বান্দরবানে সিভিল সার্জন অফিসের প্রধান ফটকের গেইট ভেঙ্গে পড়েছে

প্রকাশ:| বুধবার, ১০ আগস্ট , ২০১৬ সময় ০৯:২৪ অপরাহ্ণ

সিভিল সার্জন অফিসবান্দরবান প্রতিনিধি ॥
বান্দরবানে নির্মাণের ১৬ দিনের মাথায় সিভিল সার্জন অফিসের প্রধান ফটকে নির্মিত পাঁকা গেইট ভেঙ্গে পড়েছে। নির্মাণকাজে অনিয়ম-দূর্নীতি এবং সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীর অব্যবস্থাপনায় এ দূর্ঘটনা ঘটেছে দাবী স্থানীয়দের। বুধবার দুপুরে জেলা শহরে এ ঘটনা ঘটে।
গনপুর্ত বিভাগ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, গনপূর্ত বিভাগের অর্থায়নে ৪ লক্ষ টাকা ব্যয়ে বান্দরবান শহরের হাসপাতাল এলাকায় জেলা সিভিল সার্জন অফিসের সৌন্দর্য বর্ধনে প্রধান ফটকে একটি আকর্ষণীয় গেইট নির্মাণ করা হয়। কিন্তু নির্মাণকাজে অনিয়ম-দূর্নীতি এবং সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীর অব্যবস্থাপনায় নির্মিত গেইট’টি নির্মাণের মাত্র ১৬ দিনের মাথায় ভেঙ্গে পড়েছে। গেইট ধসে পড়ার খবরে জেলা শহরে তোলপাড় শুরু হয়েছে। তবে বৃষ্টির মধ্যে গেইট’টি ধসে পড়ায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি খবর পাওয়া গেছে। এদিকে নির্মাণকাজে অনিয়ম-দূর্নীতি এবং সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীর অব্যবস্থাপনায় গনপুর্ত বিভাগের নির্মিত গেইট’টি ভেঙ্গে পড়েছে দাবী স্থানীয়দের।
অপরদিকে বুধবার রাতেও সিভিল সার্জন অফিস এলাকায় গনপূর্ত বিভাগের অর্থায়নে নির্মাণধীন আরেকটি দ্বিতল ভবনের ছাদ ঢালাই দেয়া হয়েছে রাতের আধাঁরে। সংশ্লিষ্ট বিভাগের অব্যবস্থাপনায় এবং প্রকৌশলীর সহযোগীতায় নির্মাণকাজে অনিয়ম দূর্ণীতির ঘটনাগুলো ঘটছে অভিযোগ স্থানীয় ঠিকাদারদের।
নির্মাণ কাজের ঠিকাদার মোহাম্মদ ফারুক বলেন, শ্রমিকের অবহেলায় নির্মিত গেইট’টি ভেঙ্গে পড়েছে। কাজের গুনগতমান খারাপ ছিলনা। কোনো অনিয়ম-দূর্নীতি করা হয়নি নির্মাণ কাজে। গনপুর্ত বিভাগের অর্থায়নে রোয়াংছড়ি উপজেলায় ১ কোটি ৩৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ফায়ার সার্ভিস স্টেশন দু’তলা ভবনের নির্মাণ কাজও আমি করছি। এদিকে গেইট ভেঙ্গে পড়ার বিষয়ে কথা বলতে জেলা গনপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী এম.এ মনিমের মোবাইলফোনে একাধিকবার কল করেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে নির্মাণকাজের দায়িত্বশীল গনপূর্ত বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো: ইলিয়াছ শাহ জানান, আমার (নির্মাণ কাজের দায়িত্বশীল প্রকৌশলীর) অনুপস্থিতিতে গেইটের ছাদ ঢালাই দেয়া হয়েছিল। ছাদে লোহার পরিমাণ কম দেয়া’সহ নির্মাণকাজে ত্রুটির বিষয়টি আগেই ধরা পড়েছিল। কিন্তু নির্মিত গেইটের সেন্টারিং কাঠ সরানোর সময় নির্মিত গেইট’টি সম্পূর্ন ভেঙ্গে পড়েছে। তবে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।