বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতি

প্রকাশ:| রবিবার, ২৩ এপ্রিল , ২০১৭ সময় ০৫:৩৮ অপরাহ্ণ

কালবৈশাখী ঝড় ও বৃষ্টিতে বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতি ও ফলন বিপর্যয়ের আশংকা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে প্রান্তিক মাঠ পর্যায়ে জিরা জাতের ধান লম্বা হওয়ার কারণে বৃষ্টি আর বাতাসে ধানের গাছ গুলো নুয়ে পড়ে গিয়ে মাটি আর পানিতে একাকার হয়ে গেছে।

বৃষ্টিপাতে বোরো ধানসহ বিভিন্ন শাকসবজি ক্ষেতের প্রচুর ক্ষতি সাধিত হয়েছে।
জানা গেছে, চট্টগ্রামের বিভিন্ন নিচু এলাকার পাকা-আধাপাকা বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। কিছু কিছু জায়গায় কালবৈশাখীর বাতাসের আঘাতে বোরো ধান মাটিতে নুয়ে পড়েছে। নতুন রোপিত শাকসবজি বৃষ্টির কারণে নষ্ঠ হয়ে যাওয়ার আশংকা করছেন কৃষকরা। অতি বৃষ্টির কারণে বাঙ্গি তরমুজের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছে বলে জানান উত্তর সর্তার ব্যবসায়ী আমান উল্লাহ। হাটহাজারী, ফটিকছড়ি, সিতাকুন্ড, মিরশরাই, রাঙ্গুনীয়া, বোয়অলখালী, পটিয়া, বাশখালী, আনোয়ারা, রাউজান পৌরসভার দায়েরাঘাটা, জানালিহাট, সড়তের দোকান, কুন্ডেশ্বরী এলাকার কয়েকশ’ একর চাষাবাদের বাঙ্গি ক্ষেতের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। সরেজমিন গিয়ে জানা যায়, অনেকের এখনো বাঙ্গি ক্ষেতের খরচের টাকাও হাতে আসেনি। একজন কৃষক বলেন, আমও গেল ছালাও গেল। এদিকে রাউজানের সর্তা, ডাবুয়া,খাসখালি, হালদা চরে নতুন করে করা লালশাক, বরবটি, ভেন্ডি, ঝিঙ্গা, তিতকরলা, কাঁকড়ল, ফরুল, শসা, মিষ্টি কুমড়া,লাউসহ বিভিন্ন শাকসবজির ক্ষেত বৃষ্টির কারণে নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশংকা প্রকাশ করেছেন কৃষকরা। তবে বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে বিভিন্ন বাজারে শাকসবজির দাম আগের তুলনায় দ্বিগুণ হয়ে যাবে। বোরো ধান চাষীরা অনেকেই ঋণ নিয়ে ধান ফলিয়ে তা পরিশোধ করে থাকেন। বৃষ্টির কারণে ধান নষ্ট হয়ে গেলে ঋণ পরিশোধ আর বাৎসরিক খোরাকী কিভাবে যোগান দেবে সে চিন্তা এখন কৃষকের মাথায়। হলদিয়া ইউনিয়ন উপসহকারী কৃষি অফিসার মোহাম্মদ তমিজ উদ্দিন বিভিন্ন ধানের জমি ও নতুন করে করা শাকসবজির ক্ষেতে বৃষ্টির পানি জমতে না পারে সে ব্যাপারে কৃষকদের প্রতি পরামর্শ দেন। ছবি-ফটিকছড়ি সংবাদদাতা