বিষন্নতায় আপ্লুত আনন্দ

প্রকাশ:| মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর , ২০১৫ সময় ১০:৫৫ অপরাহ্ণ

মির্জা ইমতিয়াজ শাওন

আপ্লুত আনন্দআপ্লুত আনন্দঅদৃশ্য মায়াবী ধরে আছে হাত
অকাল বর্ষণের মাধবী জোছনা
সব আবেগ করেছে উজাড়
পৃথিবীর সবচেয়ে রাঙ্গা রাজকন্যা এসেছে ঘরে
এক অনন্য শরীরি সৌরভ ছড়িয়েছে সবখানে
শীত শিশিরের কণা জল মুক্ত হয়ে ঝরে
বলাকার পাখায় উড়ে আসে শুভ্র পরশ
আমার দিগন্তে নামে অন্য আলো
মুঠো মুঠো আলো কিরণ ঝলমল করে
আসাধারন সুরে পাখি কন্ঠে আলোর অভ্যর্থনা হয়
অবিরাম আলোক সম্পাতে আলোকিত আমি
উম্মুক্ত পৃথিবী অপলক
“ও হেথা এসেছে বহুকাল পর হয়েছে মহা অকালের শেষ”
উদ্দাম গতিতে ছিন্ন হয় বেদনার বিদ্যুৎ শিখা
প্রান ছুটেছে নিরুদ্দেশে ভরের তুরঙ্গে
প্রচন্ড বিস্ময়ে উপলব্ধি করি নিজেকে
নাবিক দিক ভ্রান্ত নয় পেয়েছে পথের দিশা
হঠাৎ চমকে উঠে হাওয়া সে দিনকার বিষন্নতা আর
নেই,নেই বিষন্নতার বিষন্ন ছায়া,
ভাষা পায় আমার নির্বাক কবিতা।
অক্ষর হয়ে উঠে জীবন্ত প্রাণ
সবকিছু কেবল অস্পৃর্শ ভালোবাসার অবদান