ব্যানার-পোস্টার সরাচ্ছে চসিক

প্রকাশ:| শুক্রবার, ২০ মার্চ , ২০১৫ সময় ০৯:৫৮ অপরাহ্ণ

Captureচট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন এলাকায় থেকে সম্ভাব্য প্রার্থীদের ব্যানার-পোস্টার সরিয়ে নিচ্ছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন।  বৃহস্পতিবার রাত থেকে কাজ শুরু করেছে করপোরেশনের পরিচ্ছন্ন বিভাগের কর্মীরা।

করপোরেশ সূত্র জানায়, সিটি করপোরেশন এলাকা থেকে সম্ভাব্য প্রার্থীদের পোস্টার ব্যানার সরিয়ে নিতে বৃহস্পতিবার চিঠি পাঠায় নির্বাচন কমিশন।  চিঠি পাওয়ার পর কাজে নামে সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্ন বিভাগের কর্মীরা।  ইতিমধ্যে সিরাজদৌলা রোড, লালদীঘি, নিউমার্কেট, স্টেশন রোড, জামালখান, মেহেদীবাগ থেকে মুরাদপুর, জিইসি থেকে সিটি গেইট, সিডিএ অ্যাভিনিউ এলাকার বিলবোর্ড ও দেওয়াল থেকে পোস্টার ব্যানার সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার দুপুরে সিটি ম্যাজিস্ট্রেট নাজিয়া শিরিন  বলেন,‘বৃহস্পতিবার বিকালে নির্বাচন কমিশনের চিঠি পাওয়ার পর ব্যানার পোস্টার সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে।  আশা করা যাচ্ছে শুক্রবার রাতের মধ্যে কাজ শেষ হবে।’

সিটি করপোরেশনের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা শফিকুল মান্নান সিদ্দিকী বলেন,‘সিটি করপোরেশন এলাকায় দেওয়াল ও বিলবোর্ড লাগানো ব্যানার-পোস্টার সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।  সাতটি দলে ভাগ হয়ে প্রায় ১৮’শ শ্রমিক কাজ করছে।’

২০ মার্চ শুক্রবার রাত ১২টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে নিজ উদ্যোগে ও নিজ খরচে বিভিন্ন পোস্টার, স্টিকার, ব্যানার, বিলবোর্ড, লিফলেট ও দেয়াল লিখন অপসারণ ও মুছে ফেলার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।

সিটি করপোরেশন নির্বাচন আচরণ বিধিমালা ৪ অনুযায়ী ভোট গ্রহণের দিন থেকে ২১ দিনের আগে কোনো প্রকারের প্রচার শুরু করা যাবে না।  বুধবার ইসি ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী ২৮ এপ্রিল চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ভোট গ্রহণ করা হবে। সে হিসাবে ৭ এপ্রিলের আগে প্রচার শুরুর সুযোগ নেই।  যদিও চূড়ান্ত প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ করা হবে ১০ এপ্রিল।

বৃহস্পতিবার ইসি কার্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, তিন সিটির অধিকাংশ এলাকার সম্ভাব্য প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচারণামূলক ও শুভেচ্ছা জানিয়ে বিভিন্ন ধরনের পোস্টার, স্টিকার, ব্যানার, বিলবোর্ড ও লিফলেট লাগানো হয়েছে। এ ছাড়া দেয়ালেও লেখা দেখা যাচ্ছে। এ ধরনের কার্যক্রম আচরণবিধি ও নির্বাচনী আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। ইসির ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম শেষে এ ধরনের বিষয় দেখা গেলে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।

সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তা শফিকুর রহমান  বলেন,‘নির্বাচন কমিশনের বেঁধে দেওয়া সময়ের পরও কোন কোন সম্ভাব্য প্রার্থীর পোস্টার-ব্যানার দেওয়ালে কিংবা বিলবোর্ডে আছে তা আমরা ঘ‍ুরে ঘুরে দেখবো।  পরবর্তীতে তারা যদি প্রার্থী হতে মনোনয়ন পত্র জমা দেন তাদের বিরুদ্ধে ‌আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’


আরোও সংবাদ