বাংলাদেশের উন্নয়নে ওয়াজেদ মিয়া নিরব কান্ডারী

প্রকাশ:| বৃহস্পতিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি , ২০১৭ সময় ১১:৫৭ অপরাহ্ণ

পরমাণু বিজ্ঞানী ড. ওয়াজেদ মিয়ার স্মরণ আলোচনায় সাংবাদিক আবু সুফিয়ান
পরমানু বিজ্ঞানী, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য স্বামী ড. ওয়াজেদ মিয়া’র ৭৪তম জন্মদিন উদ্যাপন উপলক্ষে বাংলাদেশের বিজ্ঞান চর্চা এবং বিকাশে ড. ওয়াজেদ মিয়া’র অবদান শীর্ষক এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল
চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রী পরিষদের উদ্যোগে ১৬ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার রাত ৮ টায় নগরীর জামালখানস্থ কার্যালয়ে পরিষদের সভাপতি মোর্শেদ আলম চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি রুপালী ব্যাংকের পরিচালক, দক্ষিণ জেলা আওয়ামীলীগনেতা সাংবাদিক আবু সুফিয়ান। চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আসিফ ইকবালের পরিচালনায় এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মহিলা কাউন্সিলর আবিদা আজাদ, চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগনেতা সুমন দেবনাথ, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সম্পাদক ইয়াছিন আরাফাত, যুব মহিলালীগ নেত্রী জুলেখা বেগম, সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক ফরহাদুল ইসলাম, মহিলা আওয়ামীলীগনেত্রী সোনুয়ারা সুলতানা, সাবেক ছাত্রনেতা চন্দন পালিত, রুপেন কুমার ঘোষ, জমির উদ্দিন চৌধুরী, রুজি চৌধুরী, মহানগর ছাত্রলীগের সদস্য বোরহান উদ্দিন গিফারী, মোস্তফা কামাল, আনন্দ মজুমদার, দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগনেতা সৈকত চৌধুরী, আরিফ উদ্দিন চৌধুরী, স¤্রাট, মুহাম্মদ হাসান আলী, ওমর ফারুক, যুব মহিলালীগ নেত্রী ফারজানা চৌধুরী, জাফর আহম্মদ ফকির প্রমুখ। সভায় প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন ড. ওয়াজেদ মিয়া উপ-মহাদেশের একজন্য খ্যাতিমান পরমাণু বিজ্ঞানী হিসেবে মৃত্যুর আগদিন পর্যন্ত কাজ করেগেছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য স্বামী হিসেবে জননেত্রীকে সকল প্রকার সহযোগিতা করে গেছেন। আওয়ামী রাজনীতির দুর্দিনে ড. ওয়াজেদ মিয়া নিরবে নিবৃত্তে দলের নেতা-কর্মীদের সংগঠিত করার কাজে বিশেষ করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সাংগঠনিক ভাবে পরামর্শ, উৎসাহ-উদ্দীপনা দিয়ে গেছেন। ড. ওয়াজেদ মিয়া একদিকে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য জামাতা কিন্তু ব্যক্তি গত জীবনে তিনি একজন নিরহংকারী এবং প্রজ্ঞাবান মানুষ হিসেবে দেশের উন্নয়নে আজীবন কাজ করে গেছেন। ড. ওয়াজেদ মিয়া বিজ্ঞান চর্চা, রাজনীতিতে অবদান ছাড়াও নিজের ২ ছেলে মেয়েকে উচ্চতর শিক্ষায় শিক্ষিত করার কাজে অনন্য ভ’মিকা রেখে গেছেন। আজকের দিনে ড. ওয়াজেদ মিয়ার শূন্যতা জাতি কখনো পূরণ করতে পারবে না। ড. ওয়াজেদ মিয়া আমাদের বাংলাদেশের গর্ব। তিনি আরো বলেন, বর্তমান প্রজন্মের ছাত্র-ছাত্রীদের বিজ্ঞান শিক্ষায় মনোযোগী হওয়ার উপর গুরুত্বারোপ করেন। সভার শুরুতে ড. ওয়াজেদ মিয়ার স্মরণে বিশেষ দোয়া ও মুনাজাত করেন মাওলানা জাফর আহমদ। আলোচনা শেষে প্রধান অতিথি সাংবাদিক আবু সুফিয়ানসহ নেতৃবৃন্দ ড. ওয়াজেদ মিয়ার ৭৪তম জন্মদিনের কেক কাটেন।