বাবলুর বিয়েতে দাওয়াত পাননি এলাকার কেউ

প্রকাশ:| মঙ্গলবার, ১৮ এপ্রিল , ২০১৭ সময় ০৯:২৬ অপরাহ্ণ

শফিউল আলম, রাউজান:
জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও দলটির সাবেক মহাসচিব, সাবেক মন্ত্রী ,বর্তমান সংসদ সদস্য জিয়া উদ্দিন আহমেদ বাবলুর বিয়েতে দাওয়াত কিংবা আমন্ত্রন পাননি রাউজানের কেউ!। আগামী ২১ এপ্রিল রাজধানীর একটি অভিজাত রেস্টুরেন্টে সাবেক প্রেসিডেন্ট হোসেন মুহাম্মদ এরশাদের ভাগ্নি মেহজেবুন্নেসা রহমান টুম্পার সঙ্গে আক্দ হবে চট্টগ্রাম জেলার রাউজান উপজেলার ৮নং কদলপুর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডস্থ বাছির মোহাম্মদ চৌধুরীর বাড়ীর মরহুম ডাক্তার আবুল কাসেম চৌধুরীর প্রথম ছেলে সাবেক মন্ত্রী জিয়া উদ্দিন আহমেদ বাবলুর সাথে। জানাগেছে এই বিবাহ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী সহ মন্ত্রী পরিষদের সদস্যদের আমন্ত্রন জানানো হয়েছে। অথচ যে ভুমিতে ১৯৫৬ ইংতে জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু জন্মগ্রহন করেছেন সেই জন্মভুমির উচু নিচু স্তরের কেউ এই রির্পোট লেখা পর্যন্ত দাওয়াত কিংবা আমন্ত্রন পাননি। এই প্রসঙ্গে জানতে চাইলে জিয়া উদ্দিন আহমেদ বাবলুর আপন চাচাতো ভাই কদলপুর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান সাইফুল হক চৌধুরী লাভলু জানান মানুষের মুখে মুখে শুনতেছি ২১ তারিখ নাকি বাবলুর বিয়ে। কিন্তু আমি কিংবা বাড়ীর কেউ দাওয়াত পাননি। রাউজানের কেউ পেয়েছে কিনা সন্দেহ। জিয়া উদ্দিন বাবলুর খুবই ঘনিষ্ঠ ও কাছের হিসেবে পরিচিত উত্তর জেলা জাতীয় পার্টির সিনিয়র সহ সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মেজবাহ উদ্দিন আকবর বলেন এখনো দাওয়াত পায়নি। তবে ছোট আকারের অনুষ্ঠান হওয়ায় সকলকে কি আর দাওয়াত দেওয়া সম্ভব। তিনি বলেন এখনো সময় আছে বাবলু ভাই ফোনও করতে পারে। এদিকে রাউজানের মানুষের মুখে মুখে জিয়া উদ্দিন আহমেদ বাবলুর বিয়ের কথাটি।সমগ্র এলাকায় বিয়ের কথাটি টক অব দ্যা রাউজানে পরিনত হয়েছে। এদিকে বাবলুর নিজ এলাকা কদলপুর ইউনিয়নের বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান তসলিম উদ্দিন চৌধুরী জানান এখনো এলাকার হিসেবে দাওয়াত পায়নি। তবে তাকে গত কয়েকদিন আগে এক বিষয়ে ফোনও করেছিলাম রিসিভ করেননি। তিনি বলেন বয়স্ক মানুষের শেষ কালে স্ত্রীর বড় প্রয়োজন,সে হিসেবে ওনি বিবাহ করছেন এটি ভালো কাজ করছেন। দাওয়াত পাওয়া না পাওয়া বড় কথা নয়। জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলুর প্রথম স্ত্রী যশোর জেলার কণ্যা ফরিদা সরকার ২০০৫ সালে ক্যান্সার আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করলে তিনি আর বিবাহ করেন নি। দীর্ঘ ১২ বছর পর ২য় বিয়ে হিসেবে এরশাদের ভাগ্নি টুম্পাকে স্ত্রী বানিয়ে নতুন সংসারে পা রাখবেন ৬১ বছর বয়স্ক জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু। জিয়াউদ্দিন বাবলুর পিতা মরহুম ডাক্তার আবুল কাসেম চৌধুরী ও মাতা মরহুমা নুর মোহল চৌধুরীর সংসারে ৪ ছেলে ও ২ কণ্যার মধ্যে জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু সকলের বড়। এদিকে একটি সুত্রজানায় গত ২৮ মার্চ এরশাদের সঙ্গী হয়ে সেই ভাগ্নি আর বাবলু একই বিমানে চট্টগ্রামে এসেছিলেন। এরশাদ আর ভাগ্নি আলাদা আলাদা চট্টগ্রামের প্যানেনসুলায় রাত যাপন করলেও বাবলু শহরের চান্দঁগাউ আবাসিক এলাকার নিজস্ব বাসায় রাত যাপন করে পরদিন একই ফ্লাইটে এরশাদ সহ বাবলু আর হবু স্ত্রী ঢাকায় চলেযান।


আরোও সংবাদ