বর্ষবিদায়ের প্রতিটি অয়োজনে মানুষের ঢল নামে

প্রকাশ:| রবিবার, ১৩ এপ্রিল , ২০১৪ সময় ০৯:১৭ অপরাহ্ণ

বর্ষবিদায়েঋতুচক্রের আবর্তনে বসন্তের শেষ দিন আজ বুধবার, প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির ১৪২০ সালকে বিদায় জানানোর সময়। বর্ষবিদায়ের এই দিনটিকে আনন্দঘন করে রাখতে তাই বুধবার নগরীতে ছিল বিভিন্ন সংগঠনের উদ্যোগে নানা আয়োজন। এসব উৎসবে ঢল নামে মানুষের।

বিকাল চারটা থেকে নগরীর ডিসি হিলে বর্ষবিদায় অনুষ্ঠানের আয়োজন করে সম্মিলিত পহেলা বৈশাখ উদযাপন পরিষদ। অনুষ্ঠানে সংগীতের সুর, আবৃত্তির ঝংকার আর নুপুরের নিক্কনে দর্শকদের মাতাল করে খ্যাতিমান শিল্পীরা। এতে সংগীত পরিবেশন করে সংগীত ভবন, জয়ন্তী, ছন্দানন্দা সাংস্কৃতিক পরিষদ, গুরুকুল সুর-সাধণা, সংগীতালং, সংগীত পরিষদ, গীতধ্বনি, শহীদ মিলন সংগীত বিদ্যালয়, সৃজামি সাংস্কৃতিক অংগন, অনুশীলন সংগীত একাডেমি, উপমা সাংস্কৃতিক অংগন ও কথা শিল্পী গোষ্ঠী।

একক সংগীত পরিবেশন করেন গিরীজা রাজবর, অপু বর্মন, গায়ত্রী চৌধুরী, প্রদীপ দাশ, মোহাম্মদ মোবিন, আইরিন সাহা, কার্ত্তিক মজুমদার পলাশ, নন্দ দুলাল গোস্বামী, খোকন মালাকার, প্রিয়াংকা দাশ অর্কি, নীলিমা দাশ। বিশেষ সংগীতানুষ্ঠানে লোক গানে শ্রোতাদের মুগ্ধ করেন শিল্পী ফকির শাহাবুদ্দিন।

অনুষ্ঠানে নৃত্য পরিবেশন করে ওডিসি অ্যান্ড টেগোর মুভমেন্ট সেন্টার, নটরাজ নৃত্যাঙ্গন, স্কুল অব ওরিয়েন্টাল ডান্স, নৃত্য নিকেতন, গুরুকুল, সঞ্চারী নৃত্যকলা কেন্দ্র, ঘুঙুর নৃত্যকলা কেন্দ্র, আনন্দধারা ও দি ফোক ডান্স গ্রুপ।

দলীয় আবৃত্তি পরিবেশন করে বোধন আবৃত্তি পরিষদ, প্রমা আবৃত্তি সংগঠন, নরেন আবৃত্তি কেন্দ্র, স্বরনন্দন প্রমিত বাংলা চর্চা কেন্দ্র। একক আবৃত্তি করেন রণজিত রক্ষিত ও রাশেদ হাসান।

অনুষ্ঠানে তিন কৃত্তিমানকে সম্মাননা স্মারক দেওয়া হয়। এরা হলেন সাহিত্যিক বিপ্রদাশ বড়ুয়া, শিল্পী জয়ন্তী লালা, গবেষক প্রভাংশু ত্রিপুরা।

এদিকে, বিকাল সাড়ে চারটায় বাদ্যের তালে তালে নগরীর সিআরবি শিরীষতলায় শুরু হয় নববর্ষ উদযাপন পরিষদের আয়োজনে বর্ষবিদায় অনুষ্ঠান। উৎসবের উদ্বোধন করেন নববর্ষ উদযাপন পরিষদের সভাপতি ও দৈনিক আজাদী’র সম্পাদক এম এ মালেক।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নববর্ষ উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান বাদল, রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের বিভাগীয় রেলওয়ে ম্যানেজার (ডিআরএম) এ এস এম মুরাদ হোসেন ও উৎসব কমিটির সমন্বয়কারী স্বপন মজুমদার।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এম এ মালেক বলেন, প্রতি বারের মতো নববর্ষ উদযাপন পরিষদ চট্টগ্রাম শহরের সবচেয়ে আকর্ষণীয় প্রাকৃতিক স্থান সিআরবিতে বৈশাখী উৎসব আয়োজন করছে। সিআরবি বৈশাখী উৎসবের বয়স কম হলেও ধীরে ধীরে চট্টগ্রাম ছাড়িয়ে সারাদেশে পরিচিতি লাভ করেছে। সিআরবি’র প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বৈশাখী উৎসবকে নতুন মাত্রা দিয়েছে।

এসময় রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের ডিআরএম এএসএম মুরাদ হোসেন সিআরবি বৈশাখি উৎসবের সাথে রেলওয়ের সংম্পৃক্ততা রেলওয়েকে গৌরবান্বিত করেছে বলে মন্তব্য করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নববর্ষ উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান বাদল তার বক্তব্যে বলেন, বিকালে বর্ষবিদায়ের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হলো সিআরবি’র দুই দিনব্যাপী বৈশাখী উৎসব। প্রতিবারের মতো এবারও এ প্রান্তবন্ত উৎসবে চট্টগ্রামের গণমানুষ সম্পৃক্ত হবে।

ঢোলের বাদ্যের সঙ্গে বেলুন উড়িয়ে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে আবৃত্তি, নাচ ও গানের দলীয় পরিবেশন করে বিভিন্ন সংগঠন। সন্ধ্যা সাতটা থেকে শুরু হয় একক সঙ্গীতানুষ্ঠান।

দলীয় পরিবেশনা অংশ নেয় সঞ্চারী নৃত্যকলা একাডেমি, জয়বাংলা সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী, ছন্দানন্দ সাংস্কৃতিক পরিষদ, সুরাঙ্গন বিদ্যাপীঠ, শব্দনোঙর, শহীদ মিলন পরিষদ, গুরুকুল সঙ্গীত একাডেমি, সাংস্কৃতিক ইউনিয়ন, নরেন আবৃত্তি একাডেমি, অপারেজয় বাংলাদেশ, আওয়ামী শিল্পী গোষ্ঠী, নৃত্যরং একাডেমি, নৃত্যনন্দন একাডেমি, চারুতা নৃত্যকলা একাডেমি।

একক সঙ্গীত পরিবেশন করেন মালবিকা দাশ, সুবহা নাওয়াল ঐশী, মিতালী রায়, অশোক সেনগুপ্ত, আয়েশা খাতুন ও ফিরোজুর রহমান।

এর বাইরে, নগরীর ফুলকি স্কুল, লালদিঘি মাঠ, শিল্পকলা একাডেমিসহ বিভিন্ন এলাকায় নানা আয়োজনে বর্ষবিদায় অনুষ্ঠান উদযাপিত হয়েছে।
রাউজান কলেজ মাঠে থাকেছে ২ হাজার মানুষের পান্তা ইলিশের আয়োজন
শফিউল আলম, রাউজান প্রতিনিধিঃ গতকাল ১৩ এপ্রিল রোববার থেকে রাউজানে শুরু হচ্ছে বাঙালীর প্রাণের উৎসব বর্ষ বিদায় ও বরণ অনুষ্ঠান। এই উৎসবকে প্রাণবন্ত করতে উপজেলার বিভিন্নস্থানে নেয়া হয়েছে হরেকরকম কর্মসূচি। বিদায়ী বর্ষের শেষ দিন গতকাল ১৩ এপ্রিল রোববর প্রতিবছরের মত শত শত আধিবাসী নরনারীরা সমবেত হয়েছে রাউজানের মহামুনি মন্দিরে। । গতকাল রবিবার থেকে এখানে শুরু হয়েছে বৈশাখী মেলা। চলবে সপ্তাহ ব্যাপী। মহামনি মেলা উদযাপন পরিষদের অর্থ সম্পাদক সুজন প্রসাদ বড়–য়া বলেন, সাপ্তাহ ব্যাপী মেলায় প্রথমদিনে আদিবাসী সম্প্রদায়ের লোক জন গতকাল রোববার দিবাগত রাতে সাংসকৃতিক অনুষ্ঠান করবে । মেলায় পার্বত্য চট্ট্রগামের বিভিন্ন এলাকার হাজার হাজার নারী পুরুষ ঢূঋষ যুবক যুবতি এসেছে ্ । মেলায় বাশঁ ও বেতের তৈয়ারী হাত পাখা, বেতের তৈয়ারী পাঠি, তরমুজ, খেলনা ও প্রসাদনী সামগ্রীর দোকান বসেছে ্ । দোকানগুলোতে নারী পুরুষ দল বেধেঁ কেনাকাটা করছে ।মহামনি মন্দিরের এই মেলা মহামনি তরুন সংঘ. মহামনি সাংস্কৃতিক গোষ্ঠি সহ চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকার শিল্পিরা গান পরিবেশন করবেন । গতকাল বিকালে সাতদিন ব্যাপী বৈশাখী মেলার উদ্বোধন করেন মহামনি মন্দির উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির চেয়ারম্যান লায়ন রুপম কিশোর বড়–য়া । ১৪ এপ্রিল সোমবার বর্ষ বরণের বিশাল আয়োজন থাকছে রাউজান কলেজ মাঠে। এখানে বৈশাখীর মেলার সাথে থাকবে বলি খেলাসহ নানা আয়োজন। মেলার আয়োজকরা অতিথিদের জন্য রেখেছে পান্তা ইলিশের ব্যবস্থা। এই আয়োজন করা হয়েছে আমন্ত্রিত প্রায় দুই হাজার মানুষের জন্য। মেলা কমিটির সদস্য সচিব পৌর কাউন্সিলর জমির উদ্দিন পারভেজ বলেছেন হারিয়ে যেতে বসা বাঙালী সংস্কৃতি পূনরুদ্ধারে এই আয়োজন করা হয়েছে। আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক সাবেক পৌর মেয়র ও প্রবীণ রাজনীতিক শফিকুল ইসলাম চৌধুরী বলেছেন স্বাধীনতার পর প্রায় তিন দশক রাউজান ছিল সন্ত্রাস নামক ব্যধিতে আক্রান্ত। বিগত এক দশক থেকে এই ব্যধি থেকে আমরা মুক্ত। এই পরিবেশ পেয়ে রাউজানের সাংস্কৃতিমনা মানুষ আবার তাদের হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্য ফিরে ফেতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। তাদের প্রেরণায় এবার প্রাণের উৎসব অন্যরকম অনুভূতিতে পালিত হবে। জানা যায়, সোমবার সকালে রাউজানের কলেজ মাঠে সমবেত মানুষের অংশগ্রহনে বর্ণঢ্য র‌্যালির মাধ্যমে নববর্ষকে বরণ করা হবে। এই র‌্যালীর নেতৃত্ব দেবেন রেল মন্ত্রনালয় সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির সভাপতি এবিএম ফজলে করিম চৌধুরীএমপি। এর বাইরে বর্ষবরণ অনুষ্ঠান হবে পশ্চিম গুজরার কালর্চারাল পার্কে এখানে অংশ গ্রহন করবে বিভিন্ন স্কুল কলেজের ছাত্রছাত্রীসহ সমাজিক প্রতিষ্ঠান সমূহ। বলি খেলা ও গরুর লড়াই এর আয়োজন করা হয়েছে আরো কয়েকটি স্থানে। অপর দিকে বাংলা নববর্ষকে কেন্দ্র করে রাউজানের গহিরা হাই স্কুল মাঠে দশদিন ব্যাপী বৈশাখী মেলা শুরু হবে আজ সোমবার থেকে ।
বান্দরবানে মারমা সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী সাংগ্রাই উৎসব শুরু হয়েছে। আজ রোববার পুরাতন রাজবাড়ি মাঠ থেকে সংস্কৃতির শেখড়েই বৈচিত্রময় ঐতিহ্যের ঐক্য: প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর এমপির নেতৃত্বে সাংগ্রাই র‌্যালী বের করা হয়। র‌্যালীটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র‌্যালীতে মারমা, চাকমা, ত্রিপুরা, বম, চাক’সহ বিভিন্ন সম্প্রদায়ের তরুন-তরুনী এবং শিশু-কিশোরসহ নারী-পুরুষেরা অংশ নেয়। এসময় র‌্যালীতে অন্যান্যদের মধ্যে বান্দরবান ৬৯ সেনা রিজিয়নের বিগ্রেডিয়ার জেনারেল নকিব আহমেদ চৌধুরী, জেলা প্রশাসক কেএম তারিকুল ইসলাম, জেলা পুলিশ সুপার দেবদাস ভট্টাচার্য, সাংগ্রাই উৎসব উদযাপন কমিটির সভাপতি অংচ মং মারমাসহ বিভিন্ন গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গরা উপস্থিত ছিলেন। পরে পুরাতন রাজবাড়ি মাঠে শিশু-কিশোরদের চিত্রাংকন প্রতিযোগীতা এবং বসস্ক পূজা অনুষ্ঠিত হয়। চলে
b2পাহাড়ী তরুন-তরুনীদের পরিবেশনায় মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও।
আয়োজক কমিটির সভাপতি অংচ মং মারমা জানান, মারমা সম্প্রদায়ের প্রধান সামাজিক উৎসব সাংগ্রাই’কে ঘিরে পাহাড়ী জেলা বান্দরবানে এবারও ছয়’দিন ব্যাপী নানা অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়েছে। উৎসবগুলো হচ্ছে- সোমবার উজানী পাড়াস্থ সাঙ্গূ নদী চড়ে পবিত্র বুদ্ধমূর্তি ¯œান অনুষ্ঠান। পরেদিন মঙ্গলবার ও বুধবার দুদিন’ব্যাপী সাংগ্রাই উৎসবের মূল আকর্ষণ- জলকেলী বা মৈত্রী পানি বর্ষণ খেলা হবে। শহরের পুরাতন রাজবাড়ি মাঠ, সদর উপজেলার রেইছা থলিপাড়ায়, রোয়াংছড়ি উপজেলা হাইস্কুল মাঠে তরুন-তরুনীরা মেতে উঠবে জলকেলী বা মৈত্রী পানি বর্ষণ প্রতিযোগীতায়। জলকেলী উৎসবে তরুন-তরুনীরা একে অপরের গায়ে পানি ছিটিয়ে ভাবের আদান-প্রদান করে। জলকেলীর আকর্ষণীয় দিক হচ্ছে- পানি খেলায় বিবাহিত নারী পুরুষরা অংশ নিতে পারে না। জলকেলী উৎসবের মাধ্যমে পাহাড়ী তরুন-তরুনীরা সর্ম্পকের সেতু বন্ধন তৈরি করে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। পানি খেলা দেখতে শতশত পাহাড়ী-বাঙ্গালী নারী-পুরুষ ছাড়াও দেশী-বিদেশী পর্যটকরাও ভীড় জমিয়েছে বান্দরবানে। জলকেলী উৎসবের সঙ্গে রয়েছে তৈলাক্ত বাঁশ আরোহন এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও। পাহাড়ী তরুন-তরুনীরা নাচে গানে মাতাবেন উৎসব। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে মারমা শিল্পী গোষ্ঠীসহ স্থানীয় শিল্পী গোষ্ঠীরা নাচ-গান পরিবেশন করবে। রাতে উজানী পাড়াস্থ বিসিক গলি, মধ্যমপাড়াস্থ ছয়নং গলি, জাদী পাড়া গলিসহ বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় সাড়িবদ্ধভাবে বসে তরুন-তরুনী এবং শিশু-কিশোররা তৈরি করছে হরেক রকমের পিঠা। রাতব্যাপী পিঠা তৈরি করে পাড়া-প্রতিব্শেী এবং ক্যায়াংএ ক্যায়াংএ বিতরণ করছে তরুন-তরুনীরা। এছাড়াও কেন্দ্রীয় বৌদ্ধ ক্যায়াংসহ পাড়া-মহল্লায় ক্যায়াংএ ক্যায়াংএ মঙ্গল প্রদ্বীপ প্রজ্জলন করা হবে। সাংগ্রাই উৎসব চলবে আগামী ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত।
জানাগেছে, বর্ষ বরণ ও বর্ষ বিদায় উৎসবকে পাহাড়ী জনগোষ্ঠীরা ভিন্নভিন্ন নামে পালন করে। মারমা ভাষায় সাংগ্রাই, ত্রিপুরা ভাষায় বৈসু, তঞ্চঙ্গ্যা ভাষায় বিসু এবং চাকমা ভাষায় বিজু’র সংক্ষেপিত রুপ হচ্ছে বৈসাবী। পাহাড়ী চার সম্প্রদায়ের প্রধান এই সামাজিক উৎসবকে সমষ্টিগত ভাবে বৈসাবি বলা হয়। অর্থাৎ চৈত্র মাসের ২৯ ও ৩০ তারিখ বছরের শেষ দু’দিন এবং নতুন বছরের প্রথম দুদিন বৈসাবীকে মারমা সম্প্রদায় সাংগ্রাই, ম্রো সম্প্রদায় চাংক্রান, খেয়াং সম্প্রদায় সাংগ্রান, খুমী সম্প্রদায় সাংগ্রায়, চাকমা সম্প্রদায় ও তঞ্চঙ্গ্যা সম্প্রদায় বিজু এবং ত্রিপুরা সম্প্রদায় বৈসু নামে বৈসাবী উৎসব পালন করে আসছে বহুকাল ধরে।