বিমান বাহিনীর প্রশিক্ষণের গোলার আঘাতে বান্দরবানে কাঠুরিয়ার মৃত্যু

প্রকাশ:| বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারি , ২০১৪ সময় ১০:৫৮ অপরাহ্ণ

বান্দরবান প্রতিনিধি ॥
বান্দরবানে বিমান বাহিনীর ফায়ারিং প্রশিক্ষণের কামানের গোলার আঘাতে এক কাঠুরিয়ার মৃত্যু হয়েছে। নিহত ব্যক্তির নাম বেলাল হোসেন (৩১)। সে চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার বড়দুয়ারা এলাকার বাসিন্দার মোহাম্মদ হোসেনের পুত্র। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহত কাঠুরিয়ার লাশ উদ্ধার করেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা সদরের সুয়ালক ইউনিয়নের ভাগ্যকূল এলাকার ভারী অস্ত্রের ফায়ারিং রেঞ্জ চলাকালে এই দূর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই বান্দরবান সদর উপজেলার সূয়ালক ইউনিয়নের হলুদিয়া এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর ভারী অস্ত্রের ফায়ারিং প্রশিক্ষনের সংরক্ষিত এলাকা ভাগ্যকূল থেকে প্রায় সাত কিলোমিটার দূরে ভারী অস্ত্রের ফায়ারিং রেঞ্জের বিমান টার্গেট এলাকায় বিমান থেকে গোলা বর্ষণ করা হচ্ছিল। এই সময় বিমান থেকে ছুড়ে ফেলা কামানের একটি গোলার আঘাতে বেলাল হোসেন নামে এক কাঠুরিয়ার শরীর ছিন্ন বিচ্ছিন্œ হয়ে যায়। নিষেধাজ্ঞা থাকার পরও প্রশিক্ষণ চলাকালে সংরক্ষিত এলাকা থেকে পাহাড়ের বাঁশ ও বোমার ভগ্নাংশ (তামা ও লোহা) সংগ্রহ করতে গেলে এই ঘটনা ঘটে।
ঘটনার সতত্য নিশ্চিত করে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমতিয়াজ আহম্মেদ জানান, সূয়ালকের ভাগ্যকূল এলাকা থেকে প্রায় সাত কিলোমিটার দূরে ভারী অস্ত্রের ফায়ারিং রেঞ্জের বিমান টার্গেট এলাকায় বিমান থেকে গোলা বর্ষণের সময় একটি ভারী গোলার আঘাতে বেলাল হোসেনের মৃত্যু হয়েছে। তার শরীরের দেহ ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে। স্থানীয় ইউপি সদস্য মোহাম্মদ আলম জানান, সেনাবাহিনী ও বিমান বাহিনীর ভারী অস্ত্রের ফায়ারিং প্রশিক্ষণের সময় রেঞ্জের মধ্যে জনসাধারণের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা থাকার পরও স্থানীয়রা বাঁশ, কাঠ ও বোমার মূল্যবান ধাতব অংশ সংগ্রহের জন্য প্রশিক্ষণ রেঞ্জের অভ্যন্তরে ঢুকে পড়ে। ফলে প্রাণহানীর ঘটনাও বাড়ছে। বৃহস্পতিবার নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বেলাল হোসেন বাঁশ ও বোমার ভগ্নাংশ (তামা ও লোহা) সংগ্রহের জন্য প্রশিক্ষণ এলাকায় গেলে গোলার আঘাতে তার মৃত্যু হয়।