বিএনপির ২ গ্রুপে সংঘর্ষ, কার্যালয় ভাঙচুর

প্রকাশ:| শুক্রবার, ৫ সেপ্টেম্বর , ২০১৪ সময় ১১:৩৮ অপরাহ্ণ

বিএনপির ২ গ্রুপে সংঘর্ষ, কার্যালয় ভাঙচুর। উত্তর জেলা বিএনপির শীর্ষ দু’নেতার কোন্দলের জের ধরে হামলার ঘটনা ঘটেছে।বিএনপির ২ গ্রুপে সংঘর্ষ, কার্যালয় ভাঙচুর

শুক্রবার বিকেলে নগরীর নাসিমন ভবনের তৃতীয় তলায় উত্তর জেলার রাউজান উপজেলা ও পৌর বিএনপির এক প্রস্তুতি সভায় এ হামলা চালানো হয়।

উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর সমর্থকরা উত্তর জেলার বর্তমান আহ্বায়ক আসলাম চৌধুরীর অনুসারীদের ওপর এ হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

প্রতিপক্ষের হামলায় কৃষক দলের কেন্দ্রীয় নেতা এমএ হালিমসহ উত্তর জেলা বিএনপির ১৫ নেতাকর্মী আহত হয়েছে। এদের মধ্যে চার জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ভাঙচুর করা হয়েছে দলীয় কার্যালয়ের চেয়ার টেবিল।

দলীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার জুমার নামাজের পর নাসিমন ভবনের তৃতীয় তলায় উত্তর জেলা বিএনপির কার্যালয়ে রাউজান উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপির প্রথম প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। বিকেল সাড়ে ৪টার সময় সভা চলাকালে হঠাৎ স্লোগান দিয়ে বাইরে থেকে আসা ৫০/৬০ জনের একটি দল হামলা চালায়। তারা এ সময় চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর করে। ভয়ে নেতাকর্মীরা পালাতে থাকলে তাদের ধরে বেধড়ক পেটায়। হামলাকারীরা লোহার রড়, ক্রিকেট খেলার স্ট্যাম্প ও পাথর দিয়ে মাথা ফাটিয়ে দেয় আসলাম গ্রুপের চার নেতার।

আসলাম চৌধুরীর অনুসারী রাউজান থানা বিএনপি নেতা আবছার জামান অভিযোগ করেন, ‘আমাদের প্রস্তুতি সভা চলাকালে গিয়াস কাদেরের অরাজনৈতিক সন্ত্রাসীরা হামলা করেছে। এতে সাবেক ছাত্রদল নেতা ও আহ্বায়ক কমিটির সদস্য জসিম সিকদার, কৃষক দলের কেন্দ্রীয় নেতা এমএ হালিম, বিএনপি নেতা মোসলেহ উদ্দিন, হাসান জসিম ও অ্যাডভোকেট রফিক নূরুল হুদাসহ কমপক্ষে ১৫জন নেতা আহত হয়েছে। আহত চার জনকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।’

এ প্রসঙ্গে কোতোয়ালি থানার ওসি (তদন্ত) নেজাম উদ্দিন বলেন, ‘উত্তর জেলা বিএনপির দু’গ্রুপের সংঘর্ষে দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। তবে খবর পেয়ে পুলিশ যাওয়ার আগে তারা সটকে পড়েছে।’

প্রসঙ্গত, দীর্ঘ দিন ধরে উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি নিয়ে গিয়াস কাদের চৌধুরী ও আসলাম চৌধুরীর সাথে দ্বন্দ্ব চলে আসছিল। এ দ্বন্দ্বে নতুন করে যোগ হয় আসলাম চৌধুরীর কমিটির সদস্য সচিব ও গিয়াস কাদেরর অনুসারী আব্দুল্লাহ আল হাসান চৌধুরী। তাদের দ্বন্দ্বের জেরে উত্তর জেলার বিভিন্ন উপজেলায় আহ্বায়ক ও সচিবের একাধিক কমিটি আছে।