বিষ ঢেলে মাছ নিধন

প্রকাশ:| বুধবার, ২৮ অক্টোবর , ২০১৫ সময় ১১:৪৭ অপরাহ্ণ

চকরিয়ায় ব্যাক্তি মালিকানাধীন মৎস 1বি এম হাবিব উল্লাহ, চকরিয়া প্রতিনিধি-কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বিএমচর ইউনিয়নের ছৈনুম্মাঘোনা বেতুয়ার খাল লাগোয়া ব্যাক্তি মালিকানাধীন মৎস ঘেরে দুর্বৃত্তের দেয়া বিষের ঝাঁসে অন্তত চার লক্ষাধিক টাকার চিংড়ি সহ নানা প্রজাতির মাছ মারা গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল ২৮ অক্টোবর ভোর রাতে। এ নিয়ে ব্যাক্তি মালিকানাধীন মৎস ঘেরের পাঁচ অংশীদার দিকবিদিক হারিয়ে অসহায় হয়ে পড়েছে। মৎস ঘেরের অংশদারী মালিক নুরুল আলম জানিয়েছেন, পার্শে¦াক্ত বেতুয়ারখালটি শাহারবিলের দলীল মিয়া ও ঈদমনি এলাকার আবুল হোসেন সহ অন্তত ১০/১৫ জনের একটি সিন্ডিকেট সরকারী কোন প্রকার অনুমতি ছাড়া অবৈধভাবে ভোগ দখল করে আছে। বেতুয়ারখালের সাথে লাগোয়া নুরুল আলম ও অন্যান্য অংশীদাররা আঞ্চলিক মহা সহা সড়কের পশ্বিম পার্শ্বে তাদের বিএস খতিয়ানভুক্ত নিজস্ব জমির উপর করা মৎস ঘেরে, গেল বন্যার পাহাড়ী ঢল পরবর্তী সময়ে মাছের পোনা সরবরাহের মাধ্যমে মৎস ঘেরে প্রতিনিয়ত মাছ বড় হতে থাকে। অন্যান্য বছরের চেয়ে এ বছর একটু বেশি পরিমান মাছ হওয়ায় অবৈধভাবে বেতুয়ারখাল ভোগ দখলকারী দলীল ও আবুল হোসেন গং তাদের মৎস ঘেরে মাছ কম হওয়ায় হিংসায় কাতর হয়ে লোক দিয়ে রাতের আধাঁরে মৎস ঘেরে বিষ ঢেলে দেয়। এতে নুরুল আলম গংদের চার লক্ষাধিক টাকার মাছ মারা গেলেও দলীল ও আবুল হোসেনের বেতুয়ারখালেও একই ভাবে মারা যায় লাখ লাখ টাকার মাছ। কারন দুটি মৎস ঘেরই একই সুত্রে গাঁথা এবং একই স্থানে। তাই নিজের পথে কাটা দিয়ে নিজেই পড়েছে বিপদে। অন্যের জন্য গর্ত খুঁেড় নিজেই পড়েছে গর্তে এমনটি সত্য হলো। এ ব্যাপারে কোন পক্ষই থানায় অভিযোগ দেয়নি। সরজমিন পরিদর্শনে জানা যায়, বেশি পরিমান ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে নুরুল আলম গং। সাংবাদিকদের কাছে দেয়া তথ্যমতে, ঈদমনি এলাকার আবুল হোসেন গং সরকারী খাল ভোগ দখল করার সুযোগে এবার ব্যাক্তি মালিকানাধীন নিরীহ লোকজনের মৎস ঘেরও জবর দখলের পায়তারা শুরু করেছে। তার থাবা থেকে বাচার জন্য একটি ভোক্তভোগিরা মামলার প্রস্ততি নিচ্ছে বলে জানায় একটি সুত্র।