রানি করছেন।

তিনি আরো বলেন, দীর্ঘদিন নামজারি না হওয়ায় চাচার পরিবার একদিকে যেমন আর্থিক সংকটে ভুগছেন, অপর দিকে এসকল জায়গা গুলো নিয়ে শুরু হয়েছে নানান জটিলতা। তাই বাধ্য হয়ে গত ৪ জানুয়ারি বুধবার বিভাগীয় কমিশনারের দপ্তরে অভিযোগ দায়ের করেছি।

নামজারীর আবেদন করে বিপাকে থাকা মো. কুতুব উদ্দিন বলেন, ৭ মাস ধরে উপজেলা ভূমি অফিসে আসা যাওয়া করছি। এখন উচ্চ আদালতে যাওয়া ছাড়া উপায় দেখছি না। আইনজীবীরা পরামর্শ দিয়েছেন কারণ জানতে ভূমি কমিশনারকে উচ্চ আদালতে তলবের আবেদন জানাবেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক নামজারির আবেদনকারীরা জানান, শুধু শুনানির পর শুনানি। আর প্রতি শুনানীতে দিতে হয় টাকা। ্এভাবে চলে মাসের পর বছর। জরুরী প্রয়োজনে জায়গা বিক্রয় করতে চাইলে নামজারির কারণে তা থমকে যায়। ফলে সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব আর হয়রানির শিকার হচ্ছে সাধারণ মানুষ। সরকারি নিয়ম অনুযায়ি নামজারীর ক্ষেত্রে ২৭০নং ফরমে প্রতিনিধির কথা থাকলেও তা মানা হচ্ছে না।

এছাড়া লাখ টাকা হাতানোর উদ্দেশ্যে অর্পিত সম্পত্তি (খ) তালিকাভুক্ত জায়গা-জমির কোন ফাইল নিষ্পত্তি করেনি এ অফিস। এ সংক্রান্ত বহু আবেদন ঝুলে আছে বলেও জানান এলাকাবাসী।

এ ব্যাপারে জানতে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুরাইয়া আকতার সুইটি‘র মুঠো ফোনে (১০ জানুয়ারি মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭.২৮ মিনিটে) জানতে চাইলে তিনি উন্নয়ন মেলায় রয়েছেন বলে জানান। এরপর রাত ৮.১৭ মিনিটে মুঠো ফোনে কল দিলে তিনি রিসিভ না করে কেটে দেন।