বালু মহল নিয়ন্ত্রন নিতে মরিয়া দুই গ্রুপ

নিউজচিটাগাং২৪/ এক্স প্রকাশ:| সোমবার, ২১ মে , ২০১৮ সময় ০৭:৪৮ অপরাহ্ণ

 

রাউজানের কদলপুরে সন্ত্রাসী লোকমান ও তার সহযোগীদের অত্যাচারে এলাকার লোকজন অতিষ্ট হয়ে উঠেছে
শফিউল আলম, রাউজান ঃ রাউজান উপজেলার কদলপুর ইউনিয়নের শমষের পাড়া, কালকাতর পাড়া, ভোমর পাড়া, এলাকার পাশর্^বর্তী পাহাড়ী এলাকা ও পাহাড়ী এলাকার পাশর্^বর্তী রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পোমরা, রাঙ্গামাটি জেলার কাউখালী উপজেলার মনাই পাড়া, কালিছড়ি, সোনাইছড়ি, না কাটা, তলতলা, দোচালা ভোমর ঢালা । পাহাড়ী এলাকায় সন্ত্রাসী লোকমান তার সহযোগীদের নিয়ে আস্তানা করে কলে তোলেছে। সন্ত্রাসী লোকমান ও তার সহযোগী সন্ত্রাসীরা কদলপুরের পাহাড় থেকে আসা ভোমর ঢালা খাল, হরনাথ ছড়া খাল, ফটিকছড়ি খালের বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে । সন্ত্রাসী লোকমান ও তার সহযোগী সন্ত্রাসীদের বিরুদ্বে অবস্থান নিয়েছে যুবলীগ তাহের ও তার সহযোগীরা ।

এলাকার আধিপত্য নিয়ন্ত্রনকে কেন্দ্র করে রাউজানের কদলপুর এলাকায় প্রতিনিয়ন সন্ত্রাসী লোকমান ও তার সহযোগী সন্ত্রাসীদের সশস্ত্র মহড়া । সন্ত্রাসী লোকমান ও তার সহযোগীদের প্রতিরোধ করতে মাঠে নেমেছে যুবলীগ নেতা তাহের ও তার সহযোগীরা । কদলপুরে দুই পক্ষের মুখামুখি অবস্থানে থাকায় এলাকার সাধারন মানুষ চরম আতংকের মধ্যে দিনযাপন করছেন । সন্ত্রাসী লোকমান ও তার সহযোগীদের সাথে যোগ দিয়েছে আতর্œগোপনে থাকা সন্ত্রাসী ধামা ইলিয়াছ সহ সন্ত্রাসীরা । গত একমাস পুর্বে সন্ত্রাসী লোকমানের সহযোগী নয়নকে ধরে যুবলীগ নেতা তাহেরের লোকজন মারধর করে আহত করে । এ ঘটনার জের ধরে গত ১৯ মে শনিবার সন্দ্ব্যায় যুবলীগ নেতা তাহেরের সহযোগী যুবলীগ নেতা ফারুককে কদলপুর ঈশান ভট্রের হাটের পুর্বে বাড়ী যাওয়ার পথে সন্ত্রাসী লোকমান, তার সহযোগী মইনউদ্দিন হিরু, ধামা ইলিয়াছ সহ সন্ত্রাসীরা হত্যা করার উদ্যেশ্যে গুলি করে । গুলি করে যুবলীগ নেতা ফারুকের মৃত্যু হয়েছে ভেবে গুলিবিদ্ব অবস্থায় যুবলীগ নেতা ফারুককে ফেলে রেখে সন্ত্রাসী লোকমান ও তার সহযোগীরা চলে যায় । এলাকার লোকজন গুলিবিদ্ব যুবলীগ নেতা ফারুককে পুলিশের সহায়তায় উদ্বার করে চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায় । মারাত্বক ভাবে আহত যুবলীগ নেতা ফারুক এখনো চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে তার পিতা সিরাজুল ইসলাম জানান । যুবলীগ নেতা ফারুককে গুলি করে হত্যার প্রচেষ্টার ঘটনার ব্যাপারে আহত যুবলীগ নেতা ফারুকের পিতি সিরাজুল হক বাদী হয়ে গতকাল ২১ মে সোমবার দুপুরে রাউজান থানায় মামলা করেন বলে রাউজান থানার ওসি কেপায়েত উল্ল্যাহ জানান । মামলায় সন্ত্রাসী লোকমান, মাইনউদ্দিন হিরু, ধামা ইলিয়াছ, সহ ২৪ জনকে আসামা করা হয়েছে । এঘটনার পর রাউজান থানার ওসি কেপায়েত উল্ল্যাহর নেতৃত্বে রাউজান থানার পুলিশ গত ২০ মে রবিবার দিবাগত রাতে রাউজানের কদলপুরে অভিযাণ চালায় । অভিযানের সময়ে সন্ত্রাসী লোকমান ও তার সহযোগীরা পাশর্^বর্তী পাহাড়ী এলাকায় পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি বলে জানান রাউজান থানার ওসি কেপায়েত উল্লাহ । রাউজানের কদলপুরে সন্ত্রাসী লোকমানের বিরুদ্বে রাউজান থানায় চুরিম ডাকাতি, অপহরন,চাদাঁবাজীর ঘটনায় ৬টি মামালা রয়েছে বলে পুলিশ জানায় । সন্ত্রাসী লোকমান ও তার সহযোগী সন্ত্রাসীদের গুলিতে আহত যুবলীগ নেতা ফারুক রাউজানের কদলপুরের শমশের পাড়ার পাশর্^বর্তী আশ্রায়ন প্রকল্পের বাসিন্দ্বা সিরাজুল হবে পুত্র । রাউজানের কদলপুরে সন্ত্রাসী লোকমান বাহিনী ও যুবলীগ নেতা তাহের গ্রুপের মুখোমুখি অবস্থানের কারনে এলাকার সাধারন মানুষের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে বলে কদলপুর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবদুল করিম জানান । রাউজানের কদলপুরে সন্ত্রাসী লোকমান ও তার সহযোগীদের ধরতে রাউজান থানা পুলিশের একাধিক টিম প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে রাউজান থানার ওসি কেপায়েত উল্ল্যাহ জানান ।


আরোও সংবাদ