বর্ণাঢ্য আয়োজনের বিজয় দিবস উদযাপন করেছে চুয়েট

প্রকাশ:| শুক্রবার, ১৬ ডিসেম্বর , ২০১৬ সময় ০৯:১৪ অপরাহ্ণ

দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে মহান বিজয় দিবস উদযাপন করেছে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) পরিবার।  শুক্রবার (১৬ ডিসেম্বর) সকালে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিবসের কর্মসূচির সূচনা করা হয়।

শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম।  বিশেষ অতিথি ছিলেন যন্ত্রকৌশল অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবুল আলম, ইনস্টিটিউট অব এনার্জি টেকনোলজির পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. তাজুল ইসলাম, সেন্টার ফর ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রবলেমস রিসার্চ এর চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. বদিউস সালাম, শহীদ তারেক হুদা হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. আব্দুর রশীদ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য চুয়েট ক্যাম্পাসহ সকল বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। একইসঙ্গে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে স্বাধীনতার জন্য লড়ে যাওয়া সকল বীরসেনা ও বীরাঙ্গনাদের অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করেন।

তিনি বলেন, অনেক বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে আমরা স্বাধীনতার স্বাদ পেয়েছি। এই স্বাধীনতাকে আরও অর্থবহ করে তুলতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমাদের কাজ করে যেতে হবে। নিজ নিজ অবস্থান থেকে দেশের উন্নয়নে কাজ করে যেতে হবে। দেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ তরুণদের এ ব্যাপারে গঠনমূলক ভূমিকা রাখতে হবে।

ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মশিউল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ইলেকট্রনিক্স এন্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. কাজী দেলোয়ার হোসেন।

আলোচনায় অংশ নেন ব্যুরো অব রিসার্চ, টেস্টিং এন্ড কনসালটেশনের পরিচালক অধ্যাপক ড. স্বপন কুমার পালিত, পেট্রোলিয়াম এন্ড মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. জামাল উদ্দিন আহমেদ, শহীদ মোহাম্মদ শাহ হলের প্রভোস্ট ড. মো. কামরুল হাসান, শিক্ষক সমিতির সহ-সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সামসুল আরেফীন, কর্মকর্তা সমিতির পক্ষে প্রকৌশলী অচিন্ত্য কুমার চক্রবর্ত্তী, কর্মচারী সমিতির সভাপতি মো. জামাল উদ্দীন, ছাত্রছাত্রীদের পক্ষে মুনতাসির সরওয়ার, অটল ভৌমিক, সাখাওয়াত হোসেন সম্রাট প্রমূখ।

দিবসের অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে ছিল চুয়েট ক্যাম্পাসে অবস্থিত মহান স্বাধীনতাযুদ্ধে শহীদদের কবর জেয়ারত ও পুস্পস্তবক অর্পণ, প্রীতি ম্যাচ, শিশু-কিশোরদের ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা প্রভৃতি।


আরোও সংবাদ