বিপিএল ফিক্সিং, আশরাফুল আটবছর নিষিদ্ধ

প্রকাশ:| বুধবার, ১৮ জুন , ২০১৪ সময় ০৬:২৮ অপরাহ্ণ

আশরাফুলবাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগে (বিপিএল) স্পট ফিক্সিংয়ে জড়িত থাকার অভিযোগে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মাদ আশরাফুলকে আটবছর ও ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটর্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শিহাব চৌধুরীকে দশবছর নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

রায় ঘোষণার দশ দিন পর বুধবার বিকেল ৩টায় গুলশান ২ এ বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) গঠিত ট্রাইব্যুনালে অভিযুক্তদের চূড়ান্ত শাস্তির মেয়াদ ঘোষণা করা হয়।

রায়ে দশ বছরের নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি শিহাব চৌধুরীকে ২০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া ট্রাইব্যুনালে দোষী প্রমাণিত হওয়া শ্রীলঙ্কার কৌশল লুকুয়ারাচ্চিকে দেড় বছর ও লু ভিনসেন্টকে ৩ বছর নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

জানা গেছে, আশরাফুলকে চারটি অভিযোগে আলাদাভাবে ৮ বছর করে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে তিনি এই শাস্তি একসাথেই ভোগ করবেন। এছাড়া শাস্তিভোগকালে তার আচরণে বিসিবি এবং আইসিসি সন্তুষ্ট হলে এবং তিনি আবেদন করলে তাকে ক্রিকেটে ফিরিয়ে আনা যাবে।

এর আগে গত ৮ জুন স্পট ফিক্সিংয়ের রায় ঘোষণা করা হয়। ওই দিন বিকেল ৪টায় রায়ের কপি সংশ্লিষ্টদের কাছে পাঠিয়ে দেয়া হয়।

গত ২৬ ফেব্রুয়ারি ঘোষিত সংক্ষিপ্ত রায়ে নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছেন জাতীয় দলের সাবেক বাঁহাতি স্পিনার মোহাম্মদ রফিক, বাঁহাতি স্পিনার মোশাররফ হোসেন ও পেসার মাহবুবুল আলম। ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটর্সের চেয়ারম্যান সেলিম চৌধুরী ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা গৌরব রাওয়াদ এবং ইংল্যান্ডের ক্রিকেটার ড্যারেন স্টিভেন্সও নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছেন।

উল্লেখ্য, গত ১৪ অক্টোবর সুপ্রিমকোর্টের বিচারপতি আব্দুর রশিদকে ডিসিপ্লিনারি প্যানেলের চেয়ারম্যান নিয়োগ করে বিসিবি। তিনি বিধি অনুযায়ী ডিসিপ্লিনারি প্যানেলের ১০ সদস্য নিয়োগ করেন। ১০ নভেম্বর প্যানেলের চেয়ারম্যান সাবেক বিচারপতি খাদেমুল ইসলাম চৌধুরীকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের দুর্নীতি বিরোধী ট্রাইব্যুনাল গঠন করেন। দুই সদস্য হলেন আজমামুল হোসেন কিউসি ও সাবেক ক্রিকেটার শাকিল কাসেম।

এর আগে গত ১৩ অগাস্ট রাজধানীর একটি হোটেলে আইসিসি ও বিসিবির যৌথ সংবাদ সম্মেলনে বিপিএলে ম্যাচ পাতানোর জন্য জড়িত থাকায় ৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করার কথা জানান আইসিসির প্রধান নির্বাহী ডেভ রিচার্ডসন। তদন্তের ভিত্তিতে অভিযোগ গঠন করে আইসিসি দুর্নীতি দমন ও নিরাপত্তা ইউনিট (আকসু)।