বাংলাদেশের নিরাপদ কারাখানা থেকে পোশাক ক্রয়ে মার্কিন সেনাবাহিনীকে তাগিদ

প্রকাশ:| রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি , ২০১৪ সময় ০৭:৪৮ অপরাহ্ণ

মার্কিন সামরিক ঘাঁটির দোকানগুলোতে বিক্রি হচ্ছে বাংলাদেশের অনিরাপদ কারখানায় তৈরি পোশাক। আর প্রচেষ্টা চলছে পোশাক শিল্পের হাল যেন এমনটাই থাকে। মার্কিন সামরিক বাহিনীর ব্যয় সংক্রান্ত বিলে হাতেগোনা কয়েকজন ডেমোক্রেট সংশোধনী উপস্থাপন করেছেন। এর মধ্যে সিনেটে সংশোধনী উপস্থাপন করেছেন সিনেটর বব কেসি। আর প্রতিনিধি পরিষদে উপস্থাপন করেছেন জর্জ মিলার এবং জ্যান শ্যাকোস্কি। সামরিক ব্যয় বিলে প্রস্তাবিত ওই সংশোধনীতে ‘বাংলাদেশের অগ্নি এবং ভবন নিরাপত্তা চুক্তি’-তে স্বাক্ষরকৃত পোশাক সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানদের অগ্রাধিকার দেয়ার আবশ্যকতা উল্লিখিত রয়েছে। গত বছর বিশ্বের বিভিন্ন পোশাক ব্রান্ড, শ্রমিক ইউনিয়ন এবং বেসরকারি নানা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ‘বাংলাদেশ অ্যাকর্ড অন ফায়ার এন্ড বিল্ডিং সেফটি’ শীর্ষক একটি আইনি বাধ্যবাধকতামূলক চুক্তি স্বাক্ষরের পদক্ষেপ নেয়া হয়। এদিকে শীর্ষ কিছু ক্রেতা প্রতিষ্ঠান শিল্পভিত্তিক পৃথক আর একটি জোট গঠনের উদ্যোগ নেয়। ‘এলায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি’ শীর্ষক ওই সংগঠন প্রস্তাবিত সংশোধনী বিপক্ষে অভিমত দেয়। তারা যুক্তি প্রদর্শন করে, এতে এলায়েন্সের যেসব মার্কিন সদস্য ওই অ্যাকর্ডে যোগ দিতে সম্মত হয়নি তাদেরকে শাস্তি দেয়ার শামিল হবে। এলায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি কারখানা উন্নয়নের জন্য ৪ কোটি ডলার অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি দিলেও নিরাপত্তা চুক্তির মতো এর সদস্যদের কোন বাধ্যবাধকতা নেই। বিভিন্ন শ্রমিক ইউনিয়ন এরকম সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা ঘাটতির সমালোচনা করেছে। ডেমোক্রেটদের পদক্ষেপ সিনেট উতরে যেতে না পারলেও সিনেটর ডারবিন সম্প্রতি পাস হওয়া বিলে একটি সংশোধনী অন্তর্ভুক্ত করতে সক্ষম হয়েছেন। এ সংশোধনী অনুযায়ী, সামরিক দোকানগুলো নিরাপত্তা চুক্তি মেনে চলা কারখানা থেকে পোশাক আমদানি করছে কিনা, প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে সে প্রতিবেদন কংগ্রেসে উপস্থাপন করতে হবে। এ সপ্তাহের একটি শুনানিতে ডারবিন ম্যারিন কর্পসের প্রশংসা করেন। কেননা, ম্যারিন কর্পসের লোগো সম্বলিত কোন পোশাক তৈরি করতে হলে ওই কারখানাকে বাধ্যতামূলকভাবে নিরাপত্তা চুক্তি মান্য করতে হবে এমন নিয়ম প্রচলন করেছে তারা। সব সরকারি সংস্থা একইরকম মানদণ্ড অবলম্বন করুক তেমনটা দেখতে চান বলে মন্তব্য করেন সিনেটর ডারবিন। সূত্র: ডেইলি কস ডটকম।