বিজয় মেলার গুরুত্ব ও তাৎপর্য ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে

প্রকাশ:| বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর , ২০১৫ সময় ১০:০৯ অপরাহ্ণ

বিজয় মেলারমুক্তিযুদ্বের বিজয় মেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এ.বি.এম মহিউদ্দিন চৌধুরী বলেছেন, চট্টগ্রাম থেকে শুরু হওয়া মু্িক্তযুদ্ধের বিজয় মেলা বিগত ২৬ বছর ধরে টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া পযর্ন্ত নতুন প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের অবিনাশী চেতনার অবিনাশী শিখায় পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশের আর্থ সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলার গুরুত্ব ও তাৎপর্য ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং দেশপ্রেমের অর্থবহ একটি উপলক্ষ হিসেবে বাঙালীর সর্বজনীন উৎসব হিসেবে সকলের হৃদয়ে প্রোথিত হয়েছে। তিনি বরাবরের মত এবছরও আউটার স্টেডিয়ামে ১ ডিসেম্বর থেকে মাসব্যাপী ২৭তম মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা’ ২০১৫ আয়োজনের প্রস্তুতি শুরুর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন। ১০ ডিসেম্বর থেকে মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মঞ্চ থেকে স্মৃতিচারণ ও উদ্দীপনামূলক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শুরুর নির্দেশনা প্রদান করেন। একই সাথে তিনি লালদিঘী মাঠে মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা পরিষদের উদ্যোগে মুক্তিযুদ্ধের বই মেলা ও বৃক্ষমেলা এবং সিআরবিতে শিশু-কিশোর মেলা আয়োজনের ঘোষণা দেন।
আজ সন্ধ্যায় মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা পরিষদের সভাপতি ও সম্পাদকমন্ডলীর সদস্যদের নিয়ে এক প্রস্তুতি সভায় সভাপতির ভাষনে তিনি একথা বলেন। তিনি আরো বলেন, আজ প্রায় প্রতিদিনই বিশ্বসভা থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের সাফল্য, কীর্তিগাঁথা ও বিজয়ের বার্তা ঘোষিত হচ্ছে। অতিসম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক সর্বোচ্চ পদক চ্যাম্পিয়নস অব দ্যা আর্থ এবং আইসিটি টেকসই উন্নয়ন পুরুস্কার অর্জন করে বিশ্বে বাঙালী জাতিকে সম্মান ও মর্যাদায় হিমালয়সম উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছেন। পাশাপাশি লক্ষ্যনীয় যে, এই সাফল্য ও অর্জনে ঈর্ষান্বিত হয়ে রাষ্ট্র বিরোধী একটি অপশক্তি দেশবিদেশে প্রাসাদ চক্রান্ত করছে। এই প্রেক্ষিতে বাঙালী জাতিসত্তা অস্তিত্ব রক্ষা এবং বাংলাদেশকে শনিগ্রহ মুক্ত করতে মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা’ ২০১৫ এর সুদর প্রসারী লক্ষ ও গুরুত্ব রয়েছে। তাই এবারের মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলায় ঐতিহাসিক মাত্রা যুক্ত হয়েছে এবং আমাদের প্রমাণিত করতে হবে মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা শুধুমাত্র উৎসবই নয়, আমাদের উজ্জল ভবিষ্যৎ এবং নিরাপদ জন্মভূমির ঠিকানার উৎস। তিনি আউটার স্টেডিয়াম ও এম এ আজিজ স্টেডিয়ামের খালি মাঠ মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা আয়োজনের জন্য বরাদ্দ দেওয়ায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী চট্টগ্রাম ২৪ পদাধিক ডিভিশনের সকলকে কৃতজ্ঞতা জানান।
সভায় মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা পরিষদের বিভিন্ন উপ-কমিটি গঠন এবং মাসব্যাপী এই আয়োজনের বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বিজয় মেলা পরিষদের কো-চেয়ারম্যান আলহাজ্ব বদিউল আলম, মহাসচিব আলহাজ্ব আহমেদুর রহমান সিদ্দিকী, অমল মিত্র, মহানগর কমান্ডার মোজাফ্ফর আহমেদ, শেখ শহিদুল আনোয়ার, কাউন্সিলর গিয়াসউদ্দিন, পাণ্টু লাল সাহা, মুকুল দাশ, সৈরীন্দ্র নাথ সেন, সাধন চন্দ্র বিশ্বাস, আবুল কাশেম, জয়নুল আলম চৌধুরী, এস.এম রফিক, আবুল খায়ের পাটোয়ারী, কুতুবউদ্দিন চৌধুরী, মোহাম্মদ কামরুল আলম, আতিকুর রহমান, আকবর খান, তছকির আহমেদ, মো: এয়াকুব, মো: ইউনুছ, মো: খোরশেদ আলম, জাফর আহমদ, সৈয়দ আহাম্মদ, ফরিদ মাহামুদ, এস এম সাঈদ সুমন, জার্গির উদ্দিন সর্দার, নুরুল আনোয়ার, মুহাম্মদ ওসমান গনি,

আগামী কাল শুক্রবার সকাল ১০ টায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য ও রাষ্ট্রদূত মরহুম আতাউর রহমান খান কায়সারের ৫ম র্মত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে চন্দনপুরাস্থ মরহুমের কবরে পুষ্পমাল্য অর্পণ, ফাতেহা পাঠ এবং মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।
এতে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সর্বস্থরের নেতাকর্মীদের যথাসময়ে উপস্থিত থাকার জন্য চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সিটি মেয়র আজম নাছির উদ্দিন অনুরোধ জানিয়েছেন।