বৈষম্য সৃষ্টির ম্যাধমে সাংবাদিকদের মর্যাদা ক্ষুন্ন করছে চিটাগাং চেম্বার

প্রকাশ:| সোমবার, ৭ এপ্রিল , ২০১৪ সময় ১১:৪৮ অপরাহ্ণ

চট্টগ্রাম:
চিটাগাং চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি চট্টগ্রামে কর্মরত প্রিন্ট, অনলাইন ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া কর্মীদের মধ্যে বৈষম্য সৃষ্টির ম্যাধমে সাংবাদিকদের মর্যাদা ক্ষুন্ন করছে।

অনুষ্ঠানের সংবাদ সংগ্রহ করতে আসা গণমাধ্যমকর্মীদের আনা-নেয়ার ক্ষেত্রে শতবর্ষী এ চেম্বার কর্তৃপক্ষ ইদানিং নতুন নিয়ম চালু করেছে। প্রিন্ট ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকদের বাদ দিয়ে শুধু ইলেকট্রনিক মিডিয়ার কর্মীদেরই চেম্বারের নিজস্ব পরিবহনে আনা-নেয়া করা হচ্ছে।

এ ধরনের হঠকারি উদ্যোগের কারণে সাংবাদিকদের মর্যাদা ক্ষুন্নের পাশাপাশি তাদের মধ্যে স্পষ্ট বিভাজন ও বৈষম্য সৃষ্টি করা হবে বলে মনে করছেন সাংবাদিকরা।
সাংবাদিক নেতা সভাপতি শহীদ উল আলম বলেন, ‘বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার মধ্যে বিভাজন বলতে কিছু নেই। আমাদের সবার ঠিকানা সাংবাদিক ইউনিয়ন ও প্রেস ক্লাব। আমরা সবাই গণমাধ্যমকর্মী। যদি চিটাগাং চেম্বার অনুষ্ঠান কাভার করার সুবিধার্থে গাড়ি দেয়ার ব্যবস্থা করে তবে তা হওয়া উচিত সব গণমাধ্যমকর্মীর জন্য, আলাদাভাবে শুধু ইলেকট্রনিক মিডিয়ার জন্য নয়। আমি আশা করবো, সাংবাদিকদের মর্যাদায় আঘাত হানে এমন কোনো ভূমিকা নেবে না চিটাগাং চেম্বার।’

সিইউজের নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক হাসান ফেরদৌস বলেন, ‘শুধু ইলেকট্রনিক মিডিয়ার জন্য যদি চিটাগাং চেম্বার গাড়ির ব্যবস্থা করে থাকে তবে বিষয়টি সুবিবেচনাপ্রসূত হয়নি। আমাদের পেশাগত মর্যাদা ক্ষুন্ন হবে এমনটা কাম্য নয়।’

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মহসিন চৌধুরী বলেন, ‘মিডিয়া কাভারেজের জন্য পরিবহনের ব্যবস্থা করা হলে সেখানে বৈষম্য করা উচিত নয়। প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া সবই সমান। চিটাগাং চেম্বার যদি উদ্দেশ্যমূলকভাবে ইলেকট্রনিক মিডিয়ার জন্যই শুধু গাড়ির ব্যবস্থা করে তবে তা হবে নিন্দনীয়।’

চট্টগ্রাম চেম্বারের কোন অনুষ্ঠানের জন্য প্রেসক্লাব বা চেরাগী পাহাড় থেকে সাংবাদিকদের নেয়ার জন্য একটি তালিকা নিয়ে চেম্বারের একজন কর্মকর্তা দাঁড়িয়ে থাকেন। ওই তালিকায় যাদের নাম আছে তাদেরই কেবল চেম্বারের ওই গাড়িতে উঠানো হয়।

তবে এসবের পেছনে চেম্বারের প্রভাবশালী একজন কর্মকর্তা কাজ করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে এসব বিষয় নিয়ে চেম্বারের কোন কর্মকতা কথা বলতে রাজি হননি।