ব্যবহৃত রং এবং পোড়াতেলে খাদ্যপণ্য

প্রকাশ:| রবিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর , ২০১৬ সময় ১১:২৭ অপরাহ্ণ

গরীতে জনস্বাস্থ্যর জন্যে ক্ষতিকর বিভিন্ন শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত রং এবং পোড়াতেলে খাদ্যপণ্য তৈরি, বিপণন ও সরবরাহ চলছেই।

রোববার (১৮ সেপ্টেম্বর) হালিশহর ও পাহাড়তলীতে পৃথক দুটি অভিযানে এমন চিত্রই উঠে আসে। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের নিয়মিত অভিযান দুটিতে ৫ প্রতিষ্ঠানকে ৭৩ হা্জার টাকা জরিমানা করা হয়।

পোড়াতেলঅধিদপ্তরের বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক বিকাশ চন্দ্র দাসের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে নয়াবাজার এলাকার তায়েফ রেস্তোরাঁকে খাদ্যপণ্যে অনুমোদনহীন রং মেশানো, পোড়াতেল ব্যবহার ও নোংরা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যপণ্য তৈরি ও পরিবেশনের দায়ে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ ছাড়া পোড়াতেল ব্যবহার, নোংরা পরিবেশ ও অসচেতনভাবে খাবার সংরক্ষণের দায়ে গাউছিয়া হোটেল ও ঝালমুখকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

পৃথক অভিযানে অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. হাসানুজ্জামানের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে পাহাড়তলী ও হালিশহর এলাকায় ফ্রিজে রান্না করা ও কাঁচা মাছ-মাংস একত্রে সংরক্ষণ, পোড়াতেল ব্যবহার, নোংরা পরিবেশে বেকারি পণ্যতৈরি, মোড়কে মেয়াদ মূল্য না থাকা ইত্যাদি অপরাধে হোটেল আল ইউনুছকে ৮ হাজার টাকা, বিছমিল্লাহ হোটেলকে ৫ হাজার টাকা এবং ইলিয়াস বেকারিকে ১০ হাজার  জরিমানা করা হয়।

কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের ক্যাবের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি এসএম নাজের হোসাইন জানান, মানবস্বাস্থ্যের জন্যে চরম ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত রং, পোড়াতেল, পচা-বাসি, মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যপণ্য তৈরি, সংরক্ষণ, বিপণন ও পরিবেশন বন্ধে শুধু জরিমানায় কাজ হবে না সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।

অধিদপ্তরের বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক বিকাশ চন্দ্র দাস  জানান, ভোক্তা অধিকার রক্ষায় অধিদপ্তরের মনিটরিংয়ের পাশাপাশি ভোক্তাদেরও সচেতন হতে হবে। ভোক্তারা যদি খাদ্যপণ্য কেনার সময় সচেতন হয় তবে উৎপাদকদের অবশ্যই মানসম্পন্ন খাবার তৈরি ও সরবরাহ করতে হবে।

জনস্বার্থ ও জনস্বাস্থ্যের বিষয় বিবেচনা করে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের নিয়মিত বাজার মনিটরিং অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।