বাংলাদেশকে এগিয়ে রাখলেন সুজন

প্রকাশ:| শনিবার, ৬ জুন , ২০১৫ সময় ০৯:৩৯ অপরাহ্ণ

বিশ্বকাপের সময় থেকে বাংলাদেশ জাতীয় দলের ম্যানেজারের দায়িত্ব পেয়েছিলেন খালেদ মাহমুদ সুজন। ম্যানেজার হিসেবে ছিলেন পাকিস্তান সিরিজেও। আসন্ন ভারত সিরিজের আগে শনিবার জাতীয় দলের সাবেক এ অধিনায়ককে আবারো ম্যানেজার হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

যদিও ভারত সিরিজে ম্যানেজার হিসেবে থাকতে তার একটু অনীহা ছিল। তবে ম্যানেজার হয়ে ভারত সিরিজের আগে আশার বাণী শোনালেন খালেদ মাহমুদ সুজন। ফিল্ডিংয়ে ভারতের চেয়ে বাংলাদেশকে তিনি এগিয়ে রাখলেন। আর ব্যাটিং- বোলিংয়ের শক্তিতেও খুব বেশি পার্থক্য দেখছেন না জাতীয় দলের সাবেক এ অধিনায়ক।

আগামী ১০ জুন ফতুল্লরা খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামে ভারতের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। ভারত সিরিজের আগে বাংলাদেশের প্রস্তুতি নিয়ে সন্তুষ্ট দলের ম্যানেজার খালেদ মাহমুদ। শনিবার মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি।

বিশ্বকাপ থেকে ভালো খেলে আসা বাংলাদেশ দল আসন্ন ভারত সিরিজেও ভালো করবে বলে দারুণ আশাবাদী খালেদ মাহমুদ সুজন। এ বিষয়ে জাতীয় দলের ম্যানেজার বলেন , ‘আমি চাইব বাংলাদেশ দল ভাল ক্রিকেট খেলুক। অনন্ত টেস্ট ম্যাচটা ড্র করতে পারলেই খুশি হব। আমাদের খেলোয়াড়রা যদি তাদের মেলে ধরতে পারে, তাহলে সেটা সহজেই সম্ভব। ভাল ক্রিকেট খেলে ড্র করতে পারলেও অনেক সময় জয়ের মতো আনন্দ পাওয়া যায়।’

বিশ্বকাপের পর পাকিস্তানের বিপক্ষে ভালো পারফর্ম করেছে বাংলাদেশ দল। তাই বর্তমান পারফরম্যান্স বিচারে বাংলাদেশ দলকে এগিয়ে রেখেছেন খালেদ মাহমুদ সুজন। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বর্তমান পারফরম্যান্স বিচারে অবশ্যই এগিয়ে বাংলাদেশ। বিভাগ বিশ্লেষণ এবং মূল্যায়ন করে ফিল্ডিংয়েও এগিয়ে থাকবে বাংলাদেশ। আমার মনে হয় না ব্যাটিং- বোলিংয়েও বেশি এগিয়ে থাকবে ভারত। তবে ওদের ক্রিকেট ইতিহাস অনেক দিনের পুরানো। তাই এই দিক থেকে ওরা (ভারত) হয়তো এগিয়ে।’

ফতুল্লায় ভারতের বিপক্ষে একটি মাত্র টেস্ট ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। অথচ এই ভেন্যুতে খুব বেশিদিন অনুশীলন করার সুযোগ পাচ্ছেন না স্বাগতিক ক্রিকেটাররা। তার ওপর এ মাঠে প্রায় আট বছর পর টেস্ট ম্যাচ খেলতে নামছে বাংলাদেশ। তাতে করে স্বাগতিকরা কি বৈরী কোন পরিস্থিতির শিকার হতে পারে?

তবে এসব বিষয় নিয়ে খুব বেশি চিন্তিত নন খালেদ মাহমুদ সুজন। তিনি বলেন, ‘আরও আগে ওই(ফতুল্লা) মাঠে অনুশীলন করা গেলে ভাল হতো। আমার মনে হয় মাঠটি তৈরি করতে সময় লেগেছে। ঘরোয়া ক্রিকেটের প্রচুর খেলা ওখানে অনুষ্ঠিত হয়েছে। টেস্ট ম্যাচের জন্য মাঠের সংস্কার কাজ করায় হয়তো কিছুটা সময় লেগেছে। তবে তিন দিন ওখানে অনুশীলন খারাপ হবে না বাংলাদেশের জন্য।’