বিশ্ব অটিজম সচেতনা দিবসে বান্দরবানে পাল্টাপাল্টি কর্মসূচী

প্রকাশ:| বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল , ২০১৫ সময় ১১:৪২ অপরাহ্ণ

বান্দরবান প্রতিনিধি॥
পাল্টাপাল্টি কর্মসূচীপাল্টাপাল্টি কর্মসূচীবান্দরবানে বিশ্ব অটিজম সচেতনা দিবসে পার্বত্য জেলা পরিষদ এবং জেলা প্রশাসন পাল্টাপাল্টি কর্মসূচী পালন করেছে। পদমর্যাদা নিয়ে পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানর সঙ্গে জেলা প্রশাসকের ক্ষমতার দ্বন্দের জেরে আজ বৃহস্পতিবার সকালে এই ঘটনা ঘটে।
আয়োজকরা জানায়, অটিজম দিবস’কে ঘিরে বান্দরবানে জেলা প্রশাসন চত্বর থেকে জেলা প্রশাসক মিজানুল হক চৌধুরীর নেতৃত্বে বর্নাঢ্য র‌্যালী বের করা হয়। র‌্যালীতে অটিজম শিশু-কিশোর, বৃদ্ধ ছাড়াও বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়। পরে বঙ্গবন্ধু মুক্তমঞ্চে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আবু জাফরের সভাপতিত্বে আয়োজিত সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক মিজানুল হক চৌধুরী, জেলা পুলিশ সুপার দেবদাস ভট্টাচার্য, জেলা আওয়ামীলীগের সেক্রেটারী কাজী মুজিবর রহমান, এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী ক্যহ্লা খয়, প্রতিবন্ধী স্কুলের শিক্ষক সত্যজিত বড়–য়া’সহ সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের ব্যক্তিবর্গরা উপস্থিত ছিলেন। তবে অনুষ্ঠানের ব্যানারে প্রধান অতিথি হিসেবে পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্যশৈ হ্লা’র নাম থাকলেও তিনি উপস্থিত ছিলেন না। এদিকে একই সময়ে মেঘলাস্থ পার্বত্য জেলা পরিষদ চত্বরে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ক্যশৈ হ্লা’র নেতৃত্বে অটিজম দিবসের বর্ণাঢ্য র‌্যালী অনুষ্ঠিত হয়েছে। র‌্যালীতে জেলা পরিষদের সদস্যরা ছাড়াও ন্যস্ত বিভাগ স্বাস্থ্য, কৃষি, প্রাণী সম্পদ, যুব উন্নয়ন, সমবায়, মৎস্য’সহ ২৪টি বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পরে পরিষদ অডিটরিয়ামের সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন পরিষদের চেয়ারম্যান ক্যশৈ হ্লা। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মমিনুর রশীদ আমিনী, জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার পূরবী বড়–য়া, জেলা সমাজসেবা অফিসার মতিউর রহমান ’সহ ন্যস্ত বিভাগগুলো প্রধান’রা বক্তব্য রাখেন। এদিকে অটিজম দিবসে বান্দরবানে প্রতিবন্ধী কল্যান সংস্থার পক্ষ থেকে অটিজম’দের মাঝে ২৭টি হুইল চেয়ার এবং স্টেচার বিতরণ করা হয়।
প্রসঙ্গত: বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদে তৃতীয় বারের মত মনোনীত চেয়ারম্যান ক্যশৈ হ্লা’র সঙ্গে নতুন জেলা প্রশাসক মিজানুল হক চৌধুরীর পদমর্যাদা (প্রধান অতিথি হওয়া নিয়ে) নিয়ে দ্বন্দ চলছে। সরকারী দিবসের কর্মসূচীগুলোতে বিষয়টি চরমভাবে ফুটে উঠায় স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।