বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সীমান্তে ড্রোন মোতায়েনের পরিকল্পনা নিয়েছে ভারত

প্রকাশ:| সোমবার, ৯ সেপ্টেম্বর , ২০১৩ সময় ১০:৪০ অপরাহ্ণ

ড্রোন বা চালকবিহীন বিমানঅনুপ্রবেশ ঠেকাতে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সীমান্তে ড্রোন বা চালকবিহীন বিমান মোতায়েনের পরিকল্পনা নিয়েছে ভারত।সীমান্তে ড্রোন মোতায়েনের পরিকল্পনা ভার

ড্রোন ব্যবহার ও পরিচালনা পদ্ধতির খসড়াও চূড়ান্ত করছে ভারতীয় বিমানবাহিনী।

সোমবার ভারতীয় পত্রিকা ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে এ-সংক্রান্ত খবর প্রকাশিত হয়।

বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফের ড্রোন মোতায়েনের পরিকল্পনা বা গতিবিধি পর্যবেক্ষণের ঘটনা এর আগে কখনও শোনা যায়নি। ফলে এ বিষয়টি কূটনৈতিক পর্যায়ে বড় ধরনের ধাক্কা খাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিএসএফ মহাপরিচালক সুভাষ জোশির বরাত দিয়ে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানায়, সীমান্তে নজরদারি বাড়ানোর উদ্দেশ্যে খুব শিগগিরই ড্রোন মোতায়েন করা হবে। খবরে বলা হয়, ভারতীয় বিমানবাহিনী ড্রোন ব্যবহার ও পরিচালনা পদ্ধতির খসড়া চূড়ান্ত করছে।

পত্রিকাটি জানায়, ড্রোন সীমান্ত এলাকার ১০ থেকে ১২ হাজার ফুট উচ্চতায় উড্ডয়ন করবে। আকাশসীমা ব্যবহার-সংক্রান্ত সীমাবদ্ধতা থাকায় ভারতীয় বিমান বাহিনীর সহায়তা নেওয়া হবে।

বিএসএফ মহাপরিচালক বলেন, ‘আমরা শুধু ভারতের পশ্চিমাঞ্চলীয় সীমান্তেই এটি মোতায়েন করব না, বাংলাদেশের সঙ্গে পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্তেও ড্রোন মোতায়েন করা হবে।’

ভারতীয় সীমান্তে কেউ অনুপ্রবেশের চেষ্টা করলে বা এ-সংক্রান্ত গতিবিধি চালালে তার চিত্র ড্রোন থেকে ধারণ করা হবে এবং তাৎক্ষণিকভাবে সে সব তথ্য সংশ্লিষ্ট স্থানে জানিয়ে দেওয়া হবে।

সুভাষ জোশি বলেন, ‘ড্রোন মোতায়েনের পরিকল্পনা নিয়ে দ্রুত কাজ করা হচ্ছে। শুধু ভারতের পশ্চিমাঞ্চলীয় সীমান্ত নয়, বরং পূর্বাঞ্চলীয় বাংলাদেশ সীমান্তেও ভারতের ড্রোন ব্যবহারের কথা সক্রিয়ভাবে ভাবছে বিএসএফ।’

সীমান্তরক্ষী বাহিনীর তৎপরতা জোরদারে ভারত এরই মধ্যে দূরপাল্লার নজরদারি ও পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা (এলওআরআরওএস), যুদ্ধুক্ষেত্রে নজরদারি রাডার (বিএফএসআর) এবং নাইটভিশন ব্যবহার শুরু করেছে।

সীমান্তে ড্রোন ব্যবহারের বিষয়ে গত বছর ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে একটি প্রস্তাব দেয় বিএসএফ।

বিএসএফের অপর এক কর্মকর্তা দাবি করেন, ড্রোন ব্যবহার করা হলে সীমান্তে আরও কার্যকরভাবে নজরদারি সম্ভব হবে। বিএসএফের উচ্চ পর্যায় থেকে দাবি করা হয়েছে, আকাশ থেকে নজরদারির ব্যবস্থা করা হলে তাতে সীমান্তে অপতৎপরতা দমনের পাশাপাশি কোনো পক্ষ যদি অনুপ্রবেশ সংক্রান্ত গতিবিধির কথা অস্বীকার করতে চায় তারও প্রমাণ তুলে ধরা যাবে।