বাশিস ও বাকবিশিস এর যৌথ উদ্যোগে অবস্থান ধর্মঘট

প্রকাশ:| বৃহস্পতিবার, ২৭ জুলাই , ২০১৭ সময় ১২:৪৫ পূর্বাহ্ণ

সকল সরকারি কর্মচারি-কর্মকর্তা ১লা জুলাই২০১৫ থেকে ঘোষিত ৮ম পে-স্কেলে ৫% বার্ষিক প্রবৃদ্ধি এবং বৈশাখী ভাতা সহ সকল সুযোগ সুবিধা ভোগ করলেও এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারিরা তাদের এই ন্যার্য অধিকার থেকে বঞ্চিত। এতে মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর ব্যর্থতা এবং সরকারি আমলাদের স্বৈরাচারী মনোভাবকে দায়ের করেন শিক্ষক নেতৃবৃন্দ। এরই প্রতিবাদে অদ্য ২৬ জুলাই বুধবার সকাল ১১টায় লালদিঘীর পাড়স্থ চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ মার্কেটের সামনে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি (বাশিস) ও বাংলাদেশ কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি (বাকবিশিস) চট্টগ্রাম জেলা কর্তৃক আয়োজিত বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি চট্টগ্রাম আঞ্চলিক সভাপতি সৈয়দ লকিয়তউল্লাহ‘র সভাপতিত্বে এক অবস্থান ধর্মঘট অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তারা অবসর ভাতা ও কল্যাণ ফান্ডের জন্য বর্ধিত ৪% কর্তন করার সিদ্ধান্ত শুধু স্থগিত নয় অনতিবিলম্বে সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করে সরকারকে নতুন গেজেট প্রকাশ করার আহ্বান জানান। তাছাড়া অবসর ভাতা ও কল্যাণ ফান্ডের জন্য প্রতি অর্থ বছরে ৬শত কোটি টাকা ভুর্তুকি প্রদান করতে হবে। তা না হলে হাজার হাজার অবসরে যাওয়া শিক্ষক-কর্মচারিদের দরখাস্তের ভারে অবসর ভাতা বোর্ড ও কল্যাণ ট্রাস্টের কার্যক্রম অচল হয়ে পড়তে পারে। বক্তারা আরো বলেন, বিক্ষিপ্তভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে সরকারিকরণ করা বহুল প্রত্যাশিত ২০১০ সালের শিক্ষানীতির সাথে সাংঘর্ষিক। এতে শিক্ষার মূল উদ্দেশ্যে ব্যাহত হবে। শিক্ষাক্ষেত্রে চরম অব্যবস্থাপনা এবং বৈষম্যের দিক পরিলক্ষিত হবে। তাই শিক্ষাক্ষেত্রে এ ধরনের বিভাজন না করে এমপিওভুক্ত সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আয় সরকারি কোষাগারে নিয়ে ২০১০ সালের শিক্ষানীতির আলোকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে জাতীয়করণ করার জরুরি বলে অভিমত দেন বক্তারা। শিক্ষাক্ষেত্রে সকল বৈষম্যের অবসান ঘটিয়ে সরকারি শিক্ষক-কর্মচারিদের অনুরুপ ৫% বার্ষিক প্রবৃদ্ধি, বাড়ি ভাড়া, মেডিকেল ভাতা, বছরে দুটি পূর্ণাঙ্গ উৎসব ভাতা ও বৈশাখী ভাতা প্রদান এবং নন এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিওভুক্ত করারও আহ্বান জানান। অবস্থান ধর্মঘট শেষে সহস্রাধিক শিক্ষক মিছিল সহকারে কোতোয়ালী মোড় গিয়ে অনুষ্ঠানের পরিসমাপ্তি ঘটায় এবং সেখান থেকে শিক্ষক নেতৃবৃন্দ চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক বরাবর শিক্ষক-কর্মচারিদের দাবী সম্বলিত স্মারকলিপি প্রদান করেন। সভায় বক্তব্য রাখেন প্রদীপ কানুনগো, অধ্যাপক উত্তম চৌধুরী, নুুরুল হক সিদ্দিকী, শিমুল মহাজন, মো: আলতাজ মিয়া, রনজিত নাথ, ওসমান গণি, অধ্যক্ষ আবুল মনসুর মো: হাবিব, অধ্যাপক তড়িৎ ভট্টাচার্য্য, অধ্যাপক অজিত দাশ, মো: আবু বক্কর, শ্যামল দে, অধ্যাপক নোমান আহমাদ ছিদ্দিকী, আমীর হোসেন, মো: মহসীন, অধ্যাপক শ্যামল দাশ, উপাধ্যক্ষ বশির উদ্দিন কনক, মুকুল ভট্টাচার্য্য, মো: ফিরোজ চৌধুরী, উপাধ্যক্ষ দেবপ্রিয় বড়–য়া অয়ন, বিচিত্রা চৌধুরী, মনিকা সেন, অধ্যাপক হামিদা বেগম, নির্মল দাশ, এ কে এম মঈনুদ্দিন, অধ্যাপক আশরাফ উল্লাহ, অধ্যাপক সুধীর চক্রবর্ত্তী, বরুন চক্রবর্ত্তী প্রমুখ


আরোও সংবাদ