বান্দরবানে হিন্দু ধর্মালম্বীদের শারদীয় দূর্গা উৎসব শুরু

প্রকাশ:| শুক্রবার, ৭ অক্টোবর , ২০১৬ সময় ০৮:০৯ অপরাহ্ণ

%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%aa%e0%a7%82%e0%a6%9c%e0%a6%aa-%e0%a6%aa%e0%a6%bf%e0%a6%95বান্দরবান প্রতিনিধি,
দক্ষিন চট্টগ্রামের সবচেয়ে বড় পূজামন্ডপে বান্দরবানে হিন্দু ধর্মালম্বীদের শারদীয় দূর্গাৎসব শুরু হয়েছে। কেন্দ্রীয় দূর্গা মন্দিরের পুরোহিত বাবুল চক্রবর্তীর পরিচালনায় ষষ্ঠী পূজার মাধ্যমে দুপুরে ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। জেলায় এবার কেন্দ্রীয়ভাবে দুর্গাৎসব উদযাপন কমিটির ব্যানারে ২৭টি এবং স্থানীয়ভাবে আরো প্রায় ৪৫টি মন্ডপে দূর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় স্থানীয় রাজারমাঠে রাজপ্রসাদ আদলে গড়ে তোলা আকর্ষণীয় পূজা মন্ডপে মঙ্গল প্রদ্বীপ প্রজ্জলনের শারদীয় দূর্গাৎসবের কর্মসূচীর আনুষ্ঠানিক উদ্ধোধন করেন পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর এমপি। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে বান্দরবান ৬৯ সেনা রিজিয়নের কমান্ডার ব্রীগেডিয়ার জেনারেল জোবায়ের সালেহীন, জেলা প্রশাসক দিলীপ কুমার বণিক, জেলা পুলিশ সুপার সঞ্জিব কুমার রায়, পৌরসভার মেয়র মোহাম্মদ ইসলাম বেবী, কেন্দ্রীয় দূর্গা মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক লক্ষি পদ দাশ, উৎসব উদযাপন কমিটির সভাপতি অমল কান্তি দাশ, সাধারণ সম্পাদক রাজেস্বর দাশ’সহ হিন্দু ধর্মালম্বী এবং রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী হিন্দু ধর্মালম্বী নারী-পুরুষের মাঝে বস্ত্র বিতরণ করেন।
উদযাপন কমিটির সভাপতি অমল কান্তি দাশ জানায়, জেলার সাত উপজেলায় সার্বজনীন শারদীয় দুর্গা উৎসব উদযাপন কমিটির ব্যানারে ২৭টি এবং স্থানীয়ভাবে আরো প্রায় ৪৫টি মন্দিরে শারদীয় দূর্গাপূজা উদযাপন করা হচ্ছে। তারমধ্যে সদর উপজেলায় ১১টি, রোয়াংছড়িতে ২টি, রুমায় ১টি, থানছিতে ১টি, লামায় ৭টি, আলীকদমে ৩টি, নাইক্ষ্যংছড়িতে ২টি মন্ডপে কেন্দ্রীয় দুর্গাপূজা উৎসব উদযাপিত হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর এমপি বলেছেন, ধর্ম যার যার কিন্তু উৎসবের আনন্দ সবার। প্রতিবছর বান্দরবানে স্থানীয় রাজারমাঠে আকর্ষণীয় পূজা মন্ডপ তৈরি করে হিন্দু ধর্মালম্বীরা শারদীয় দূর্গাৎসব আয়োজন করে। দেশের বিভিন্নস্থান থেকে এখানে পূজা দেখতে মানুষ ভীড় জমায়। এবারও শান্তিপূর্ণভাবে এখানে শারদীয় দূর্গাপুজা উৎসব সম্পন্ন হবে। শান্তিপূর্ণভাবে উৎসব উদযাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি পূজা উদযাপন পরিষদের নিজস্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়াও বাড়তি নিরাপত্তার জন্য বিজিবি প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%aa%e0%a7%82%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%bf%e0%a6%95