বিষাক্ত সাপ আটক, পুরো সিএমপিতে হুলস্থূল

প্রকাশ:| মঙ্গলবার, ৬ আগস্ট , ২০১৩ সময় ০৫:২১ অপরাহ্ণ

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সন্ধ্যার দিকে সিএমপি কমিশনারের কার্যালয় ভবনের পেছন দিকে ব্যারাক থেকে বাথরুমে sapযাবার সিঁড়ির গর্তে বিষাক্ত সাপটি দেখা যায়। ব্যারাকের কয়েকজন সদস্য সাপটি দেখে চিৎকার দিলে পুরো সিএমপিতে হুলস্থূল বেঁধে যায়। শীর্ষ কর্মকর্তাদের নির্দেশে যোগাযোগ করা হয় চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে।

খবর শোনার পর দ্রুত চিড়িয়াখানা থেকে লোকজন এসে প্রায় ৬ ফুট লম্বা কালো ও হলুদ রং মিশ্রিত বিষাক্ত সাপটি আটক করে নিয়ে যায়। তবে সাপটির নাম তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ কর্মকর্তাদের জানাতে পারেননি চিড়িয়াখানার কর্মকর্তারা।
বিষধর সাপ আতংকে ভুগছেন নগরীর লালদিঘীর পাড়ে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) সদর দপ্তরের শীর্ষ কর্মকর্তা থেকে পুলিশ সদস্যরা।

পাহাড়ের উপর অবস্থিত নগর পুলিশ কমিশনারের কার্যালয় ভবনের পাশে সোমবার একটি বিষধর ধরা পড়েছে। এরপর থেকেই সদর দপ্তরের বিভিন্ন কার্যালয়ে কর্মরত পুলিশের মধ্যে বিশেষত নারী পুলিশ সদস্যদের মাঝে এ সাপ আতংক ছড়িয়ে পড়েছে।

সাপের ছোবল থেকে বাঁচতে সিএমপি কার্যালয়সহ পুরো পাহাড়ে রাসায়নিক পদার্থ কার্বলিক এসিড ছিটানোসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে পুলিশ। সার্বিক বিষয়ে করণীয় জানতে চেয়ে পুলিশ বন বিভাগ, চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের শরণাপন্ন হয়েছে সিএমপি।

নগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (সদর) মাহমুদা বেগম বলেন, ‘সিএমপি’র পাশে জেলা প্রশাসনের পরিত্যক্ত যে রেকর্ড রুম আছে সেখানে বিভিন্ন বিষধর সাপ বাসা বেঁধেছে। বিভিন্ন সময় সাপ আমরা দেখেছিলাম, তবে এত বিষধর সাপ কখনও দেখিনি। এ সাপ দেখার পর স্বাভাবিকভাবেই সবার মধ্যে আতংকের সৃষ্টি হয়েছে।’

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পুলিশ কমিশনার ভবনের পেছন দিকে জেলা প্রশাসনের রেকর্ড রুম ঘেঁষে সাপ্লাই ও সিটি স্পেশাল ব্রাঞ্চের দু’টি ব্যারাক আছে। সেখানে প্রায় এক হাজার দু’শ পুলিশ সদস্য সার্বক্ষণিক অবস্থান করেন। স্ট্যান্ড বাই ডিউটিতে থাকা পুলিশ সদস্যরাও অবস্থান করেন এসব ব্যারাকে।

সোমবার সাপটি উদ্ধার হবার পর ব্যারাকের সদস্যদের সবার মধ্যে সাপ আতংক সৃষ্টি হয়েছে।

নগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (সদর) মাহমুদা বেগম বলেন, ‘আমরা বন বিভাগ ও চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেছি। আজ (মঙ্গলবার) অফিস শবে কদরের জন্য বন্ধ ছিল। কাল (বুধবার) সিনিয়র অফিসারদের সঙ্গে কথা বলে পুরো পাহাড়ে কার্বলিক এসিড ছিটানো সহ বিভিন্ন পদক্ষেপ নেব।’

তিনি জানান, পাহাড়ের আশপাশের জঙ্গল সম্প্রতি পরিস্কার করা হয়েছে। সেখানে সাপ থাকার কোন সম্ভাবনা নেই।

তাদের ধারণা, পরিত্যক্ত রেকর্ড রুমটিতে আরও বিভিন্ন প্রজাতির বিষধর সাপ আছে। তবে রুমটি জেলা প্রশাসনের হওয়ায় তারা কোন ব্যবস্থা নিতে পারছেন না।