বাংলাদেশ সাপ্তাহিক পত্রিকা পরিষদ চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটি গঠিত

প্রকাশ:| বুধবার, ১৩ জানুয়ারি , ২০১৬ সময় ১০:২৩ অপরাহ্ণ

আহাবায়ক কাজী আবু জাফর রফিক,যুগ্ম আহবায়ক এম জামাল উদ্দিন,সদস্য সচিব এম নুরুল কবির
বাংলাদেশ সাপ্তাহিক পত্রিকা পরিষদ চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটি গঠিতবাংলাদেশের সাপ্তাহিক সংবাদপত্র শিল্পকে রাষ্ট্র ও সমাজের কল্যাণে আরও জনপ্রিয় করে তোলার লক্ষ্যে সাপ্তাহিক পত্রিকার প্রকাশক-সম্পাদকদের সমন্বয়ে একটি নতুন সংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘটেছে। সাপ্তাহিক পত্রিকার প্রকাশক-সম্পাদকরা একমত হয়ে ‘বাংলাদেশ সাপ্তাহিক পত্রিকা পরিষদ চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির মাধ্যমে চট্টগ্রামে আত্মপ্রকাশ করেছে। এ লক্ষ্যে গত ৭ জানুয়ারী বিকাল ৪ ঘটিকায় সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয় ৫৩ মডার্ণ ম্যানশন ( ১৫ তলা),মতিঝিল বা/এ ঢাকায় সংগঠনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক এস এম মোরশেদ এর সভাপতিত্বে জরুরী সভায় চট্টগ্রাম বিভাগীয় আহবায়ক কমিটি ঘোষনা ও অনুমোদন করা হয়।
চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির আহব্বায়ক হলেন কে এ জে রফিক উদ্দিন (কাজী রফিক)প্রকাশক সম্পাদক-সাপ্তাহিক সু সময়, এম জামাল উদ্দিন-প্রকাশক.সম্পাদক সাপ্তাহিক আলোকিত চট্টগ্রাম, এম নুরুল কবির-প্রকাশক.সম্পাদক সাপ্তাহিক অপরাধ ঘোষনা, কার্যকরী সদস্য মো:সফিউল আলম-প্রকাশক সম্পাদক সাপ্তাহিক এজাহার,মো:ইউসুফ-সম্পাদক সাপ্তাহিক আবেদনকে সদস্য করে ১১ সদস্য আহব্বায়ক কমিটি অনুমোদন করেছেন বাংলাদেশ সাপ্তাহিক পত্রিকা পরিষদ কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান এস এম মোরশেদ।
সভায় নির্বাচিত কমিটির কর্মকর্তারা বলেন, সাপ্তাহিক সংবাদপত্র শিল্প বিকাশে আরও মর্যাদা বৃদ্ধির প্রয়োজনীতার কথা স্মরণ করেন। সাপ্তাহিক পত্রিকার সম্পাদকমহল মনে করেন, তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে অনেক সমস্যায় পড়তে হয়। সাপ্তাহিক পত্রিকা প্রকাশের ক্ষেত্রে তারা অনেক বৈষম্যের কথা ক্ষোভের সঙ্গে প্রকাশ করেন। এ বৈষম্য দুরিকরণে সরকারের প্রতি তারা জোরদাবী জানান। বক্তারা বলেন, ১৯৭৩ সালের ছাপাখানা আইনে সকল পত্রিকার সমান সুযোগ রেখে প্রকাশনা আইন করা হলেও সাপ্তাহিক, পাক্ষিক ও মাসিক পত্রিকাগুলোর প্রতি চরম বৈষম্যমুলক আচারণ করা হয় যা সকলের দৃষ্টিগোচর হচ্ছে। সাপ্তাহিক, পাক্ষিক ও মাসিক পত্রিকা প্রকাশে সম্পাদকদের অনেক কষ্ট করতে হয় এবং খরচও একবারে কম নয়। বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে সরকারি অফিসগুলো সাপ্তাহিক, পাক্ষিক ও মাসিক পত্রিকাগুলোতে বিজ্ঞাপন দিতে গড়িমসি করে থাকেন। যে কারণে পত্রিকাগুলো নিয়মিত প্রকাশ করা অত্যন্ত দুরহ হয়ে পড়ে। বিজ্ঞাপনদাতা প্রতিষ্ঠাণগুলো এসকল পত্রিকার ক্ষেত্রে কলাম ইঞ্চি হিসেব না করে সামান্য মুল্য দিয়ে তারা বিজ্ঞাপন দিতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে। বিজ্ঞাপনের মুল্য অনেক কম হওয়ায় পত্রিকার স্টাফ ও সাংবাদিকদের বেতন দেওয়া এবং পত্রিকার সার্কুলেশন বৃদ্ধিতে সম্পাদক ও প্রকাশকদের অনেকটা হিমসিম খেতে হচ্ছে। এসকল বৈষম্য বর্জনের আহ্বান জানিয়েছেন সম্পদকবৃন্দ। বাংলাদেশের সাপ্তাহিক, পাক্ষিক ও মাসিক সংবাদপত্র দেশ ও সমাজের একটা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে থাকে। কিন্তু বর্তমানে দেখা যাচ্ছে যে, এসকল পত্রিকার স্টাফ, সাংবাদিক ও সম্পাদকদের কোনঠাসা করে রাখা হয়েছে। বক্তারা সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে সাপ্তাহিক পত্রিকার প্রতি বৈষম্য পরিহার করে যথাযত মূল্যায়ন করার আহ্বান জানান। সাপ্তাহিক পত্রিকা পরিষদ সকল পত্রিকার প্রকাশক সম্পাদকদের কল্যানে সর্বদা পাশে থেকে দাবী আদায়ে সব সময়ে ভুমিকা রাখবে।এ সংগঠনটিতে সকল সাপ্তাহিক পত্রিকার প্রকাশক, সম্পাদকদের সদস্য হতে আহব্বান জানান কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক এস এম মোরশেদ।