ব্যবহৃত চা পাতা দিয়ে পুনরায় চা তৈরি

প্রকাশ:| বৃহস্পতিবার, ২৮ এপ্রিল , ২০১৬ সময় ০৯:০৫ অপরাহ্ণ

বেরুলিয়াশফিউল আলম, রাউজান প্রতিনিধি ঃ রাউজানের সুলতানপুর বেরলিয়া এলাকায় চায়ের দোকানে চা তৈয়ারী করে ফেলে দেওয়া চা পাতা নিয়ে গিয়ে পুরাতন চাপাতা শুকিয়ে জিলাপির রং লাগিয়ে পুনরায় চায়ের দোকানে বিক্রয় করছে দুই বোন কামরুন নাহার ও ফরিদা বেগম । ২৮ এপ্রিল কৃহস্পতিবার বিকালে গোপনে সংবাদ পেয়ে ভ্রাম্যমান আদালতের ম্যজিষ্ট্রেট উপজেলা নির্বাহী অফিসার কুল প্রদীপ চাকমা ও উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি দিপক কুমার রায়ের নেতৃত্বে রাউজান থানা পুলিশের সহায়তায় রাউজান পৌর এলাকার সুলতানপুর বেরুলিয়া হেদায়েত আলী মুন্সির বাড়ীতে অভিযান পরিচালনা করে চায়ের দোকানে চা তৈয়ারী করে ফেলে দেওয়া চা পাতা নিয়ে গিয়ে পুরাতন চাপাতা শুকিয়ে জিলাপির রং মিশিয়ে বাজারে বিক্রয় করার জন্য মজুদ রাখা ৩০ কেজি ওজনের পুরাতন চাপাতা উদ্বার করে। ভ্রাম্যমান আদালতের ম্যজিষ্ট্রেট এসময়ে উদ্বার করা চাপাতা পুকুরের পানিতে ফেলে নষ্ট করে ফেলে । চায়ের দোকানে চা তৈয়ারী করে ফেলে দেওয়া চা পাতা নিয়ে গিয়ে পুরাতন চাপাতা শুকিয়ে জিলাপির রং লাগিয়ে পুনরায় চায়ের দোকানে বিক্রয় করার অপরাধে দুই বোন কামরুন নাহার ও ফরিদা বেগম থেকে ৮ হাজার টাকা আদায় করে ভ্রাম্যমান আদালত । ভ্রাম্যমান আদালতের ম্যজিষ্ট্রেট উপজেলা নির্বাহী অফিসার কুল প্রদীপ চাকমা জানান রাউজানের জলিল নগর বাস ষ্টেশনের আজমীর হোটেলে চা তৈয়ারী করার পর যে চা পাতা ফেলে দেওয়া হয় এই সব চাপাতা স্বল্প মুল্যে ক্রয় করে নিয়ে গিয়ে রাউজান পৌর এলাকার সুলতানপুর বেরুলিয়া এলাকার কালা মিয়ার দুই কন্যা ফরিদা বেগম ও কামরুন নাহার বাড়ীতে নিয়ে গিয়ে পানি দিয়ে ধৈৗত করে রোদে শুকিয়ে নেয় । শুকানোর পর পুরাতন চাপাতায় জিলাপির রং মিসিয়ে পুরাতন চাপাতা গুলো সদ্য চাপাতা হিসাবে তৈয়ারী করেন । দুই বোন মিলে এই নষ্ট চাপাতা আবার বাজারে বিক্রয় করে আসছে কয়েক বৎসর ধরে । ভ্রাম্যমান আদালতের ম্যজিষ্ট্রেট উপজেলা নির্বাহী অফিসার কুল প্রদীপ চাকমা ও উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি দিপক কুমার রায় আটক কা দুই বোন ফরিদা বেগম, কামরুন নাহারের কাছ থেকে এই তথ্য পেয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকালে রাউজানের জলিল নগর বাস ষ্টেশনের আজমীর হোটেলে অভিযান পরিচালনা করেন । রাউজানের জলিল নগর বাস ষ্টেশনের আজমীর হোটেলে অপরিস্কার ও ময়লা দুগর্ন্দ্বযুক্ত খাওয়ার তৈয়ারী করে বিক্রয়ের অপরাধে আাজমির হোটেল থেকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয় ।