‘বড় দলগুলো আলোচনার মাধ্যমে সমাধান বের করতে পারবে’

প্রকাশ:| শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর , ২০১৪ সময় ১১:৪৭ অপরাহ্ণ

বাংলাদেশের মতো দেশে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা, মানবাধিকার রক্ষা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা পরিহার্য বলে বৈঠকে একমত হয়েছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো অ্যাবে ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। আধা ঘণ্টাব্যাপী বৈঠকের পর দেয়া ব্রিফিংয়ে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শমসের মবিন চৌধুরী এ কথা বলেন। শমসের মবিন বলেন, বৈঠকে জাপানের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, গত ৫ই জানুয়ারির নির্বাচনে অনেক বড় দল অংশ নেয়নি। এ ব্যাপারে জাপান সরকার অবগত আছেন। জাপানের প্রধানমন্ত্রী আশা করেন, বড় দলগুলো নিজেদের মধ্যে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে একটি সমাধান খুঁজে বের করতে পারবে। যা বাংলাদেশের মানুষ এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে। শমসের মবিন বলেন, বৈঠকে বিভিন্ন বিষয়ে দুজন ঐকমত্য পোষণ করে জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে দুই দেশের (বাংলাদেশ-জাপান) মধ্যে গভীর ও বহুমুখী সম্পর্ক বিদ্যমান। জাপানকে সমর্থন দিয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য পদে বাংলাদেশ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করার ব্যাপারে এক প্রশ্নের জবাবে শমসের মবিন চৌধুরী বলেন, এ ব্যাপারে বাংলাদেশের সরকার আমাদের সঙ্গে কোন আলোচনা করেনি। ১৯৭৬ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সময়ে বাংলাদেশ জাপানের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য পদে বিজয়ী হয়েছিল। বাংলাদেশ তিন বার এই পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল। এবারই প্রথম বাংলাদেশ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলো। বৈঠকে বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নের জাপানের নানা ভূমিকার কথা উল্লেখ করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন বিএনপি চেয়ারপারসন। এছাড়া দীর্ঘ ১৪ বছর পর বাংলাদেশে কোন জাপানি প্রধানমন্ত্রী সফর করছেন। তাই বাংলাদেশের উন্নয়নের অন্যতম প্রধান অংশীদার জাপানের সফররত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে অংশ নিতে পেরে আনন্দ প্রকাশ করেন খালেদা জিয়া। এর আগে গতকাল সন্ধ্যা সাতটা পাঁচ থেকে সাড়ে সাতটা পর্যন্ত হোটেল সোনারগাঁওয়ে অ্যাবের সঙ্গে খালেদা জিয়ার বৈঠক হয়। বৈঠকে খালেদা জিয়ার সঙ্গে ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এম মোরশেদ খান, শমসের মবিন চৌধুরী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা রিয়াজ রহমান ও সাবিহ উদ্দিন আহমেদ।


আরোও সংবাদ