ভর্তিতে ১০ হাজার ৩০০ টাকা আদায় করছে রেডিয়েন্ট স্কুল

প্রকাশ:| মঙ্গলবার, ২৪ জানুয়ারি , ২০১৭ সময় ১১:৩৭ অপরাহ্ণ

ভর্তি নীতিমালার তোয়াক্কা না করে রেডিয়েন্ট স্কুলে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ভর্তিতে ১০ হাজার ৩০০ টাকা এবং টিসি (ট্রান্সফার সার্টিফিকেট) নিতে ৩ হাজার টাকা আদায় করছে।

মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারি) জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শারমিন ইসলামের কাছে এ তথ্য উপস্থাপন করেছে স্কুল কর্তৃপক্ষ।
বিষয়টি নিশ্চিত করে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শারমিন আকতার বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনায় তদারক টিম রেডিয়েন্ট স্কুলে গিয়ে জানতে পারে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ভর্তিতে ১০ হাজার ৩০০ এবং টিসি নিতে ৩ হাজার টাকা আদায় করছে। ইস্পাহানি স্কুলে ভর্তিতে ৫ হাজার এবং পুলিশ লাইন স্কুলে ২ ক্যাটাগরিতে (পুলিশ ও পাবলিক) ভর্তিতে পুলিশ ক্যাটাগরিতে ৩৬৫০ টাকা ও পাবলিক ক্যাটাগরিতে ৫২০০ টাকা আদায় করছে। তদারক টিম তথ্য সংগ্রহ করে জেলা প্রশাসনে জমা দিয়েছে। পরবর্তীতে জেল‍া প্রশাসন; বেসরকারি স্কুল, স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মাধ্যমিক, নিম্ন মাধ্যমিক ও সংযুক্ত প্রাথমিক স্তরে ভর্তি নীতিমালা অনুসারে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ফি আদায়ের জন্য নির্দেশনা জানাবে স্কুলগুলোকে।
জেলা প্রশাসনের তথ্যমতে, মঙ্গলবার আরও বেশ কয়েকটি স্কুলে তদারক টিম তথ্য সংগ্রহ করতে যায়। এর মধ্যে মিউনিসিপ্যাল স্কুলে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টিসি নিতে ৪ হাজার টাকা আদায়ের তথ্য পাওয়া যায়। কাজেম আলী স্কুলে ভর্তি ফি সন্তোষজনক হলেও এ স্কুলে শিক্ষক তহবিলের নামে প্রতিষ্ঠান থেকেই বই, খাতা, ড্রেস ক্রয় করতে হয় এবং স্কুলের অভ্যন্তরে ভাড়া দেওয়া কিন্ডারগার্ডেন ও বাণিজ্যিক দোকান থেকে প্রতি মাসে ১ লাখ ৮৭ হাজার ৫০০ টাকা আয় করার তথ্য পায়। এ ছাড়াও বেশ কয়েকটি স্কুলে সন্তোষজনক তথ্য পেয়েছে তদারক টিম।
এর আগে, জেলা প্রশাসন লাগামহীন ভর্তি বাণিজ্য ঠেকাতে ৫টি তদারক কমিটি গঠন করে। নির্বাহী ম্যাজিস্টেটের নেতৃত্বে এ তদারকি কমিটিতে জেলা ও থানা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের প্রতিনিধি, ক্যাবের (কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ) প্রতিনিধি রয়েছে। তারা নগরীর ৫ শিক্ষা থানার প্রায় শতাধিক স্কুলে তদারকি শুরু করে। পরবর্তীতে তদারকি শেষ হলে যেই স্কুলগুলোর বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া যাবে, সেই স্কুলের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে জেলা প্রশাসন।


আরোও সংবাদ