বিরোধীদলীয় নেত্রী চোখে কিছুই দেখেন না,চোখের ডাক্তার দেখান-শেখ হাসিনা

প্রকাশ:| বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর , ২০১৩ সময় ১০:৩৭ অপরাহ্ণ

hasina-khaleda8888_11764_0প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা বলেছেন, বিরোধীদলীয় নেত্রী চোখে কিছুই দেখেন না। সরকারের কোনো উন্নয়নই তার চোখে পড়ে না- এটাই জাতির দুর্ভাগ্য।

তিনি বলেন, বিরোধীদলীয় নেত্রীকে চোখের ডাক্তারের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছি। এর চেয়ে বেশি কিছু আমি আর বলতে পারবো না।

বুধবার বিকেলে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বর্তমান সরকারের আমলে গৃহীত বিদ্যুৎ খাতসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে বিরোধীদলীয় নেত্রীকে এ পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে মাগুরা থেকে নির্বাচিত সরকারদলীয় সদস্য সিরাজুল আকবর বলেন, “বিরোধীদলীয় নেত্রী বলেছেন, বর্তমান সরকার বিদ্যুৎ খাতে সরকারিভাবে একটি প্রকল্পও গ্রহণ করেনি। তার এ বক্তব্য কতটা সঠিক?”

জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতা ছাড়ার সময় দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন ছিল ৪ হাজার ৩০০ মেগাওয়াট। কিন্তু বিগত বিএনপি-জামায়াত জোট দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা কমিয়ে ৩ হাজার ২০০ মেগাওয়াটে নামিয়ে আনে। বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর এখন বিদ্যুতের উৎপাদন ক্ষমতা ৬ হাজার ৬৭৫ মেগাওয়াটে উন্নীত করে।”

এ ছাড়াও দেশের বিভিন্ন খাতে উন্নয়নে বর্তমান সরকারের পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন সংসদ নেতা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বর্তমান সরকার ২০২১ সালের মধ্যে ২০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন নিশ্চিত করতে মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। আগামী ২ অক্টোবর এক হাজার মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন পরমাণু প্রযুক্তির দুটি ইউনিট সংবলিত রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের উদ্বোধন করা হবে।”

শামসুর রহমান শরীফের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “২ এপ্রিল একনেকে পাঁচ হাজার ৮৭ কোটি টাকা ব্যয়ে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন (প্রথম পর্যায়) প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে। প্রকল্পের অধীনে তিনটি চুক্তির আওতায় রাশিয়ান ফেডারেশনের এটমস্ট্রয় এক্সপোর্ট কাজগুলো সম্পাদন করবে। প্রথম চুক্তির আওতাভুক্ত সার্ভে কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে।”

বেগম নূর আফরোজ আলীর প্রশ্নে জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যাত্রাবাড়ী থেকে গুলিস্তান হয়ে পলাশী অভিমুখী মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভারের নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। খুব দ্রুত যানবাহন চলাচলের জন্য এটি চালু করা হবে। দেশের প্রথম পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ হিসেবে ফ্লাইওভারটি নির্মাণ করা হয়েছে। বর্তমানে কয়েকটি লুপের কাজ শেষ পর্যায়ে। ফ্লাইওভার চালুর পর রাজধানীর সঙ্গে ৩০টি জেলার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন হবে।”