বিয়ার ও ইয়বাসহ আটক ৬

প্রকাশ:| বৃহস্পতিবার, ১২ নভেম্বর , ২০১৫ সময় ০৮:২৫ অপরাহ্ণ

টেকনাফ সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশ কালে ৪ মিয়ানমার রাখাইন নাগরিককে আটক করেছে বর্ডার র্গাড বাংলাদেশ (বিজিবি)। গত বুধবার রাতে ২ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল মোঃ আবু জার আল জাহিদ পিবিজিএম এর নেতৃত্বে হ্নীলা বিওপি চৌকির একটি বিশেষ টহল দল গোপন সংবাদে হ্নীলা চৌধুরী পাড়া নাফনদী সীমান্ত এলাকা দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশ কালে অভিযান পরিচালনা করে ৪ মিয়ানমার রাখাইন নাগরিককে আটক করা হয়। আটক নাগরিকরা হল, মিয়ানমার বুচিদং রাশিদং এলাকার সিংতালার স্ত্রী সুমিও সিং(৬০), লুনি চি স্ত্রী মাছাই (৩৫), উনচু মং এর মেয়ে জিন ছনি (১৭) ও বাশির ছেলে জাতানও(১৫)। এদিকে সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশ কালে আটক ৪ মিয়ানমার নাগরিকদের থানায় হস্তান্তর করে টেকনাফ হ্নীলা চৌধুরী পাড়া এলাকার উচেমপ্রুর ছেলে অংসেন চুকে পলাতক আসামী করে বৈদেশিক নাগরিক ও সহায়তার আইনে মামলা করা হয়েছে।

টেকনাফে ৬০০ ক্যান বিদেশী বিয়ারসহ আটক-২

টেকনাফে ৬০০ ক্যান্ড বিদেশী বিয়ারসহ দুই যুবককে আটক করেছে পুলিশ। আটক যুবকরা হচেছ, টেকনাফ সদর ইউনিয়নের বরইতলী এলাকার নূর হোসনের ছেলে আক্তার হোসন(২৫) ও টেকনাফ পৌরসভার পুরাতন পল্লান পাড়া এলাকার আব্দুল হোসনের ছেলে দেলোয়ার হোসেন(২৭) বলে জানায়। টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আতাউর রহমান খোন্দকার জানান, ১২ নভেম্বর বৃহস্পতিবার ভোর রাতে থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) সামিউর রহমানের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ফোর্স টেকনাফ সী-বিচ সড়কের গোদারবিল এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৬০০ ক্যান্ড বিয়ারসহ তাদের আটক করা হয়। উদ্ধার বিয়ারের আনুমানিক মূল্য ৩ লাখ টাকা বলে জানায়। বিয়ারসহ আটক যুবকদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা রুজু করে কক্সবাজার আদালতে প্রেরণ করা হয় বলে জানিয়েছেন।

টেকনাফে নাফনদী থেকে মালিক বিহীন ১৬ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার

টেকনাফ নাফনদী থেকে মালিক বিহীন ১৬ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে বর্ডার র্গাড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বুধবার রাতে ২ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল মোঃ আবু জার আল জাহিদ পিবিজিএম এর নেতৃত্বে একটি বিশেষ টহল দল গোপন সংবাদে টেকনাফস্থ ট্রানজিট ঘাট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ১৬ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এদিকে মায়ানমার থেকে ট্রানজিট ঘাট দিয়ে ইয়াবার একটি চালান প্রবেশের গোপন সংবাদে বিজিবির টহলদল সেখানে ওঁৎ পেতে থাকে। এতে ৪/৫ জন ইয়াবা পাচারকারী ট্রানজিট ঘাটের কাছাকাছি আসলে বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা ইয়াবার একটি প্যাকেট নদীতে ফেলে পালিয়ে যায়। এ সময় নদীতে মাছ শিকাররত টেকনাফ পৌরসভার উত্তর চৌধুরীপাড়া এলাকার নূরে আলমের ছেলে মোঃ শরীফ হোসেন (২০), একিই এলাকার মোঃ হোসেনের ছেলে মোঃ মেহেদী হাসান (১৮) ও মোঃ নবীর ছেলে নূর মোহাম্মদ (১৯) জেলেরা নদী থেকে ইয়াবার একটি প্যাকেট পেয়ে বিজিবি অধিনায়কের নিকট হস্তান্তর করে। পরে বিজিবি উক্ত প্যাকেট ব্যাটালিয়ন সদরে গণনা করে ১৬ হাজার পিস ইয়াবা পাওয়া যায়। উদ্ধার ইয়াবার আনুমানিক মূল্য ৪৮ লাখ টাকা বলে জানায়। উদ্ধার ইয়াবা ট্যাবলেট সমূহ ব্যাটালিয়ন সদরে জমা রাখা হয়েছে যা পরবর্তীতে উর্দ্ধতন কর্মকর্তা, মাদকদ্রব্য অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও মিডিয়া কর্মীদের উপস্থিতিতে ধ্বংস করা হবে বলে জানায় বিজিবি অধিনায়ক।