বিপাকে দেশি ব্যাংক বিদেশি ঋণ বাড়ছে

প্রকাশ:| সোমবার, ২৩ সেপ্টেম্বর , ২০১৩ সময় ০৫:৪৮ অপরাহ্ণ

পাঁচশ টাকাএকটি সময় বিদেশ থেকে বেসরকারি খাতে ঋণ নেওয়া বেশ কঠিন ছিল। দেশীয় ব্যাংকে তারল্য সংকট ও বৈদেশিক মুদ্রা স্বল্পতার কারণে ২০১০ সাল থেকে বিদেশি উৎস থেকে ঋণ নেওয়া সহজ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বিদেশি ঋণ বাড়ছে বিপাকে দেশি ব্যাংক
২০১১ সালে সেই সুযোগকে আরও বিস্তৃত করা হয়েছে। এখন আর দেশে বৈদেশিক মুদ্রা কিংবা টাকার সংকট নেই। এর পরও একের পর এক বিদেশি ঋণ নিয়ে আসছেন বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তারা।

ফলে দেশি ব্যাংকগুলো ব্যবসা হারাচ্ছে। এমনিতেই বিনিয়োগের চাহিদা কম। এর ওপর বিদেশি উৎসের ঋণ বেড়ে যাওয়ার প্রভাবে ব্যাংকিং খাতের ঋণের প্রবৃদ্ধি কমে যাচ্ছে। গত অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি হয়েছে মাত্র ১১ শতাংশ।

আগের অর্থবছরে এক্ষেত্রে প্রবৃদ্ধি ছিল ২০ শতাংশ বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ সমকালকে বলেন, দেশীয় ব্যাংকগুলোয় খেলাপি ঋণের প্রবণতা এবং পরিচালন ব্যয় বেড়েছে।

এ কারণে তাদের কাছে উদ্বৃত্ত তারল্য থাকার পরও ঋণের সুদহার কমাতে পারছে না। এ অবস্থায় উদ্যোক্তাদের অনেকেই বাইরে থেকে ঋণ নিচ্ছেন। তবে এ ধরনের ঋণে ঝুঁকি রয়েছে।

বিশেষ করে ডলারের বিপরীতে যদি টাকার দর বাড়ে, তখন ঋণ গ্রহীতা সমস্যায় পড়বেন। এ ছাড়া কোনো কারণে এসব ঋণ খেলাপি হলে গ্রাহকের পাশাপাশি দেশের ইমেজ নষ্ট হবে।

তখন আন্তর্জাতিক সংস্থার রেটিংয়ে বাংলাদেশের রেটিং কমবে। এজন্য ভেবেচিন্তে এ ধরনের ঋণের অনুমতি দেওয়া উচিত।


আরোও সংবাদ