ভাবীর সহায়তায় ধর্ষণের শিকার কোহিনূর আক্তার হাসপাতালে সে মারা গেছে

প্রকাশ:| মঙ্গলবার, ১০ সেপ্টেম্বর , ২০১৩ সময় ০৮:১৫ অপরাহ্ণ

ধর্ষণরাজধানীর খিলগাঁওয়ে ভাবীর সহায়তায় ধর্ষণের শিকার কোহিনূর আক্তার (১৫) নামে সেই কিশোরী চলে গেছে তার স্বপ্নের পৃথিবী ছেড়ে। শত চেষ্টা করেও চিকিৎসকরা তাকে বাঁচাতে পারেননি।

মঙ্গলবার সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে সে মারা যায়।

ওষুধ খাইয়ে অচেতন করে ভাবী বৃষ্টির সহায়তায় ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করা হয়। পরে গুরুতর অবস্থায় তাকে ঢামেকে ভর্তি করা হয়।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) ক্যাম্প পুলিশ জানায়, কোহিনূরের গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার বাগমাড়ায়। তার ভাইয়ের নাম নাজমুল। তিনি ঢাকায় পুলিশ বিভাগে কর্মরত। ওই কিশোরী তার ভাইয়ের সঙ্গে খিলগাঁওয়ের বাসায় থাকতো।

তিনি জানান, এক লোকের সঙ্গে কোহিনূরের ভাবী বৃষ্টির অবৈধ সম্পর্ক ছিল। যখন বাসা খালি থাকতো ওই লোক প্রায়ই বাসায় আসতো। তাদের অন্তরঙ্গ মুহূর্ত দেখে ফেলে ওই কিশোরী।

সোমবার রাতে অফিসের কাজে কিশোরীর ভাই বাইরে ছিলেন। আর এ সুযোগে তার ভাবী দুধের সঙ্গে নেশা জাতীয় দ্রব্য খাইয়ে তাকে অচেতন করে। পরে ওই লোক এসে তাকে ধর্ষণ করে।

গুরুতর অবস্থায় মঙ্গলবার ভোরে কোহিনূরকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকৎসকও ধর্ষণের আলামত পাওয়ার কথা স্বীকার করেন।

খিলগাঁও থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বাংলামেইলকে বলেন, ‘ঘটনাস্থল পরিদর্শন করছি। এ বিষয়ে কোনো মামলা হয়নি। এখন পর্যন্ত কাউকে আটকও করা হয়নি।’ এ বিষয়ে পরে বিস্তারিত জানানো হবে বলে তিনি জানান।