বিএফইউজে নির্বাচন: রিয়াজ সহ সভাপতি নির্বাচিত

নিউজচিটাগাং২৪/ এক্স প্রকাশ:| শুক্রবার, ১৩ জুলাই , ২০১৮ সময় ০৯:১৪ অপরাহ্ণ

বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন- বিএফইউজে নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শেষ হয়েছে। নির্বাচনে চট্টগ্রাম থেকে সহ-সভাপতি পদে ৩ জন, যুগ্ম-মহাসচিব পদে ৫ জন, সদস্য পদে ৫ জন প্রার্থী হয়েছেন। এর মধ্যে সহ-সভাপতি ১ জন, যুগ্ম-মহাসচিব ১ জন ও সদস্যপদে ২ জন চট্টগ্রাম থেকে নির্বাচিত হন।


শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে শুরু হওয়া ভোট গ্রহণ চলে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত। চট্টগ্রামে শান্তিপূর্ণ ভাবে বিএফইউজে নির্বাচন সম্পন্ন হয়। চট্টগ্রাম কেন্দ্রে রিয়াজ হায়দার চৌধুরী সহ-সভাপতি, যুগ্ম সম্পাদক পদে এবং সদস্য পদে রাইফার বাবা রুবেল খান ও আজহার মাহমুদ নির্বাচিত হন।

চট্টগ্রামে কে কত ভোট পেয়েছে
সদস্য পদে – রুবেল খান ২২৮, শামসুল হক ১২০, আবসার মাহফুজ ১০৫, আজহার মাহমুদ ১৩০

যুগ্ন-সম্পাদক পদে -মহসীন কাজী ১৬০, তপন চক্রবর্তী ১৩২, মঞ্জুর আলম মঞ্জু ৪৪

সহ-সভাপতি পদে- মোস্তাক আহমদ ২০, রিয়াজ হায়দার চৌধুরী ১৮৪, শহিদুল আলম ১৩৬

কোষাধ্যক্ষ পদে – দীপ আজাদ ৯৫, কবির ১৬২, মধুসূদন মণ্ডল ৪০

মহা-সচিব পদে- সাবান মাহমুদ ১৯৩, ১৪২

সভাপতি পদে- মোল্লা জালাল ১২১, জলিল ৮২, ওমর ফারুক ১৩০

এদিকে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) নির্বাচনে মহাসচিব নির্বাচিত হয়েছেন শাবান মাহমুদ। তবে সভাপতি পদের ফল ঘোষণা স্থগিত রাখা হয়েছে।শুক্রবার (১৩ জুলাই) রাতে জাতীয় প্রেসক্লাবে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনার আলমগীর হোসেনের পক্ষে নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম রতন এ ফল ঘোষণা করেন।

ফলাফলে দেখা যায়, মহাসচিব পদে শাবান মাহমুদ পেয়েছেন ১ হাজার ৯৬০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাকারিয়া কাজল পেয়েছেন ৭শ’ ভোট।

এছাড়া ১১০৩ ভোট পেয়ে সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী পেয়েছেন ড. উৎপল কুমার সরকার। তিনি পেয়েছেন ৭৫৫ভোট। যুগ্ম-মহাসচিব পদে আবদুল মজিদ, কোষাধ্যক্ষ দীপ আজাদ এবং দফতর সম্পাদক পদে বরুণ ভৌমিক নয়ন নির্বাচিত হয়েছেন।

নির্বাহী সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন শেখ মামুনূর রশিদ (৮৬৬), নূরে জান্নাত সীমা (৭১০), সেবিকা রানী (৬২১), খায়রুজ্জামান কামাল (৬১৮)।

এবারের নির্বাচনে ফারুক-শাবান-দীপ পরিষদ ও জলিল-কাজল-মধু পরিষদ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা অংশ নেন। ফারুক-শাবান-দীপ পরিষদে সভাপতি পদে ওমর ফারুক, সহ-সভাপতি সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা ও মহাসচিব পদে শাবান মাহমুদ, যুগ্ম-মহাসচিব রফিকুল ইসলাম সবুজ, কোষাধ্যক্ষ দীপ আজাদ, দফতর সম্পাদক পদে হেমায়েত হোসেন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

নির্বাহী সদস্য ছিলেন স্বপন দাসগুপ্ত, মফিদা আকবর, শফিউদ্দিন আহমেদ বিটু ও নুরে জান্নাত সীমা।

জলিল-কাজল-মধু পরিষদে সভাপতি পদে আবদুল জলিল ভুঁইয়া, সহ-সভাপতি ড. উৎপল কুমার সরকার ও মহাসচিব পদে জাকারিয়া কাজল, যুগ্ম-মহাসচিব নাসিমা আক্তার সোমা, কোষাধ্যক্ষ মধুসূদন মণ্ডল, দফতর সম্পাদক পদে বরুণ ভৌমিক নয়ন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

এছাড়া এই পরিষদে নির্বাহী সদস্য পদে, জহুরুল ইসলাম টুকু, খায়রুজ্জামান কামাল, শেখ মামুনুর রশিদ ও আখতার জাহান মালিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। প্যানেলের বাইরে স্বতস্ত্র প্রার্থী হিসেবে সভাপতি পদে মোল্লা জালাল, কোষাধ্যক্ষ পদে নজরুল কবির, যুগ্ম-মহাসচিব পদে আবদুল মজিদ, খায়রুল আলম, দীপংকর গৌতম, ফজলুল হক বাবু ও মানিক লাল ঘোষ, দফতর সম্পাদক পদে রেজাউল করিম রেজা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন, সেবিকা রানী, মীর আফরোজ জামান, আবদুল খালেক লাভলু, শামসুর রহমান ও আখতার জাহান মালিক।

শুক্রবার (১৩ জুলাই) সকাল ৯টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে বিকেল ৫টায় শেষ হয়। ঢাকায় তিন হাজার ২৪৯ ভোটারের মধ্যে এক হাজার ৯১৮ জন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। ঢাকা ছাড়াও চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, যশোর, ময়মনসিংহ, নারায়ণগঞ্জ, কক্সবাজার, কুষ্টিয়া ও বগুড়ার ভোটাররাও তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।

উল্লেখ্য, গত ৬ জুলাই এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও শ্রম আদালতের নির্দেশে নির্বাচনের ঠিক আগের দিন অর্থাৎ ৫ জুলাই নির্বাচন স্থগিত করে নির্বাচন কমিশন। পরবর্তীতে স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার হলে ১৩ জুলাই নির্বাচনের দিন ঘোষণা করা হয়।